কোন ছিনতাই হয়নি, ব্যাখ্যা করলেন অভিযুক্তরা

টিবিটি টিবিটি

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ২:০৯ অপরাহ্ণ, অক্টোবর ২৭, ২০১৮ | আপডেট: ২:০৯:অপরাহ্ণ, অক্টোবর ২৭, ২০১৮
সংগৃহীত

“ছিনতাইয়ের সময় হাতে-নাতে ঢাবির তিন ছাত্র আটক” এই শিরনামে গত কয়েকদিন যাবৎ বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় সংবাদ ছাপা হচ্ছে।আজ একটু ভিন্ন প্রসঙ্গ নিয়ে কথা বলতে চাচ্ছিলাম-

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে র ছাত্ররা ছিনতাই করে কথাটা শুনতেই কেমন যেন খারাপ লাগে,তাও আবার নিজেদের ক্যাম্পাসে?

এবার আসি মুল ঘটনায়-

২২ অক্টোবর রাত দশটা বাজে তখন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৬-২০১৭ সেশনের চার ছাত্র মোঃ জর্জ(ফিলোসোফি),নাফিউর রহমান(যোগাযোগ বৈকল্য),মিনহারুল বাসার আবির(ফিলোসোফি),মোঃ কামরুল হাসান(ফুটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারিং) শহীদুল্লাহ হল থেকে বন্ধুর সাথে দেখা করে ফিরতেছিল টি এস সি র দিকে।তখন সোহরাওয়ার্দী উদ্যান এর বাংলা একাডেমী গেটের কাছে আসতেই তারা লক্ষ করে গেটের ভিতরে বাইক রেখে দুইটা মধ্যবয়সী লোক মাদক সেবন করতেছিল।তখন এরা চারজন তাদের কাছে গিয়ে পরিচয় জিজ্ঞাসা করে এবং তাদের মাদক সেবন অবস্থায় দেখতে পায়।কিন্তু তারা বিভিন্ন রাজনৈতিক পরিচয় দিতে থাকে। এরই এক পর্যায়ে এক জন বাইক নিয়ে তাড়াহুড়া করে পালিয়ে যায়।

বাকি জন নেশাগ্রস্থ অবস্থায় উল্টা পাল্টা বলতে থাকে এবং এরই এক পর্যায়ে তাকে মারধর করে শিক্ষার্থীরা।মারধর করে রিক্সা ডেকে তাকে শাহবাগ থানায় নিয়ে যাওয়ার পথে টিএসসি তে আসতেই সে বাচাও বাচাও বলে চিৎকার করতে থাকে।টি এস সি তে থাকা পুলিশ ঘটনা লক্ষ করে কাছে এসে তাদের অর্থাৎ দুই পক্ষকেই শাহবাগ থানায় নিয়ে যায়। এর মধ্যে জর্জ এর বাইক রাখা দূরে তাই সে আর থানায় তৎক্ষনাৎ যায় নি।শাহবাগ থানার ওসি ঘটনা শুনে শিক্ষার্থীদের হলে চলে যেতে বলে এবং অভিযুক্ত আনোয়ার হোসেন কে থানায় রেখে দেয়।

ঠিক তখন ই রমনা জোনের এডিসি শাহবাগ থানায় আসে এবং ভিক্টিম তার কাছে রুপকথার গল্পের মত মিথ্যা কাহিনী বানিয়ে বলা শুরু করে।এর প্রেক্ষিতে আটকের ঘটনা ঘটে। যা সম্পূর্ণ ভুল বুঝাবুঝি।

কয়েকটা কথা না বললেই নয়-

*সে তার স্টেটমেন্টে পুলিশ কে বলে যে,সে নাকি বায়তুল মোকাররম থেকে হলি ফ্যামিলি হসপিটালে যাচ্ছিল।কিন্তু কথা হল বায়তুল মোকাররম থেকে ঐ হাসপাতালে যেতে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে কেন যাবে?

*ছিনতাইকারী যদি উদ্যানে ছিনতাই করে তাইলে তাকে আবার যত্ন করে রিক্সায় তুলে টি এস সি র দিকে কেন যাবে? কারন ঢাবির শিক্ষার্থীরা জানে যে, রাতে টি এস সি তে পুলিশ পাহারা থাকে প্রক্টরিয়াল বডি থাকতে পারে।

*আর তাছাড়া সে অভিযোগ করেছে যে তাকে নাকি গুমের উদ্যেশ্যে তুলে নেয়া হয়।কিন্তু গুম করতে রিক্সার ব্যাবহার, এটা কি সম্ভব??

*ঘটনাটা গভীর রাতের নয়, রাত ১০ টায় ঘটেছে। কালিমন্দিরের পাশে রোডে অনেক গাড়ি চলাচল করে। চিৎকার করতে করতে লোক জড় হওয়ার কথা। পুলিশ সে যায়গায় আসবে, গ্রেপ্তার হবে মন্দিরের গেটে কিন্তু তা না, টিএসসিতে গিয়ে গ্রেপ্তার করে।

লিখেছেন: কামরুল, নাফি, আবির