কারওরান বাজারে থাকছে না কাঁচাবাজার:স্থানীয় সরকার মন্ত্রী

টিবিটি টিবিটি

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ৫:৩২ অপরাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ৯, ২০১৮ | আপডেট: ৫:৩২:অপরাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ৯, ২০১৮

রাজধানীতে যানজট নিরসনে কারওরান বাজারের কাঁচাবাজারসহ তিনটি চিকেন মার্কেট আগামী বছর স্থানান্তর করা হবে। এ লক্ষ্যে সাড়ে ৩০০ কোটি টাকা ব্যয়ে মহাখালী, যাত্রাবাড়ী ও আমিনবাজার-এ তিনটি পাইকারী বাজার নির্মাণ প্রকল্প চলমান রয়েছে, যা আগামী বছরের জুনে শেষ হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

আজ রোববার জাতীয় সংসদ অধিবেশনে প্রশ্নোত্তর পর্বে এ তথ্য জানান স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী খন্দকার মোশাররফ হোসেন।

সরকারি দলের সংসদ সদস্য এ কে এম রহমতুল্লাহর প্রশ্নের জবাবে সমবায় মন্ত্রী জানান, উক্ত প্রকল্পের কাজ শেষ হলে কারওরান বাজারের কাঁচাবাজারসহ তিনটি চিকেন মার্কেট স্থানান্তরের মাধ্যমে ঢাকা শহরের যানজট নিরসন হবে এবং ন্যায্যমূল্যে কৃষিজাত পণ্য বাজারজাতকরণ সম্ভব হবে।

খন্দকার মোশাররফ হোসেন জানান, ২৪ কোটি ৮৩ কোটি টাকা ব্যয়ে ঢাকা তেজগাঁও সাতরাস্তা মোড় থেকে উত্তরার হাউজ ব্লিডিং পর্যন্ত ১১টি ইউটার্ন নির্মাণ কাজ চলমান আছে, যা আগামী বছরের জুন মাসে সমাপ্ত হবে। এ ছাড়া ১৭৩ কোটি ৭৩ লাখ টাকা ব্যয়ে গাবতলী সিটি পল্লীতে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের ক্লিনারবাসীদের জন্য ‘বহুতল আবাসিক ভবন নির্মাণ’ শীর্ষক একটি প্রকল্প চলমান রয়েছে, এটিও আগামী বছরের জুন মাসে শেষ হবে।

মন্ত্রী জানান, স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানকে শক্তিশালী ও উন্নত নাগরিক সেনা প্রদানে সক্ষম প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তুলতে নানা পদক্ষেপ বাস্তবায়ন করা হচ্ছে, যার মাধ্যমে তৃণমুল পর্যায়ে জনগণের অংশগ্রহণ বৃদ্ধি পেয়েছে। জনগণের প্রত্যাশা অনুযায়ী, স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানসমূহ কাজ করার সুযোগ পাচ্ছে। বর্তমান সরকার সব সময় জনগণের ইচ্ছাকে প্রাধান্য দেয়। সুতরাং জনগণের প্রত্যাশা অনুযায়ী স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানসমূহকে শক্তিশালীকরণের উদ্যোগ সরকার অব্যাহত রাখবে।

সংসদ সদস্য দিদারুল আলমের প্রশ্নের জবাবে পল্লী উন্নয়ন মন্ত্রী জানান, গ্রামীণ হৃতদরিদ্র, অসহায়, বিধবা, স্বামী পরিত্যক্তা মহিলাদের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের লক্ষ্যে দারিদ্র্য বিমোচন কৌশল এবং সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রাধিকারভূক্ত প্রকল্প হিসেবে ৮৫৩ কোটি ৪০ লাখ টাকা ব্যয়ে একটি প্রকল্প বাস্তবায়নাধীন রয়েছে। ২০১৫ সালের এপ্রিল থেকে শুরু হয়ে এ প্রকল্পের মেয়াদকাল ২০১৯ পর্যন্ত।