আল্লামা শাহ আহমদ শফীর সভাপতিত্বে : প্রধান অতিথি থাকছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

টিবিটি টিবিটি

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ১১:০৪ পূর্বাহ্ণ, অক্টোবর ২৮, ২০১৮ | আপডেট: ১১:০৪:পূর্বাহ্ণ, অক্টোবর ২৮, ২০১৮
সংগৃহীত

বিজ্ঞতিতে বলা হয়েছে, ৪ নভেম্বর রাতে নির্বাচন কমিশন আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করতে পারেন। তফসিলের পর সোহরাওয়ার্দীতে এ ধরনের অনুষ্ঠান নানা সমস্যার মুখে পড়তে পারে বলে তারিখ একদিন এগিয়ে আনা হয়েছে। শুকরানা মাহফিলে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে প্রধান অতিথি হিসাবে দাওয়াত দেয়া হয়েছে। এতে সভাপতিত্ব করবেন আল্লামা শাহ আহমদ শফী।

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ঢাকার সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সর্বসাধারণের উপস্থিতিতে সংবর্ধনার পরিবর্তে শুকরিয়া মাহফিল একদিন এগিয়ে ৫ নভেম্বর থেকে ৪ নভেম্বর করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে আল-হাইআতুল উলয়া লিল-জামিয়াতিল কওমিয়া বাংলাদে আজ সকালে বেফাকুল মাদারিসিলি আরাবিয়া বাংলাদেশ-বেফাক অফিসে অনুষ্ঠিত বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। হাইআতুল উলয়ার দফতর সম্পাদক মাওলানা মু. অছিউর রহমান স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।

এর আগে গত ২১ অক্টোবর রবিবার ঢাকার যাত্রাবাড়ীর ভাঙ্গাপ্রেসস্থ বেফাকুল মাদারিসিল আরাবিয়া বাংলাদেশ-বেফাক কার্যালয়ে হাইয়াতুল উলইয়ার নির্বাহী কমিটির বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে কোন উন্মুক্ত স্থান বা সর্বসাধারণের উপস্থিতিতে সংবর্ধনা দেয়া হবে না বলে সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

বিজ্ঞতিতে বলা হয়েছে, আগামী ৩০ অক্টোবর ঢাকা ও ঢাকার আশপাশের মাদরাসাসমূহের মুহতামিমদের নিয়ে একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে।ঢাকার মতিঝিলের পীরজঙ্গি মাজার মাদরাসায়। বৈঠকে উপস্থিত মুহতামিমদের মতামত নিয়ে শুকরানা মাহফিলের কর্মপন্থা নির্ধারণ করা হবে। শুকরানা মাহফিলে দেশের সব কওমী মাদারাসার মুহতামিম, শিক্ষকবৃন্দ ও বড় শিক্ষার্থীদের দাওয়াত করা হবে।

তবে ২২ অক্টোবর সন্ধ্যায় গণভবনে আল্লামা শাহ আহমদ শফীর নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাত করে সর্বসাধারণের উপস্থিতিতে সংবর্ধনার পরিবর্তে শুকরিয়া মাহফিল করবে বলে সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হয়েছে।

এছাড়াও আজকের বৈঠকে পূর্ব গঠিত মাহফিল কমিটির ১৫ সদস্যকে বাড়িয়ে ১৭ জন করা হয়েছে। আগের ১৫ জনের সঙ্গে নতুন যুক্ত করা হয়েছে খিলগাঁও মাখযানুল উলুমের মুহতামিম মাওলানা নূরুল ইসলাম ও পীরজঙ্গী মাদরাসার মুহতামিম মাওলানা সফিউল্লাহকে।

এ বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন হাইআতুল উলয়ার কো-চেয়ারম্যান মাওলানা আশরাফ আলী, মুফতি মুহাম্মদ ওয়াক্কাস, মাওলানা আব্দুল কুদ্দুস, মাওলানা নূরুল ইসলাম, মুফতি রুহুল আমিন, মাওলানা আবু তাহের নদভী, মাওলানা মুহিব্বুল হক, মাওলানা মুহসিনুদ্দিন, মাওলানা আরশাদ রাহমানী, মাওলানা ইউনুস, মাওলানা ইয়াহইয়া মাহমুদ, মুফতি মুহাম্মাদ আলী, মাওলানা আবদুল হামিদ, মাওলানা সাজিদুর রহমান, মাওলানা বাহাউদ্দিন যাকারিয়া, মাওলানা মাহফুজুল হক, মাওলানা যোবায়ের আহমদ চৌধুরী, মাওলানা মুফতি জসীমুদ্দিন, মুফতি নূরুল আমিন, মাওলানা ওবায়দুর রহমান মাহবুব, মাওলানা মুশকাত আহমদ, মাওলানা আনোয়ার হোসাইন, মাওলানা আবদুল খালেক, মাওলানা নূরুল হুদা ফয়েজী প্রমুখ।