কেন সংলাপে গেলেন না গয়েশ্বর?

প্রকাশিত: ১০:০৫ অপরাহ্ণ, নভেম্বর ১, ২০১৮ | আপডেট: ১০:০৫:অপরাহ্ণ, নভেম্বর ১, ২০১৮
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়। ফাইল ছবি

বহুল প্রতীক্ষিত সংলাপে অংশ নেননি বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়। গণভবনে ১৪ দলীয় জোটের সঙ্গে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের নেতাদের সংলাপে প্রথমে ১৬ সদস্যদের প্রতিনিধির নাম ঘোষণা করা হয়। সেই তালিকায় গয়েশ্বরের নাম ছিল না।

পরে আজ এই জোট নতুন করে পাঁচ সদস্যের নামের তালিকা আওয়ামী লীগের কাছে পাঠায়। সেখানে বিএনপি নেতা আব্দুল মঈন খান ও গয়েশ্বর চন্দ্রের রায়ের নাম যুক্ত করা হয়।

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৭টার সময় এই সংলাপ শুরুর কথা থাকলেও নেতারা আসতে থাকেন সাড়ে ৬টার পর থেকেই। সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটে প্রথমে গণভবনে ঢোকেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য জমির উদ্দিন সরকার, আব্দুল মঈন খান।

তবে ৭টার আগে ঐক্যফ্রন্টের পক্ষ থেকে দেয়া তালিকার ১৯ জন প্রবেশ করেন গণভবনে। কিন্তু বিএনপির গয়েশ্বর চন্দ্র রায় ও নাগরিক ঐক্যের মাহমুদুর রহমান মান্না ছিলেন না সেখানে।

ততক্ষণে শুরু হয় যায় আলোচিত সংলাপের আনুষ্ঠানিকতা। অতিথিদের আমন্ত্রণ জানিয়ে সূচনা বক্তব্য রাখেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

এর মধ্যে ৭টা ৮ মিনিটে গণভবনে গাড়ি নিয়ে আসেন মান্না। দেরি হলেও তাকে ঢুকতে বাধা দেয়নি কেউ। অন্যদিকে গয়েশ্বর চন্দ্র রায়ের আর দেখা মেলেনি।

সব মিলিয়ে ঐক্যফ্রন্টের ২০ জন নেতার মধ্যে বিএনপির ছিলেন ছয়জন, ড. কামাল হোসেনের দল গণফোরামের ছয়জন, তার আরেক উদ্যোগ জাতীয় ঐক্য প্রক্রিয়ার দুইজন, জেএসডির তিনজন, নাগরিক ঐক্যের দুইজন এবং গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী।

রাত সাড় ৯টা পর্যন্ত গণভবনের সামনে অপেক্ষামাণ গণমাধ্যমকর্মীরাও গয়েশ্বরকে গণভবনে প্রবেশ করতে দেখেননি।

এদিকে গয়েশ্বর চন্দ্র রায় কেন সংলাপে যোগ দেননি-জানতে তার সঙ্গে কথা বলতে চেষ্টা করলে তার সবগুলো মোবাইল ফোন নম্বরই বন্ধ পাওয়া গেছে। তার পরিবারের সদস্য বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য নিপুন রায় চৌধুরীর মোবাইলও বন্ধ রয়েছে।

অবশ্য এর আগে গয়েশ্বর রায় বলেছিলেন, খালেদা জিয়াকে কারাগারে রেখে কিসের সংলাপ?