আবারও হাথুরুসিংহের পক্ষে সুজন

টিবিটি টিবিটি

স্পোর্টস ডেস্ক

প্রকাশিত: ৪:৪১ অপরাহ্ণ, জুলাই ১০, ২০১৯ | আপডেট: ৪:৪১:অপরাহ্ণ, জুলাই ১০, ২০১৯

‘চন্ডিকা আমাদের জন্য ভালো হলে কেন নেওয়া হবে না?’ সদ্য বিদায়ী প্রধান কোচ স্টিভ রোডসের শূন্যস্থান চন্ডিকা হাথুরুসিংহেকে দিয়ে পূরণ করা হবে কি-না, জানতে চাওয়া হয়েছিল খালেদ মাহমুদ সুজনের কাছে।

জবাবে বিসিবি পরিচালক ও জাতীয় দলের এ ম্যানেজারের ঝটপট উত্তর ছিল এটাই। মাহমুদের উত্তর থেকেই বোঝা যায়, জাতীয় দলের প্রধান কোচ হিসেবে চন্ডিকাকে চায় বিসিবি।

লংকান এই কোচের সঙ্গে বিসিবির আলোচনা কতটা এগিয়েছে বা আদৌ কোনো ধরনের আলোচনা হয়েছে কি-না, জানা নেই। আর হয়ে থাকলেও নিয়োগ প্রক্রিয়া যে অনেকটাই এগিয়ে গেছে খালেদ মাহমুদের ব্যাখ্যাতেই তা পরিস্কার, ‘আমি বলছি না চন্ডিকাই আসবে।

চান্ডিকার সঙ্গে বোর্ড কথা বলেছে, সেটাও বলছি না। তবে চন্ডিকার রেকর্ড বলে, সে বাংলাদেশের জন্য ভালো। সে যে আসবে, সেটা নিশ্চিত না। শ্রীলংকার সঙ্গে তার চুক্তি নবায়ন হতেও পারে।’

২০১৭ সালে দক্ষিণ আফ্রিকায় বাংলাদেশ দলের সিরিজ চলাকালেই শ্রীলংকা ক্রিকেট বোর্ডের চাকরি পাকা করে বিসিবির চাকরিতে ইস্তফা দেন চন্ডিকা। শ্রীলংকা দলের প্রধান কোচ হিসেবে নিয়োগ পেয়ে প্রথম অ্যাসাইনমেন্টেই বাংলাদেশে সিরিজ খেলতে আসেন। ঢাকায় অনুষ্ঠিত তিন জাতি ওয়ানডে টুর্নামেন্টের ফাইনাল জিতে নতুন অভিযান দারুণ করেন এ লংকান।

যদিও অল্প কিছুদিনের ভেতরেই মুদ্রার উল্টো পিঠও দেখে ফেলেন তিনি। লংকান দলের একের পর এক ভরাডুবিতে চাকরি হারতে বসেছিলেন চন্ডিকা। তবে সে যাত্রায় বেঁচে গেলেও দল নির্বাচন প্রক্রিয়া থেকে সরিয়ে দেওয়া হয় তাকে।

ইংল্যান্ড বিশ্বকাপেও খুব একটা ভালো খেলেনি শ্রীলংকা। ৮ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের ষষ্ঠ স্থানে থেকে বিশ্বকাপ শেষ করে তার দল। গত দেড় বছরে শ্রীলংকার পারফরম্যান্স মূল্যায়ন করলে চন্ডিকাকে সফল কোচের স্বীকৃতি দেয় না রেকর্ডবুক।

এ ছাড়া চুক্তি লঙ্ঘন করে একটি দলকে বিপদে রেখে যে চলে যায় তার প্রতি কেন এত আগ্রহ? প্রশ্নটা খালেদ মাহমুদকে করতেই বলেন, ‘কিছু কারণ থাকে, কিছু ঘটনা থাকে যা মানুষকে বাধ্য করে। হয়তো বা এমন কিছু কারণ আছে চন্ডিকা তখন যেতে বাধ্য হয়েছিলেন।’ এই উত্তরের পর সমর্থকরা জানতে চাইতেই পারেন- তাহলে কি চন্ডিকাকেই নিয়োগ দিচ্ছে বিসিবি?