চা-সিঙাড়া বেচে কোটিপতি!

টিবিটি টিবিটি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশিত: ১১:৫০ পূর্বাহ্ণ, জুলাই ২২, ২০২১ | আপডেট: ১১:৫০:পূর্বাহ্ণ, জুলাই ২২, ২০২১

কেউ চাট বিক্রি করেন। কেউ তেলেভাজা-কচুরি। কেউ বা চা-সিঙাড়া। খালি চোখে দেখলে মনে হবে অনটনে চলে তাঁদের সংসার। মাসে রোজগার হয়ত যৎ সামান্য। কিন্তু জানলে অবাক হবেন, উত্তরপ্রদেশের কানপুরে এই ধরনের খুচরো পেশার সঙ্গে যুক্ত ২৫০ জনের ব্যাঙ্ক ব্যালেন্স, নাকি কোটি কোটি টাকা। সম্প্রতি আয়কর দফতরের একটি তদন্তে উঠে এসেছে এমন চমকপ্রদ তথ্য। যা দেখে এবং শুনে কার্যত অবাক তদন্তকারীরা।

কানপুরের আয়কর বিভাগ তদন্তে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে এসেছে। শুধুমাত্র রাস্তার ধারে খাবার বেচে কোটি কোটি টাকার মালিক হয়েছেন এইসব ব্যবসায়ীরা। ভাঙাচোরা বিক্রেতাতেই নয়, ফল বিক্রি করেন এমন ব্যক্তিরা শত শত বিঘা কৃষি জমির মালিক।

ভারতীয় দৈনিক হিন্দুস্তান টাইমসে প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, পান, চাট, কিরানা স্টোর চালানো ও সিঙারা বিক্রিতাদের এ হেন সম্পত্তি রয়েছে। তিন তিনটি গাড়ির মালিক কিন্তু এক টাকাও জিএসটি দেন না। পাশাপাশি আয়কর বিভাগেও দেন না একটা টাকাও। আয়কর বিভাগ, বিগ ডেটা সফটওয়্যার, জিএসটি রেজিস্ট্রেশনে এই চমকদার তথ্য উঠে এসেছে।

আসলে গরীব সেজে থাকা ধনপতিদের দীর্ঘদিন ধরেই খুঁজে পেতে চেয়েছিল আয়কর দফতর। যাঁর ট্যাক্স দেন বা ট্যাক্স রিটার্ন ফাইল করে তাদের পাশাপাশি প্রতিটা গলি মহল্লায় দোকান চালায় যাঁরা তাঁদের ওপরও দীর্ঘদিন ধরে নজর রাখছিল সংস্থা। মোটা রোজগারকারীদের সম্পর্কে ধীরে ধীরে তথ্য সংগ্র চলছিল। এদের সব পরিসংখ্যান দেখে সকলের মাথা ঘুরে গেছে।

কানপুরের প্রচুর ব্যবসায়ী গত চার বছরে এক পয়সা জিএসটি দেননি কিন্তু ৩৭৫ কোটি টাকারা প্রপার্টি কিনেছে। কানপুরের বিভিন্ন জায়গায় এই সম্পত্তি কেনা হয়েছে। ৩০ কোটি টাকার কিষাণ বিকাশ পত্র কেনা হয়েছে। বিভিন্ন গ্রামীণ এলাকায় মোট ৬৫০ বিঘা জমি কেনা হয়েছে। সম্পত্তি কেনার এই বিষয় থেকেই এই আয়ের খোঁজ পাওয়া গেছে। দুই ভাঙাচোরা ব্যবসায়ী দশ কোটি টাকার সম্পত্তি কিনেছে। ব্যবসায়ীদের জমি ও সম্পত্তিতে বিনিয়োগ থেকে এই ভয়ানক সত্যি সামনে এসেছে।