অবহেলিত নারী উদ্যেক্তাদের পাশে থাকবে ডিএসসিসি

প্রকাশিত: ১০:৩১ অপরাহ্ণ, অক্টোবর ২৪, ২০১৮ | আপডেট: ১০:৩১:অপরাহ্ণ, অক্টোবর ২৪, ২০১৮

অাসলাম হোসেন: বাংলাদশের অর্থনীতির মূল ধারার সঙ্গে নারীর সম্পৃক্ততা বেড়েই চলছে। মোট দেশজ উৎপাদন (জিডিপি) বৃদ্ধিতে নারীর অবদান অনস্বীকার্য। এ ক্ষেত্রে ক্ষুদ্র নারী উদ্যোক্তাদের মেধা ও প্রচেষ্টা এগিয়ে নিচ্ছে দেশকে। এক সময়ের ঘরকন্যা বাঙালি নারী এখন শিল্প উদ্যোক্তা। এ অবহেলিত ক্ষুদ্র নারী উদ্যেক্তাদের সব ধরনের সহযোগীতার আশ্বাস দিয়েছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) দুই কাউন্সিলর।

গতকাল বুধবার রাজধানীর কামরাঙ্গীচরে এক কমিউনিটি সেন্টারে আয়োজিত এমপাওয়ারিং উইমেন এন্ড বিল্ডিং সাসটেইনেবল লাইভলিহুড ইন আরবান বাংলাদেশ প্রকল্প- নেটওয়ার্ক মিটিং ফর এংগোজিং উইথ মাল্ডি সেক্টও নারী সংশ্লিষ্ট সহযোগীদের সাথে সংযুক্তি সভায় বক্তারা এসব কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য ডিএসসিসির ৫৫ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মোহাম্মদ নুরে আলম বলেন, দেশের সব সেক্টরে নারীরা আছে। কাজ করছে সবার সঙ্গে। দেশ আজ প্রধানমন্ত্রীর শেখ হাসিনার নেতৃত্বে নারীরা এগিয়ে যাচ্ছে। নারীদের এ উন্নয়নের পেছনে কাজ করছে সরকারী বেসরকারী অনেক এনজিও। আর সেগুলোর মধ্যে দু:স্থ স্বাস্থ্য কেন্দ্র (ডিএসকে) অন্যতম। তিনি আরো বলেন, উদ্যেক্তা হিসেবে নারীরা এগিয়ে গেলেও তাদের চ্যালেঞ্জ রয়েছে অনেক। কর্মক্ষেত্রে নারীর প্রতি সহিংসতা, যৌন হয়রানি, অনিরাপদ কর্মস্থল, নারীর প্রতি সহানুভুতিশীল দৃষ্টিভঙ্গি ও নারীর অর্থনৈতিক ক্ষমতায়নে তাদের বাধা। নারীদের উন্নয়নের ক্ষেত্রে ডিএসসিসির পক্ষ থেকে সবধরনের সহযোগিতা করা হবে।

সভাপতির বক্তব্য ডিএসসিসির ৫৬ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মোহাম্মদ হোসেন বলেন, অবহেলিত ক্ষুদ্র নারী উদ্যেক্তাদের পরামর্শ ও অর্থনৈতিকসহ সবধরনের সহযোগীতা করবে ডিএসসিসি। এসব ক্ষুদ্র নারী উদ্যেক্তাদের নাগরিক সনদ বিনামুল্যে দেওয়া হবে। এছাড়া উদ্যেক্তাদের ট্রেড লাইসেন্স করতে সমস্যা হলে সার্বিকভাবে সহযোগীতা করা হবে। এসব নারী উদ্যেক্তাদের মাধ্যমে সমাজ পরিবর্তনের সাফল্য ঈর্ষনীয়। এ অনুষ্ঠান আয়োজন করার জন্য ডিএসকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন তিনি। এর আগে অনুষ্ঠানের শুরুতে ডিএসকে সম্পর্কে লিখিত বক্তব্য উপস্থান করেন প্রকল্প ব্যবস্থাপক তাহমিনা কবির। তিনি বলেন, টেকসই জীবিকায়নের মাধ্যমে বাংলাদেশের শহরের নারীদেও ক্ষমতায়ন প্রকল্পটি দুই বছরের জন্য নেওয়া হয়েছে। প্রকল্পটিকে সহযোগীতা করেছে জন লুইস ফাউন্ডেশন।

প্রকল্পটির লক্ষ্য হলো- শহরে বস্তীতে নারী ও মেয়েদের ধীরে ধীরে তাদের টেকসই জীবিকার জন্য সামাজিক মানদন্ড চ্যালেঞ্জ করার ক্ষমতা দেওয়া। এ প্রকল্পটির অবস্থান ঢাকা ও গাজীপুর। প্রকল্পটিতে ৩ হাজার লোক সরাসরি ও আড়াই হাজার লোক পরোক্ষ সুবিধা পাচ্ছে। ডিএসকে এর প্রকল্পটি ২০১৭ সালের এপ্রিলে শুরু হয়ে চলবে ২০১৯ সালের মার্চ পর্যন্ত। অনুষ্ঠান শেষে ১৫ প্রশিক্ষণার্থীকে সনদ পত্র তুলে কাউন্সিলরা। অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন অক্সফামের সিনিয়র প্রোগ্রাম অফিসার রিফাত তানজিলাসহ ডিএসকের অন্যান্য সদস্যরা।