আ’লীগের কারণে জাপার কাউন্সিল পেছাচ্ছে : রাঙ্গা

টিবিটি টিবিটি

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ৮:৩৯ অপরাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ১৫, ২০১৯ | আপডেট: ৮:৩৯:অপরাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ১৫, ২০১৯
জাতীয় পার্টির মহাসচিব মশিউর রহমান রাঙ্গা। ফাইল ছবি

আগামী ২০ ও ২১ ডিসেম্বর আওয়ামী লীগের জাতীয় সম্মেলন করার ঘোষণা দেয়ায় একই দিনে অর্থাৎ পূর্বনির্ধারিত ২১ ডিসেম্বর ঢাকার ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন এলাকায় জাতীয় পার্টির কাউন্সিল পিছিয়ে দেয়ার আভাস দিয়েছেন জাতীয় পার্টির মহাসচিব মসিউর রহমান রাঙ্গাঁ এমপি। তিনি বলেন, আমরা একই দিনে একসাথে কাউন্সিল করব না। তবে ওই মাসেই আমরা করব। হয়তো আগে অথবা পরে।

রোববার বনানী জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যানের কার্যালয়ে দলটির বিভাগীয় সাংগঠনিক টিমের সাথে সভা শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান। সংবাদ সম্মেলনে জাতীয় পার্টির সাবেক মহাসচিব জিয়াউদ্দিন আহমেদ বাবলু, প্রেসিডিয়াম সদস্য এস এম ফয়সাল চিশতী, আলমগীর সিকদার লোটন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

প্রসঙ্গত. ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের শনিবারের বৈঠকে আগামী ২০ ও ২১ ডিসেম্বর তাদের জাতীয় সম্মেলনের সিদ্ধান্ত হয়েছে।

মসিউর রহমান রাঙ্গা বলেন, আলোচনা করে আমাদের জেলা কমিটি, বিভাগীয় কমিটিগুলো হলেই আমরা কাউন্সিলের চিন্তা করব। এই কমিটিগুলোতে (জেলা-উপজেলা কমিটি) যারা নেতৃত্ব দেবেন, তাদের মধ্যে থেকে আগামী নির্বাচনের জন্য আমরা প্রার্থী বাছাই করব। তবে তার আগে আমরা তার সাংগঠনিক দক্ষতা যাচাই করব।

সংসদে প্রধান বিরোধী দল হয়েও রংপুর-৩ আসনে আওয়ামী লীগের কাছে ছাড় চাইছেন কেন- সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে জাপা মহাসচিব বলেন, আমরা তাদের সঙ্গে একটা অ্যালায়েন্স হয়েই একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এসেছিলাম। একাদশ সংসদের যে ধারাবাহিকতা, যে ২২ আসন আমরা তাদের কাছ থেকে নিয়েছিলাম, তার মধ্যে হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের রংপুর-৩ আসনটিও ছিল।

এই ২২টির মধ্যে অন্য কোনো স্থানেও যদি কেউ নিহত হন, অসুস্থ হন, সংসদ সদস্য থাকতে না পারেন, সেখানেও কিন্তু তারা কখনো তাদের ক্যান্ডিডেট দেবে না। এবং আমরাও যেসব আসনে তাদের সমর্থন জানিয়েছি সেখানে ক্যান্ডিডেট দেব না। আমরা তাদের সঙ্গে প্রতিদ্বন্ধিতা করব না। আগামীতে তাদের সঙ্গে আমাদের এই অ্যালায়েন্স থাকবে কী থাকবে না, সেটা আমরা পরে তাদের সঙ্গে আলোচনা করে ঠিক করব।

সাদকে লাঙলের প্রার্থী হিসেবে মেনে নিতে রংপুরে জাতীয় পার্টির স্থানীয় নেতারা প্রকাশ্য অবস্থান নিয়েছেন। স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছেন এরশাদের ভাতিজা মকবুল হোসেন শাহরিয়ার আসিফ। সাদবিরোধী নেতারা আসিফকে সমর্থন দিচ্ছেন বলেও খবর এসেছে। তবে রংপুর জেলা জাতীয় পার্টির সভাপতি রাঙ্গাঁ দাবি করেন, তার দলে কোনো বিভেদ নেই। রংপুরে জাতীয় পার্টিতে কোনো বিভেদ নেই। রংপুর-৩ আসনে সাধারণ ভোটাররা উৎসবমুখর পরিবেশে লাঙ্গল প্রতীকে ভোট দেবেন। আমরা ধারণা করছি, আমরা ১ লক্ষ ভোটের ব্যবধানে জিতে আসব।