ঈদের পরে কঠোর বিধিনিষেধের আগে আবারও ঢাকা ছাড়ার হিড়িক

টিবিটি টিবিটি

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ৮:৩৬ অপরাহ্ণ, জুলাই ২২, ২০২১ | আপডেট: ৮:৩৬:অপরাহ্ণ, জুলাই ২২, ২০২১

ঈদে ছুটি না পাওয়া, যানবাহন না পাওয়াসহ নানা কারণে যারা ঈদের আগে ঢাকা ছাড়তে পারেননি, তারা আজ যানবাহন চালু থাকার শেষ দিনে গ্রামে যাচ্ছেন। আজ যারা ঢাকা ছাড়ছেন, তাদের মধ্যে বিধিনিষেধে কাজ ও উপার্জন বন্ধ থাকবে, এমন শ্রেণির লোক উল্লেখযোগ্য।

ঈদুল আজহার সময় মানুষের চলাচল ও পশুর হাটে কেনাবেচার বিষয় বিবেচনায় নিয়ে ১৪ জুলাই মধ্যরাত থেকে ২৩ জুলাই সকাল ৬টা পর্যন্ত লকডাউন শিথিল করেছিল সরকার। এ সময়সীমা শেষ হওয়ার পরই শুরু হতে যাচ্ছে কঠোর লকডাউন। এ লকডাউন বহাল থাকবে ৫ আগস্ট মধ্যরাত পর্যন্ত।

তাই বিধিনিষেধ শুরুর আগে আজ বৃহস্পতিবার ঢাকা ছাড়ছেন অনেকে।

বৃহস্পতিবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত রাজধানীর গাবতলী বাস টার্মিনালে এই চিত্র দেখা যায়। তবে নিম্ন আয়ের মানুষজনই ঢাকা ছাড়ছেন বেশি।

কারণ এই লকডাউনে কোনো কিছুই খোলা থাকবে না। তাই যারা এই এক সপ্তাহ কিছু উপার্জনের আশায় ঢাকা ছিলেন তারা আজ বাড়ি ফিরছেন। আর এখন ঢাকাফেরত বেশিরভাগ গাড়িই ফাঁকা যাচ্ছে। যে কারণে ভাড়া তুলনামূলক ঈদের আগের চেয়ে কম।

গাবতলী বাস টার্মিনালে থাকা সব কটি পরিবহন কোম্পানির কাউন্টার আজ খোলা রয়েছে। কাউন্টারগুলোতে যাত্রীদের চাপ রয়েছে।

বাড়ি ফেরার উদ্দেশে বরে হওয়া একাধিক যাত্রী জানান, কঠোরতম বিধিনিষেধে সবকিছু বন্ধ থাকবে। ফলে ঢাকায় তাদের করার কিছু থাকবে না। এ কারণে তারা পরিবার নিয়ে গ্রামে যাচ্ছেন। বিধিনিষেধ উঠে গেলে আবার ঢাকায় ফিরবেন। গ্রামে গিয়ে তারা কিছু কাজকর্ম করে টিকে থাকার চেষ্টা করবেন।

ঢাকা-ফরিদপুর-বরিশাল-বাকেরগঞ্জ-পটুয়াখালী-আমতলী-খেপুপাড়া-কুয়াকাটা রুটে চলে গোল্ডেন লাইন। এই পরিবহনের কাউন্টার মাস্টার শাহ আলম বলেন, বাইরে থেকে যত মানুষ আসছে, তার চেয়ে দ্বিগুণ মানুষ আজ ঢাকা ছাড়ছে। ১৪ দিনের বিধিনিষেধের কারণে মানুষ এখন গ্রামে যাচ্ছে।

এদিকে কঠোর লকডাউন বিষয়ে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন বলেন, সরকার ঈদের আগে বিধি-নিষেধ শিথিল করায় সব শ্রেণির মানুষ সুন্দরভাবে ঈদ উদযাপন করতে পেরেছেন। পশুর হাটগুলোতে ভালোভাবে কোরবানির পশু কিনতে পেরেছেন। এরপর দিন ২৩ জুলাই থেকে বিধি-নিষেধ শুরু হবে। শেষ হবে ৫ আগস্ট। এটা পূর্ব নির্ধারিত প্রজ্ঞাপন। এই ইস্যুতে গুজবে কান দেবেন না।

বিধি-নিষেধের সময় সব অফিস বন্ধ থাকবে। সরকারি ও বেসরকারি অফিস, শিল্প কারখানাসহ সারা দেশে সব ধরনের গণপরিবহণ চলাচল বন্ধ থাকবে।