‘ঐক্যবদ্ধ জনতার জয় হবেই’

টিবিটি টিবিটি

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ৭:১৯ অপরাহ্ণ, অক্টোবর ৩১, ২০১৮ | আপডেট: ৭:১৯:অপরাহ্ণ, অক্টোবর ৩১, ২০১৮
ড. কামাল হোসেন। ফাইল ছবি

জনতা ঐক্যবদ্ধ হয়ে মুক্তিযুদ্ধে বিজয় অর্জন করেছে, স্বৈরাচার আন্দোলনে সফল হয়েছে। জনতার এই ঐক্য আগামিতেও বিজয় আনবে। জাতীয় প্রেসক্লাবে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ)’র ৪৬ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ড. কামাল হোসেন এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জসদ) এর নেতা আ.স.ম আব্দুর রব।

ড. কামাল বলেন, জাতীয় স্বার্থে সংলাপ হোক, সংলাপের মধ্য দিয়ে ঐক্যবদ্ধ হয়ে দেশকে এগিয়ে নেন। ঐক্যফ্রন্ট এবার সুষ্ঠু নির্বাচনের ফসল ঘরে তুলবেই, ইনশা আল্লাহ।

কামাল হোসেন বলেন, ‘আমরা সবসময় মনে করি জনগণ ক্ষমতার মালিক, মালিকরা নিজেদের মধ্যে আলাপ করবে দেশের স্বার্থে, দলীয় স্বার্থে নয়। জাতীয় স্বার্থ, লক্ষ্য এবং সংবিধানের মূল্যবোধ নিয়েই সংলাপ হোক এটাই আমরা সবসময় চাই।’ সংলাপের মাধ্যমে ঐক্যমতের ভিত্তিতে দেশকে এগিয়ে নিতে হবে উল্লেখ করে আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন আইনজীবী কামাল হোসেন বলেন, ‘ঐক্যবদ্ধ জনতার জয় হবেই’।

এই আলোচনা সভায় জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের মুখপাত্র আ স ম আব্দুর রব বলেন, জাতীয় সংলাপ সফল করতে হলে খোলামেলা আলোচনা করতে হবে। কোনরকম পূর্বশর্ত দিয়ে সংলাপ হবে না।

এ সময় জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের অন্যতম নেতা ও নাগরিক ঐক্যর আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না বলেন, সংলাপের আগে বেড়াজাল দিলে সংলাপ সফল হবে না। ৭ দফা দাবি নিয়েই আলোচনা হবে। আগেই সংবিধানের দোহাই দিলে সংলাপ সফল হবে না, জনগণের স্বার্থে সংবিধান পরিবর্তন করা যাবে।

আলোচনা সভায় ব্যারিস্টার মওদুদ বলেন: যতদিন ৭ দফা দাবি আদায় হবে না, ততদিন এই আন্দোলন চলবে আর এই আন্দোলনে নেতৃত্ব দেবেন ড. কামাল।

‘সংলাপ আহবান করার পরও বিএনপিকে ধ্বংস করার কাজ করে যাচ্ছে। বেগম জিয়ার দুটি রায় হয়েছে, আমরা প্রত্যাখ্যান করছি। এই সংলাপ কতটুকু আন্তরিক এ নিয়ে সংশয় রয়েছে। আশা করি প্রধানমন্ত্রী সংলাপ সফল করে একটি সুষ্ঠু সমাধানের পথ বের করবেন।’

জেএসডির আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, খন্দকার মোশাররফ হোসেনসহ জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের নেতৃবৃন্দ।