খাসোগির দেহ খুঁজছে জঙ্গলে তদন্তকারীরা

টিবিটি টিবিটি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশিত: ৩:০৮ অপরাহ্ণ, অক্টোবর ১৯, ২০১৮ | আপডেট: ৩:০৮:অপরাহ্ণ, অক্টোবর ১৯, ২০১৮

টিবিটি আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ নিখোঁজ সৌদি সাংবাদিক জামাল খাসোগিকে হত্যা করা হয়েছে সন্দেহ করে তার মৃতদেহের খোঁজে ব্যাপক আকারে তল্লাশি অভিযান শুরু করেছে তুরস্কের তদন্ত কর্মকর্তারা।

নাম গোপন রাখার শর্তে তুরস্কের একজন কর্মকর্তা বিবিসিকে জানান, খাসোগির মৃতদেহ কাছাকাছি কোনো জঙ্গল বা কৃষি খামারে ফেলে দেয়া হয়ে থাকতে পারে।

গত ২ অক্টোবর খাসোগি ইস্তাম্বুলের সৌদি কনস্যুলেটে প্রবেশের পর থেকে নিখোঁজ রয়েছেন। তুরস্ক দাবি করছে, খাসোগিকে কনস্যুলেটের ভেতর হত্যা করা হয়েছে এবং তার অডিও ও ভিডিও প্রমাণ তাদের কাছে রয়েছে।

সৌদি আরব এই অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে।

এ সপ্তাহে সৌদি কনস্যুলেট ও কনসালের বাসভবন তল্লাশির সময় সংগ্রহ করা ডিএনএ নমুনা খাসোগির ডিএনএ’র সঙ্গে মেলে কিনা তা পরীক্ষা করে দেখা হচ্ছে।

বুধবার ও বৃহস্পতিবার তুরস্কের তদন্ত কর্মকর্তারা প্রায় নয় ঘণ্টা ধরে সৌদি কনসালের বাসভবন তল্লাশি করে। এরপর তারা ২০০ মিটার দূরে অবস্থিত কনস্যুলেটে তল্লাশি চালায়।

খাসোগি কনস্যুলেটে প্রবেশের প্রায় দুই ঘণ্টা পর সৌদি ডিপ্লোম্যাটিক নম্বর প্লেটযুক্ত কয়েকটি গাড়ি কনস্যুলেট থেকে বাসভবনের দিকে যায়, সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ থেকে তা জানা যায়।

গত ২ অক্টোবর ইস্তাম্বুলের সৌদি কনস্যুলেটে খাসোগি তার আগের তালাকের কাগজপত্র আনতে যান। এ সময় কনস্যুলেটের বাইরে তার বাগদত্তা হাতিস চেঙ্গিজের কাছে তিনি তার ফোনটি রেখে যান। তিনি ফিরে না এলে তুরস্কের প্রেসিডেন্টের এক উপদেষ্টাকে ফোন করার নির্দেশও হাতিসকে দিয়ে যান খাসোগি। ওই দিন মধ্যরাত পর্যন্ত অপেক্ষার পর হাতিস তার নির্দেশনা অনুযায়ী কাজ করেন।

খাসোগি সৌদি যুবরাজ তথা রাজপরিবারের সমালোচনা করায় সৌদি পত্রিকায় তার কলাম বন্ধ করে সতর্ক করে দেয়া হয়। এরপর তিনি যুক্তরাষ্ট্রে স্বেচ্ছা নির্বাসনে গিয়ে ওয়াশিংটন পোস্ট পত্রিকায় লেখালেখি করছিলেন।

খাসোগির পরিচিত একজন গণমাধ্যমকে জানান, তাকে প্রলোভন দেখিয়ে দেশে ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্যও চেষ্টা করেছিল সৌদি সরকার।