‘এমন অরাজকতা বাংলাদেশেই সম্ভব’

টিবিটি টিবিটি

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ১:৪৬ অপরাহ্ণ, অক্টোবর ২৯, ২০১৮ | আপডেট: ১:০৪:পূর্বাহ্ণ, অক্টোবর ৩০, ২০১৮
সংগৃহীত

তানভির নামে এক ব্যক্তি তার ফেসবুক ওয়ালে লিখেছেন, ‘পরিবহন শ্রমিকরা তাদের ৮ দফা দাবি আদায়ের লক্ষ্যে ৪৮ ঘণ্টার কর্মবিরতি পালন করছেন রোববার সকাল থেকে। ধর্মঘট চলাকালে যাত্রাবাড়ী এলাকায় একজন প্রাইভেটকার চালকের মুখে আন্দোলনকারীরা পোড়া মবিল মেখে দেন।

শুধু যাত্রাবাড়ী নয়, পোড়া মবিল মেখে দেওয়া হয়েছে নারায়ণগঞ্জ মহিলা কলেজের বাসের চালকের মুখে, আক্রান্ত হয়েছে কলেজের ছাত্রীরা। মৌলভীবাজারে অ্যাম্বুলেন্সে করে হাসপাতালে নেওয়ার পথে শিশুর মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে।





কর্মবিরতির সময় ওই অ্যাম্বুলেন্সকে বাধা দেন শ্রমিকেরা। পোড়া মবিলে আক্রান্ত মুখগুলোতে আমি আমার নিজের প্রতিচ্ছবি দেখতে পেয়েছি। রাষ্ট্রের একজন নাগরিক হিসেবে আমি এই ধরনের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের সাথে সম্পৃক্তদের শাস্তি দাবি করছি। হোক প্রতিবাদ।’

বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশনের ডাকা টানা ৪৮ ঘণ্টার কর্মবিরতির প্রথম দিন (২৮ অক্টোবর) শ্রমিকরা ঢাকার বিভিন্ন জায়গায় গাড়িতে, অ্যাম্বুলেন্সে এবং মোটরসাইকেল আরোহী ও প্রাইভেটকার চালকের মুখে পোড়া মবিল লেপে দেয়। এই পোড়া মবিল মুখে দেওয়ায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রতিবাদের ঝড় উঠেছে। বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার মানুষ ফেসবুকে প্রতিবাদ জানিয়েছেন।





তার এই পোস্টের উপর অনেকে মন্তব্য করেছেন। একজন লিখেছেন-‘এমন অরাজকতা আমার বাংলাদেশেই সম্ভব।’ অপর এক ব্যক্তি মন্তব্য করেছেন ‘শাস্তি চাই’।

আর একজন মন্তব্য করেছেন, ‘আর কয়দিন পরে মুখে আর কি মাখাবে ওইসব সন্ত্রাসীরা? অনেকেই বলে দলের চেয়ে দেশ বড় আর দেশের চেয়ে দেশের জনগণ বড়! সবই কি নষ্টদের অধিকারে চলে যাচ্ছে?





আজ সাধারণ মানুষের মুখে যারা মবিল দিল তাদের নেতাদের, মদদকারিকে সবাই জানে, জেনেও চুপ। সরকারের এই নতজানু ভূমিকায় আমি লজ্জিত, জাতির মুখে মবিলের কালি, কার কাছে প্রকাশ করবো এই ধিক্কার, আমাদের কথা শোনার মতো কেউ আছে কি?’

আর একজন তানভীর আহমেদের সঙ্গে সুর মিলিয়ে বলেছেন ‘সহমত। হোক প্রতিবাদ’।

পরিবহন শ্রমিকদের কর্মবিরতির নামে ‘পোড়া মবিল সন্ত্রাস’থেকে রক্ষা পায়নি নারায়ণগঞ্জ সরকারি মহিলা কলেজের ছাত্রীরাও। কলেজ বাসে হামলা চালিয়ে পরিবহন শ্রমিকরা ছাত্রীদের গায়ে পোড়া মবিল লেপন করেছে। ভাংচুর করেছে বাসের গ্লাস।