খাদ্য বান্ধব কর্মসুচির চালে ভেজাল মেশায় যুবলীগ নেতা

প্রকাশিত: ১০:১৩ অপরাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ১৬, ২০১৯ | আপডেট: ১০:১৩:অপরাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ১৬, ২০১৯
ছবি: টিবিটি

মোঃ সাদিক-উর রহমান শাহ্ (স্কলার), নীলফামারী প্রতিনিধি: সরকারের খাদ্য বান্ধব কর্মসুচির আওতায় হত দরিদ্রদের জন্য ১০ টাকা কেজি দরের চালে ভেজাল মেশায় নীলফামারীর ডোমারে হরিণচড়া ইউনিয়ন যুব লীগের সভাপতি ও ডিলার সামিউল ইসলামের নিকট ৫০ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করেছে ভ্র্যাম্যমান আদালত।

সোমবার (১৬ সেপ্টেম্বর) সকালে উপজেলার ধরনীগঞ্জ বাজারে সামিউল ইসলামের চাল বিতরন কেন্দ্রে গিয়ে ভ্র্যাম্যমান আদালতের বিচারক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা উম্মে ফাতিমা ওই জরিমানা আদায় করেন।

উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক (ভারপ্রাপ্ত) তহিদুর রহমান জানান, ১০ টাকা কেজির চালে ভেজাল মিশানোর সংবাদ পেয়ে রবিবার (১৫ সেপ্টেম্বর) বিকালে সামিউল ইসিলামের গোডাউনে অভিযান চালিয়ে ১৭ বস্তা খাবার অনুপযোগী নিম্নমানের চাল উদ্ধার করা হয়।এসময় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা উম্মে ফাতিমা গোডাউনটি সিলগালা করে দেয়।

ঘটনার সত্যতা পাওয়ায় আজ সোমবার (১৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সামিউল নিজের অপরাধ ¯ী^কার করলে ভ্র্যাম্যমান আদালতে তাকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে ৭ দিনের কারাদন্ড প্রদান করা হয়।

এ ঘটনায়, তাৎক্ষনিক সামিউল ইসলাম জরিমানার ৫০ হাজার টাকা পরিশোধ করলে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়। তবে হতদরিদ্র ক্রেতারা অভিযোগ করে বলেন, উপজেলার ৩২ জন ডিলারের মধ্যে অধিকাংশ ডিলার খাদ্যগুদাম কর্মকর্তাদের সহায়তায় চালে ভেজাল মিশিয়ে বিক্রির করেছে।

উপজেলা খাদ্য গুদাম কর্মকর্তা জিয়াউর রহমান তার বিরুদ্ধে চালে ভেজাল মিশানোর অভিযোগ অশ্বিকার করে বলেন, খাদ্য গুদাম হতে ডিলাররা ভালো চাল সংগ্রহ করে নিয়ে যায়। তারা আমাদের সরবরাহকৃত চলের সাথে নিম্নমানের চাল যুক্ত করেছেন।

ভ্রাম্যমান আদালতের বিচারক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা উম্মে ফাতিমা বলেন, ডিলার সামিউল ১৭ বস্তা নিম্নমানের চাল গোডাউনে রাখা ও মেশানোর দায় স্বিকার করায়, তার নিকট ৫০ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে। তিনি বলেন, এই অভিযান অব্যাহত থাকবে।