কী হবে সংলাপে?

টিবিটি টিবিটি

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ১:২৯ অপরাহ্ণ, অক্টোবর ৩০, ২০১৮ | আপডেট: ২:২২:অপরাহ্ণ, অক্টোবর ৩০, ২০১৮
সংগৃহীত

মঙ্গলবার সকালে প্রধানমন্ত্রীর চিঠি পৌঁছে দিতে রাজধানীর বেইলি রোডে ড. কামাল হোসেনের বাসায় যান আওয়ামী লীগের দফতর সম্পাদক ড. আবদুস সোবহান গোলাপ। সংলাপের আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রীকে লেখা ঐক্যফ্রন্ট নেতা ড. কামাল হোসেনের চিঠির জবাবে এ চিঠি দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসিনা।

জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের সঙ্গে সংলাপে বসার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ। তাদের সম্মতির উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছে ঐক্যফ্রন্ট। আগামী বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৭টায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকারি বাসভবন গণভবনে এই সংলাপ অনুষ্ঠিত হবে।





চলমান সার্বিক পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে একটি কার্যকর ও অর্থবহ সংলাপের বিকল্প নাই বলে মনে করেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন। তিনি বলেন, দেশে একটি অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ, সব দলের অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন করতে বিশেষ প্রয়োজন সংলাপ আলোচনার।

দীর্ঘদিন ধরে সংলাপের আহ্বানে সাড়া না দিয়ে অনড় থাকা আওয়ামী লীগ হঠাৎ করে সংলাপে সম্মতির বিষয়টি আগামীর রাজনীতির জন্য ‘মাইলফলক’ বার্তা বয়ে আনতে পারে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।





তবে শেষ পর্যন্ত কার্যকর সংলাপ হবে নাকি নবম ও দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে অনুষ্ঠিত সংলাপের পরিণতির দিকে যাবে-এমন শঙ্কাও প্রকাশ করেছেন তারা।

তবে যাইহোক, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরকে সাত দফা দাবি ও ১১ দফা লক্ষ্য নিয়ে চিঠি দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট সূত্র।

এছাড়াও দুই এক দিনের মধ্যে রাষ্ট্রপতি ও নির্বাচন কমিশন বরাবর জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের পক্ষ থেকে ঘোষিত ৭ দফা দাবি ও ১১ লক্ষ্যসমূহ চিঠি আকারে পৌঁছে দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে তাদের। জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের সঙ্গে সংলাপে বসতে আওয়ামী লীগের সম্মতি জ্ঞাপন সিদ্ধান্তের বার্তাকে ইতিবাচক উদ্যোগ হিসেবে দেখছে বিএনপি।





তিনি আরও বলেন, অতীতের সংলাপ ইস্যুতে যেমন সফলতা আছে তেমনি ছলনার আশ্রয়ও দেখা গেছে। এদিকে আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য কাজী জাফর উল্লাহ বলেন, রাজনীতিতে শেষ বলে কোনও কথা নেই। আর সংলাপ আলোচনা তারই অংশ।

বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক বলেন, আমরা অনেক দিন ধরে সরকারকে বলে আসছি সংলাপের মাধ্যমে একটি কার্যকর রাজনৈতিক উদ্যোগ নেওয়ার জন্য।
বর্তমান শ্বাসরুদ্ধকর পরিস্থিতির জায়গা থেকে বলা যায়, আলাপ-আলোচনার জন্য একটি স্পেস তৈরি হলো। আমি মনে করি এই উদ্যোগ প্রক্রিয়া আরও বিস্তৃত হবে।