আবেগ সামলাতে পারলেন না, কেঁদে ফেলনে বাঁধন

টিবিটি টিবিটি

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ১২:৩৫ অপরাহ্ণ, জুলাই ৮, ২০২১ | আপডেট: ১২:৩৫:অপরাহ্ণ, জুলাই ৮, ২০২১

কাঁদলেন আজমেরি হক বাঁধন। কান চলচ্চিত্রে উৎসব আকস্মিক বিরল সম্মাননামা প্রাপ্তিতে আবেগে আপ্লুত হয়ে পড়েন তিনি।

গতকাল বুধবার বাংলাদেশ সময় বিকেল ৩টা ১৫ মিনিটে কান চলচ্চিত্র উৎসবের ৭৪তম আসরের আঁ সার্তে রিগা বিভাগের প্রথম প্রদর্শনীতে দেখানো হয় আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ সাদ নির্মিত ছবি ‘রেহানা মরিয়ম নূর’।

ছবিটি দেখতে আগে থেকেই বেশ লম্বা লাইন ছিল ডেবুসি হলের সামনে। এক হাজার ৬৮ জন দর্শক পিনপতন নীরবতায় সিনেমাটি উপভোগ করেন।

এই প্রদর্শনীতে সিনেমাটির পরিচালক আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ সাদ ছাড়াও অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধন, ছবিটির সিঙ্গাপুরের প্রযোজক জেরেমি চুয়া, চিত্রগ্রাহক তুহিন তমিজুল, প্রডাকশন ডিজাইনার আলী আফজাল উজ্জল, শব্দ প্রকৌশলী শৈব তালুকদার, কালারিস্ট চিন্ময় রয় এবং নির্বাহী প্রযোজক এহসানুল হক বাবু উপস্থিত ছিলেন।

দর্শক প্রতিক্রিয়ায় অভিভূত রেহানা মরিয়ম নূর চরিত্র রূপদানকারী অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধন এ সময় আপ্লুত হয়ে কেঁদে ফেলেন। গণমাধ্যমের কাছে প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করতে গিয়ে বাঁধন বলেন, ‘এখানে আসার মতো এত বড় স্বপ্ন দেখার সাহসও আমার ছিল না।

যে সম্মান পেলাম তার পুরো কৃতিত্ব টিমের ও পরিচালকের। আমি শুধু তাঁকে বিশ্বাস করেছি আর তাঁর কথামতো পরিশ্রমটা করেছি। আজ যে রেসপন্স পেয়েছি, আমি জানি না এরপর আমার আর কী পাওয়ার থাকতে পারে।’

দর্শক যখন দাঁড়িয়ে সম্মান জানাচ্ছিল, সে মুহূর্তের অনুভূতি সম্পর্কে বাঁধন বলেন, ‘এত সম্মান, আমি জানি না…আমি সত্যিই সম্মানিত, অনেক আনন্দিত।

এই সম্মানটা শুধু তো আমাদের নয়, আমাদের দেশের সম্মান। সবাই যখন দাঁড়িয়ে অভিনন্দন জানাচ্ছিল, তখন…আসলে তো আমরা আমাদের দেশটাকে সঙ্গে করে নিয়ে এসেছিলাম। এটা দেশের জন্য অনেক বড় প্রাপ্তি।’

এই উৎসবে আর কী প্রত্যাশা করছেন—এমন প্রশ্নের জবাবে বাঁধন বলেন, ‘এত দূর আসতে পেরেছি, সেটাই অনেক। এর পরও যদি কিছু নিয়ে দেশে ফিরতে পারি…এর চেয়ে তো বড় প্রাপ্তি আর থাকে না।’

এই প্রদর্শনীর মাধ্যমে চলচ্চিত্রটির ওয়ার্ল্ড প্রিমিয়ার অনুষ্ঠিত হলো। প্রদর্শনীর আগে পরিচালক আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ সাদ দর্শকদের উদ্দেশে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য দেন।

এমনিতেই সাদ খুব বলিয়ে-কইয়ে নন, তার ওপর এখানে ভাষা বলতে শুধুই ফ্রেঞ্চ। কোনোমতে ইংরেজিতে বললেন, কানে এসেছেন সেটা এখনো তাঁর বিশ্বাস হচ্ছে না। অবিশ্বাসীর মতোই তাকাচ্ছিলেন প্রায় পূর্ণ ডেবুসির দিকে।