আওয়ামী লীগের নৌকা এখন মতিয়া এবং খুনী ইনুর: কাদের সিদ্দিকী

টিবিটি টিবিটি

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ১০:৫০ পূর্বাহ্ণ, অক্টোবর ২৩, ২০১৮ | আপডেট: ১০:৫০:পূর্বাহ্ণ, অক্টোবর ২৩, ২০১৮
সংগৃহীত

রবিবার (২১ অক্টোবর) বিকালে নাটোরের বড়াইগ্রাম উপজেলার বনপাড়া বাইপাস মোড়ে কালিকাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত বিশাল জনসভায় তিনি এসব কথা বলেন।

কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী বলেছেন, ‘সুষ্ঠু নির্বাচন হলে আওয়ামী লীগ ১০টির বেশি সিট পাবে না। যে ব্যক্তি বঙ্গবন্ধুর চামড়া দিয়ে ডুগডুগি বাজানোর ঘোষণা দেয়, এই আওয়ামী লীগ তাকেই মন্ত্রী পরিষদ সদস্য করেছে।’

বর্তমান আওয়ামী লীগ বঙ্গবন্ধুর না, এ নৌকা বঙ্গবন্ধুর না উল্লেখ্য করে তিনি বলেন, ‘এ নৌকা মতিয়ার, এ নৌকা মুক্তিযোদ্ধাদের খুনী ইনুর। দেশে নির্বাচন হবে কিনা সে বিষয়ে সন্দেহ আছে।’

কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি বলেন, ‘বর্তমানে আমার ভোট আমি দেবো, তোমার ভোটও আমি দেবো নীতি চলছে। মানুষ নিজের ইচ্ছামত সিল মারতে পারছে না। জনগণের ভোট নিয়ে আওয়ামী লীগ এক হাজার বছর ক্ষমতায় থাকুক, কিন্তু ভোট ছাড়া একদিনও ক্ষমতায় থাকতে দেয়া হবে না।’

নির্বাচনে কোন জোটে যাবার চিন্তা আমার নাই জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আমার জীবনে কোনো প্রেম ছিলো না। বঙ্গবন্ধুই আমার প্রেম, দেশই আমার প্রেম। বর্তমানে দেশের সবাই আওয়ামী লীগ। কিন্তু বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর আমি ছাড়া কোন আওয়ামী লীগ তার পাশে ছিলো না।’

দেশ এখন দুর্নীতিতে ছেয়ে গেছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘দেশ এখন দুর্নীতিতে ছেয়ে গেছে। চার হাজার কোটি টাকা লুটপাট হওয়ার পর অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘এ টাকা এমন কিছুই না।’ অথচ মাত্র ১০ হাজার টাকার জন্য খেটে খাওয়া মানুষের কোমড়ে দড়ি বেঁধে জেলে নিয়ে যাওয়া হয়।’

নতুন ঐক্যফ্রন্ট নিয়ে কাদের সিদ্দিকী বলেন, ১০ বছর ধরে আমি দেশের জনগণকে ঐক্যবদ্ধ করার চেষ্টা করেছি। বর্তমানে একটি ঐক্যের প্লাটফর্ম তৈরি হলেও নিজেদের মধ্যেই কাদা ছোড়াছুড়ি শুরু হয়েছে। সবাই মিলে ঐক্যবদ্ধ থাক, না তা থাকবে না। তাই বাপ-বেটা-শ্বশুরকে বের করে দিয়েছে।

সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন, কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের নাটোর জেলা সভাপতি শহীদুল ইসলাম মুন্সী, কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক মুক্তিযোদ্ধা হাবিবুর রহমান বীরপ্রতীক, সাংগঠনিক সম্পাদক শফিকুল ইসলাম দেলোয়ার, টাঙ্গাইল জেলা সভাপতি এ্যাডভোকেট রফিকুল ইসলাম, যুব আন্দোলনের সভাপতি হাবিবুন নবী সোহেল, ছাত্র আন্দোলনের সাধারণ সম্পাদক কাওছার জামান খান, মুক্তিযোদ্ধা আবুল খায়ের ও গুরুদাসপুর উপজেলা সভাপতি সোহরাব হোসেনসহ অন্যান্য নেতাকর্মী।