‘গ্রেনেড হামলার মাস্টারমাইন্ড হাওয়া ভবন, তারেক জিয়া’

টিবিটি টিবিটি

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ৩:০৭ অপরাহ্ণ, অক্টোবর ৯, ২০১৮ | আপডেট: ৩:০৭:অপরাহ্ণ, অক্টোবর ৯, ২০১৮
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। ফাইল ছবি

আজ মঙ্গলবার রাজধানীর মানিক মিয়া এভিনিউতে আল রিয়াদ এক্সপ্রেস নামে একটি যাত্রীবাহী পরিবহনের উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি একথা বলেন।

একুশ আগস্ট গ্রেনেড হামলার দায় বিএনপি-জামায়াত এড়াতে পারে না মন্তব্য করে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেন, সে সময় ক্ষমতায় ছিল বিএনপি-জামায়াত। সবাই জানে এই হামলার মাস্টারমাইন্ড হচ্ছে হাওয়া ভবন, তারেক জিয়া (বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমান)। এখন সত্যকে আড়াল করে লাভ নাই।

আগামীকাল বুধবার গ্রেনেড হামলা মামলার রায়ে ন্যায়বিচার প্রত্যাশা করে ওবায়দুল কাদের বলেন, আমরা এই ব্যাপারে রায়ের আগে কোনো মন্তব্য করতে চাই না। আমরা আদালতের কাছে ন্যায় বিচার প্রত্যাশা করি।

তিনি রায় ঘিরে যেকোনো ধরনের নাশকতা কিংবা সহিংসতা কঠোর হাতে দমন করা হবে হুঁশিয়ার করেন। বলেন, বিএনপি এ রায় ঘিরে নাশকার ব্যাপক পরিকল্পনা করছে। তাঁদের মনে রাখতে হবে ২০১৪ সাল আর ২০১৮ সাল এক নয়। নাশকতার চেষ্টা করলে কেউ রেহাই পাবে না। আইনশৃংখলা বাহিনী প্রস্তুত। জনগণও প্রস্তত, আমাদের লাগবে না।

গ্রেনেড হামলায় নেতাকর্মীদের ক্ষয়ক্ষতির কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, আমরা ন্যায় বিচার চাই। আমি নিজেও তো এই হামলায় আহত হয়েছি। আমাদের নেত্রীর (প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা) একটা কানের শ্রবণ শক্তি চলে গেছে।

আইভি রহমানসহ ২৪ জনের প্রাণের প্রদীপ চিরদিনের মতো নিভে গেছে। কাজেই এ ধরণের হত্যাকাণ্ডের বিচার বাংলাদেশে হবে না এই ইপপিউনিটি কালচার (দায়মুক্তির সংস্কৃতি) গড়ে তুলবো?

প্রসঙ্গত, ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট বিএনপি-জামায়াত জোট সরকার ক্ষমতায় থাকাকালে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউতে আওয়ামী লীগের কার্যালয়ের সামনে দলীয় সমাবেশে ভয়াবহ গ্রেনেড হামলা হয়।

নারকীয় ওই হামলায় আওয়ামী মহিলা লীগের সভাপতি আইভি রহমানসহ ২৪ নেতাকর্মী প্রাণ হারান। তৎকালীন বিরোধী দলীয় নেত্রী ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অল্পের জন্য প্রাণে বেঁচে যান। তাকে বাঁচাতে মানববর্ম তৈরি করে আওয়ামী লীগ নেতারা। শেখ হাসিনা প্রাণে বেঁচে গেলেও গ্রেনেডে স্লিন্টারে হারান এক কানের শ্রবণশক্তি।