কুমিল্লার বুড়িচংয়ে মুক্তিযোদ্ধা পরিবারকে খাস জমি বন্দোবস্ত

টিবিটি টিবিটি

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ৬:৫৭ অপরাহ্ণ, জানুয়ারি ৪, ২০১৯ | আপডেট: ৬:৫৭:অপরাহ্ণ, জানুয়ারি ৪, ২০১৯

কুমিল্লা প্রতিনিধি :কুমিল্লার বুড়িচংয়ে শহীদ মুক্তিযোদ্ধা পরিবার ও যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা পরিবার এবং তাদের বৈধ উত্তরাধিকারদের নিকট তাদের জীবন মান উন্নয়নে খাস জমি বন্দোবস্ত করা হয়েছে। প্রাথমিক পর্যায়ে গত কয়েক দিনে ২০টি পরিবারের নিকট খাস জমি বন্দোবস্ত করা হয়েছে । শুক্রবার বিকাল ৫টায় বুড়িচং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আকুল চন্দ্র বিশ্বাস এ কথা নিশ্চিত করে বলেন, আমাদের এ প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

বুড়িচং উপজলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কমান্ড কাউন্সিলের কমান্ডার বীরমুক্তিযোদ্ধা মো. শাহজাহান জানান, দেশ মাতৃকার স্বাধীনতার অতন্দ্র প্রহরী বুড়িচং উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে যে সমস্ত শহীদ মুক্তিযোদ্ধা পরিবার ও যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা পরিবার অনেকটা কষ্টে দিনাতিপাত করছে তাদের মাঝে এবং তাদের বৈধ উত্তরাধিকারদের নিকট খাস জমি বিতরণ করা হয়েছে।

যে সমস্ত মুক্তিযোদ্ধারা ৯ মাস সশস্ত্র সংগ্রামের মাধ্যমে দেশকে বহি:শত্রুর কবল থেকে মুক্ত করেছে অথচ জায়গার অভাবে তাদের নিকটতম আত্মীয়ের সাথে মানবেতর জীবন যাপন করতে হতো ওই সমস্ত মুক্তিযোদ্ধা, শহীদ মুক্তিযোদ্ধা, যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা ও তাদের বৈধ উত্তরাধিকারদের মাঝে মাথাপিছু ৬/৭ শতক কৃষি খাস জমি বন্দোবস্ত দেয়া হয়েছে।

বুড়িচং উপজেলার ৯ ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামের ২০ জন শহীদ মুক্তিযোদ্ধা পরিবার ও যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা পরিবার এবং তাদের বৈধ উত্তরাধিকারদের মাঝে ওই জমির দলিল পত্রাদি ও আনুষঙ্গিক কাগজ পত্রাদি তুলে দেন বুড়িচং উপজেলা নির্বাহী অফিসার ইমরুল হাসান ও বুড়িচং থানার অফিসার ইনচার্জ আকুল চন্দ্র বিশ্বাস । এসময় উপস্থিত ছিলেন বুড়িচং উপজলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কমান্ড কাউন্সিলের কমান্ডার বীরমুক্তিযোদ্ধা মো. শাহজাহান, ডেপুটি কমান্ডার বীরমুক্তিয্দ্ধোা মো. ফজর আলী সহ অন্যান্য মুক্তিযোদ্ধা গণ।

এ ব্যাপারে বুড়িচং উপজেলা নির্বাহী অফিসার ইমরুল হাসানের সাথে জানতে চাইলে তিনি বলেন- যে সমস্ত মুক্তিযোদ্ধারা ৯ মাস সশস্ত্র সংগ্রামের মাধ্যমে দেশকে বহি: শত্রুর কবল থেকে রক্ষা করেছে অথচ জায়গার অভাবে তাদের নিকটতম আত্মীয়ের সাথে মানবেতর জীবন যাপন করতে হচ্ছে এমনতর বিষয়টি আমরা বিগত অনেক দিন ধরে যাচাই করি। পরবর্তীতে ওই সমস্ত মুক্তিযোদ্ধাদের কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের কথা স্মরণ করেই মূলত কৃষি খাস ভূমি বন্দোবস্তু প্রদান করা হয়েছে।