ঐক্যফ্রন্ট হতে না হতে দুই উইকেট পড়ে গেছে: কাদের

টিবিটি টিবিটি

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ৩:২০ অপরাহ্ণ, অক্টোবর ২০, ২০১৮ | আপডেট: ৩:২০:অপরাহ্ণ, অক্টোবর ২০, ২০১৮
ফাইল ছবি

শনিবার দুপুরে রাজধানীর ধানমণ্ডিস্থ আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে দলের সম্পাদক মণ্ডলীর এক সভা শেষে এমন মন্তব্য করেন ত‌িনি। জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের ইতোমধ্যে দুই উইকেট পড়ে গেছে বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

সিলেটে ঐক্যফ্রন্টের সমাবেশের বিষয়ে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, সিলেটে মাজার জিয়ারত এদেশের রাজনীতিতে একটা ট্রেন্ড। এই মাজার জিয়ারতকে কেন্দ্র করে যদি কোনো নাশকতা বা সহিংসতা সৃষ্টি হয়, সেই পরিস্থিতি মোকাবেলায় যা যা করণীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সেটা করবেন।

জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের আন্দোলনের হুমকির প্রতিক্রিয়ায় তিনি বলেন, ঐক্যফ্রন্টের ব্যাপারে বিচলিত হওয়া বা ভয় পাওয়ার বিষয় নেই। যারা ১০ বছরে ১০ মিনিটের জন্য আন্দোলন করতে পারে নি, তারা এসেছে ঐক্যফ্রন্ট করতে। অলরেডি তাদের দুই উইকেট পড়ে গেছে, নির্বাচনের আগে আসন ভাগাভাগির সময়েএলে দেখা যাবে কত ধানে কত চাল।

নীতিগত ভাবে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের আওয়ামী লীগের সংলাপ হতে পারে না বলেও মন্তব্য করেন ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের সাথে জোট হয়েছে, এটা সাম্প্রদায়িক ও অশুভ শক্তির জোট। নীতিগতভাবে তাদের সাথে সাথে সংলাপ হতে পারে না। তাদের লক্ষ্য শেখ হাসিনাকে হটানো।

জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের সমালোচনা করে তিনি বলেন, ঐক্যফ্রন্টের জনগণের প্রতি কোন আস্থা নেই। তারা জনগণের কাছে যাওয়ার আগেই বিদেশীদের কাছে তাদের দাবি দাওয়া নিয়ে গেছেন। তাদের ভবিষ্যত অন্ধকার।

২০ দলের ভাঙ্গন প্রসঙ্গে কাদের বলেন, আমরা কোন দলকে ভাঙতে চাই না। আওয়ামী লীগ ভাঙনে বিশ্বাসী নয়। যদি কোন দল ভাঙ্গে তাহলে তাদের নিজেদের কারণেই ভাঙবে। এখানে আওয়ামী লীগের হাত থাকার প্রশ্নই নেই।

সভায় উপস্থিত ছিলেন, আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. দীপু মানি, জাহাঙ্গীর কবির নানক, সাংগঠনিক সম্পাদক আ.ফ.ম বাহাউদ্দিন নাছিম, দফতর সম্পাদক আব্দুস সোবহান গোলাপ, ত্রাণ ও সমাজকল্যান সম্পাদক সুজিত রায় নন্দী, তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক আফজাল হোসেন, বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন প্রমুখ।

এ সময় বেসরকারি টেলিভিশনের একটি টকশোতে সাংবাদিক মাসুদা ভাট্টির প্রতি অস্মানের প্রতিবাদ জানিয়েছে আওয়ামী লীগ। এ বিষয়ে দলের সাধারণ সস্পাদক বলেন, বিশিষ্ট সাংবাদিক মাসুদা ভাট্টির প্রতি ব্যারিস্টার মইনুল হোসেনর মন্তব্যের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। এই ধরণের মন্তব্য নজিরবিহীন ও শিষ্টাচার বহির্ভুত। এ সময় নারী সাংবাদিকদের দাবির প্রতি একাত্মতারও ঘোষণা দেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক।