আরো একটি আসন পাচ্ছে বিএনপি!

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন

প্রকাশিত: ৬:১২ অপরাহ্ণ, ডিসেম্বর ৩১, ২০১৮ | আপডেট: ৬:১২:অপরাহ্ণ, ডিসেম্বর ৩১, ২০১৮

অনেক জল্পনা-কল্পনার পর অনুষ্ঠিত হয়ে গেলো একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। নির্বাচনে নিরঙ্কুশ জয় পেয়েছে আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন মহাজোট। রোববার একযোগে ২৯৯ আসনে ভোটগ্রহণ করা হয়। এর মধ্যে অনিয়মের ঘটনায় তিনটি কেন্দ্রের ভোট স্থগিত রাখায় আটকে গেছে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল-আশুগঞ্জ) আসনের ফলাফল।

এই তিন কেন্দ্রের মোট ভোটার ১০ হাজার ৫৭৪ জন। তবে এখানে ১২৯ কেন্দ্রে ধানের শীষ প্রতীকে প্রার্থী নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী থেকে ১০ হাজার ১৫৯ ভোট বেশি পেয়ে এগিয়ে আছেন।

বিএনপির প্রার্থী উকিল আবদুস সাত্তার ভূইয়া পেয়েছেন ৮২ হাজার ৭২৩ ভোট। এখানে স্বতন্ত্র হিসেবে ‘কলার ছড়ি’ প্রতীকে মো. মঈন উদ্দিন পেয়েছেন ৭২ হাজার ৫৬৪ ভোট। ফলে এই আসনটি পেতে হলে মঈন উদ্দিনকে প্রায় সবগুলো, অর্থাৎ ১০ হাজার ৫৭৪ ভোটের মধ্যে কমপক্ষে ১০ হাজার ১৬০ ভোট পেতে হবে। এটা সম্ভব হবে যদি আবদুস সাত্তার ভূইয়া আর কোনো ভোট না পান এবং শতভাগ ভোট কাস্ট হয়।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে এবার বিভিন্ন দল ও স্বতন্ত্র মিলে ১১ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। রোববার নির্বাচনে তিনটি কেন্দ্রের ভোট স্থগিত করা হয়। এগুলো হলো, যাত্রাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, সোহাগপুর দক্ষিণ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও বাহাদুরপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়।

তবে আশার দিকও আছে। স্থগিত তিনটি কেন্দ্রই আশুগঞ্জ উপজেলায়। স্বতন্ত্র মঈন উদ্দিনের বাড়ি ওই উপজেলার তালশহর গ্রামে।

ধানের শীষের প্রার্থী উকিল আবদুস সাত্তার ভূইয়া ও স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. মঈন উদ্দিন।

এই একটি ছাড়া জেলার বাকি ৫টি আসনে বিপুল ভোটের ব্যবধানে জয়লাভ করেছেন আওয়ামী লীগ মনোনীত মহাজোটের প্রার্থীরা।

রোববার সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত ৩০০টি সংসদীয় আসনের মধ্যে ২৯৯টি আসনে ভোট হয়। এবারের নির্বাচনে নিবন্ধিত সব রাজনৈতিক দল অংশ নেয়। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হয় গত ৮ নভেম্বর। এরপর একবার পুনঃ তফসিল করা হয়। এর ফলে ভোটের তারিখ ২৩ ডিসেম্বর থেকে ৩০ ডিসেম্বর করা হয়।