চাকরিতে প্রবেশের বয়স ৩৫ করার দাবিকে সমর্থন জানিয়েছেন ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক (ভিডিও)

টিবিটি টিবিটি

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ২:২৪ অপরাহ্ণ, অক্টোবর ২৭, ২০১৮ | আপডেট: ১১:৪৭:অপরাহ্ণ, অক্টোবর ২৭, ২০১৮
সংগৃহীত

শনিবার দুপুর ১২টা থেকে এই মানববন্ধন শুরু হয়। মানববন্ধনের কিছু সময় পরে শাহবাগে আসেন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সাধারন সম্পাদক গোলাম রাব্বানী। তিনি মানববন্ধনকে সমর্থন জানান এবং বলেন সুষ্ঠ ভাবে মানববন্ধন করার জন্য।

তিনি বলেন সরকারী চাকরিতে প্রবেশের বয়স ৩৫ করার জন্য তাহার পুর্ণ সমর্থন রয়েছে। এসময় আন্দোলনরত ছাত্ররা জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু নামে সোগ্লান দিতে থাকে।

৪০ তম বিসিএস পরীক্ষায় আবেদনের আগে সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা ৩৫ করার দাবিতে শাহবাগে জাতীয় জাদুঘরের সামনের সড়ক অবরোধ করে মানববন্ধন করেছে বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র পরিষদ।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, চাকরিতে প্রবেশের সর্বোচ্চ বয়স ৩২ বা ৩৩ করলেও মানা হবে না, ৩৫ বছরই করতে হবে। নবম সংসদের নির্বাচনের পূর্বেও চাকরিতে আবেদনের বয়স বাড়ানোর জন্য সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল, কিন্তু বাস্তবে তার সুফল এদেশের ছাত্ররা এখনো লাভ করেনি। তাই আসছে নির্বাচনের আগেই এটা অবশ্যই বাস্তবায়ন করতে হবে।

মানববন্ধন কর্মসূচিতে পরিষদের যুগ্ম আহবায়ক সঞ্জয় দাস বলেন, ১৯৯১ সালে সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়স ২৭ থেকে বাড়িয়ে ৩০ করা হয়। তারপর, দীর্ঘ ১৮ বছরেও চাকরিতে প্রবেশের বয়স বাড়েনি। ২১ বছর পর সরকার অবসরের বয়স বাড়িয়ে ৫৯ করলেও প্রবেশের বয়স বৃদ্ধি করেনি।

তিনি আরও বলেন, আগে যেখানে একজন ছাত্র ৪/৫ বছর বয়সে প্রাইমারি স্কুলে ভর্তি হয়ে ১৪ থেকে ১৫ বছর বয়সে এসএসসি পাস করতে পারত, এখন সেটা ১৬ বছরের আগে কোনোক্রমেই সম্ভব নয়। স্নাতক ও সম্মান উভয় ক্ষেত্রে ১ বছর করে বৃদ্ধি করে যথাক্রমে ৩ ও ৪ বছর করা হয়েছে। সঙ্গে উচ্চ মাধ্যমিকের দুই বছর যোগ করলে একজন সম্মান পাস ব্যক্তির বয়স দাড়ায় ২২ বছর।

অপরদিকে, তিন বছর স্নাতকধারীর বয়স হয় ২৩ বছর। তাছাড়া, ফলাফল প্রকাশ, ভর্তি এসব কাজেও একজন শিক্ষার্থীর এক-দুই বছর চলে যায়। সেই দিক থেকে বিবেচনা করলে চাকরিতে প্রবেশের নিম্নসীমা ১৮ বছরও অযৌক্তিক। তাই রাষ্ট্রের প্রতি আমাদের দাবি চাকরিতে আবেদনের বয়সসীমা ৩৫ বছর করা হোক।

ভিডিও দেখুন এখানে