কুমারখালীতে মোড়েমোড়ে বাঁশের বেড়িবাঁধ, পাঁয়ে হেটে গন্তব্যে জনগণ

টিবিটি টিবিটি

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ৬:৩৪ অপরাহ্ণ, জুলাই ২৭, ২০২১ | আপডেট: ৬:৩৪:অপরাহ্ণ, জুলাই ২৭, ২০২১

মিজানুর রহমান নয়ন, কুমারখালী (কুষ্টিয়া) প্রতিনিধিঃ জনসমাগম ও যানবাহনের গতিরোধে লকডাউনের পঞ্চমদিনে কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে সড়ক অবরোধ করে মোড়েমোড়ে বাঁধা হয়েছে বাঁশ। তবুও বাঁশের বেড়িবাঁধ উপেক্ষা করেই মানুষ ও যানবহন চলাচল সচল রয়েছে।

পঞ্চমদিনেও চায়ের দোকান, বস্ত্রালয়, হার্ডওয়ার, কসমেটিক্সসহ সকল অনুমোদিত দোকানপাট খোলা রাখা হয়েছে। চলছে বেচাকেনা। পথেঘাটে ছিল জনসমাগম। ভেঙে পড়ছে স্বাস্থ্যবিধি। মানা হচ্ছেনা সরকারি নির্দেশনা। অনেকের মুখেই ছিলোনা মাস্ক।

অপরদিকে লকডাউন বাস্তবায়নে পঞ্চমদিনেও কঠোর অবস্থানে রয়েছে প্রশাসন। সকাল থেকেই সিভিল প্রশাসন, সেনাবাহিনী, পুলিশ, বিজিবি, আনসার বাহিনীর টহল অব্যাহত রয়েছে।

গতকাল মঙ্গল সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত উপজেলার পান্টি, বাঁশগ্রাম, চৌরঙ্গী, যদুবয়রা, লালনবাজার, আলাউদ্দিননগর, তরুণমোড় ও খেয়াঘাট এলাকা ঘুরেঘুরে দেখা যায় যে, মানুষের উপচেপড়া ভিড়। ইজিবাইক, সিএনজি, ভ্যান চলাচল করছে স্বাভাবিক নিয়মে।

আরো দেখা যায়, মানুষ ও যানবহনের গতিরোধে পৌরসভার গণমোড়, স্টেশন বাজার, বাসস্ট্যান্ড, কাজীপাড়া মোড়ে বাঁশের বেড়িবাঁধ দেওয়া হয়েছে। তবুও বেড়িবাঁধ উপেক্ষা করে বাঁশের উপর ও নিচে দিয়ে সাইকেল, ভ্যান ও মানুষ অবাধে চলাচল করছে।

কঠোর লকডাউনের পঞ্চম দিনে শুধু মাত্র ফার্মেসী খোলা থাকবে। এমন নির্দেশনা থাকলেও বাইরে কেন জনসমাগম ও যানবহন? এমন প্রশ্নের উত্তরে বাহিরে আগত একাধিক ব্যক্তির সাথে কথা বলা হয়। অধিকাংশ মানুষই হাসপাতাল ও ফার্মেসীর কথা জানায়। অনেকে ব্যাংকের অজুহাত দেখান। কেউকেউ আবার কোন কথায় বলেননি।

এবিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বিতান কুমার মন্ডল বলেন, জনগণ হাসপাতাল ও ফার্মেসীর অজুহাতে অহেতুক বাহিরে আসছে। লকডাউন বাস্তবায়নে সিভিল প্রশাসন, পুলিশ, সেনাবাহিনী, বিজিবি, আনসার, গ্রাম পুলিশ ও জনপ্রতিনিধিরা কাজ করছে। লকডাউন ও নির্দেশনা অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমাণ আদালত অব্যাহত রয়েছে।