চিকিৎসার টাকা অভাবে ধোঁকে ধোঁকে মরতে বসেছে হাওর পাড়ের সাখাওয়াত

টিবিটি টিবিটি

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ৪:৪১ অপরাহ্ণ, মে ৩০, ২০২১ | আপডেট: ৪:৪১:অপরাহ্ণ, মে ৩০, ২০২১

জাহাঙ্গীর আলম ভূঁইয়া, তাহিরপুর(সুনামগঞ্জ)প্রতিনিধি : গরিব ও অসহায় পরিবারের সন্তান সাখাওয়াত (২৪) । পেশায় একজন মৎস্যজীবী। এমনিতেই অভাব আর অনটন লেগেই আছে এর মধ্যে অসুস্থ হওয়ায় অভাব অনটনের মাত্র বেড়ে গেছে। পরিবারের উপার্জনক্ষম ব্যক্তি অসুস্থ হয়ে পড়া অর্ধাহারে অনাহারে দিনাতিপাত করেছেন সাখাওয়াত ও তার পরিবার। দিন ঘরিয়ে রাত পার হলে যে ভাত রান্না করবে সেই টাকাও নেই তা সবারই জানা।

সাখাওয়াতেই ছিলো সেই পরিবারের একমাত্র উপার্জনকারী ব্যক্তি। সাখাওয়াতের কিছুদিন পূর্বে মাথায় টিউমার হলে সিলেট এম.এ.জি. ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা করায়। পর্যাপ্ত পরিমাণ টাকা না থাকায় কোন রখমে শুধু ব্রেইন টিউমার অপারেশন করেই বাড়িতে ফিরে তার পরিবার। সম্পূর্ণ ভাবে ভালো হয় নি ব্রেইন টিউমারের ক্ষত ও পুরপুরি সুস্থ হয় নি সাখাওয়াত।

সাখাওয়াত”হাওর বেষ্টিত সুনামগঞ্জ জেলার তাহিরপুর উপজেলার ২নং শ্রীপুর (দক্ষিণ) ইউপি’র সুলেমানপুর গ্রামের স্থায়ী বাসিন্দা।

স্থানীয় এলাকাবাসী জানান,দীর্ঘদিন যাবৎ অসুস্থতায় ভুগছে সাখাওয়াত। আর্থিক অবস্থা ভালো না থাকায় চিকিৎসার কোনো সুযোগ হয়ে উঠেনি তার। কিছু দিন পূর্বে বিভিন্ন গ্রামের মানুষের কাছ থেকে সাহায্য তুলে পঞ্চাশ হাজার টাকা উত্তোলন করে সেই টাকা দিয়েই ব্রেইন টিউমার অপারেশন করিয়েছিল সিলেট এম.এ.জি. ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। পর্যাপ্ত পরিমাণ অর্থ না থাকার ফলে সম্পূর্ণ চিকিৎসা করাতে ব্যর্থ হয় বাড়ি ফিরে আসে সাখাওয়াতের পরিবার। এখন ছেলেটা সুস্থ না হওয়ায় আবার চিকিৎসা করাতে হবে। বর্তমানে কথাও বলতে পারে না সে। পরিবারটি বড় অসহায়। বর্তমানে চিকিৎসার টাকা জোগাড় করতে না পারার ফলে ধোঁকে ধোঁকে মরতে বসেছে সাখাওয়াত।

তার বৃদ্ধ বাবা আব্দুল মালিক মিয়া জানান,সাখাওয়াতের বর্তমানে এক হাত ও এক পা অবশ (নারা চরা করতে পারে না) হয়ে আছে। সাখাওয়াত কে বাঁচাতে হলে উন্নত চিকিৎসা করা প্রয়োজন। এই অভাবের সংসার আর ভালো লাগে না। বাবা হয়েও আর্থিক সামর্থ্য না থাকায় সন্তানের চিকিৎসাও করাতে পারছি না।

জীবিত থেকে এর চেয়ে আর বড় কষ্ট কী হতে পারে? বৃদ্ধ বয়সে কোনো উপার্জনও করতে পারি না! চিকিৎসা করাইমু কি দিয়া? জমিজমা থাকলে না বিক্রি করে চিকিৎসা করাইতাম সন্তানের তাও নাই। কি করমু এই জীবন দিয়া।

এখন আমি বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও দেশ-বিদেশের অবস্থানরত সকল ভাই বোনদের সহযোগীতা কামনা করছি। যোগাযোগে – পিতা: আব্দুল মালিক মিয়া। মোবাইল:01756914713(বিকাশ,পার্সোনাল)