জিম্বাবুয়েকে ৮ উইকেটে হারালো বিসিবি একাদশ

টিবিটি টিবিটি

স্পোর্টস ডেস্ক

প্রকাশিত: ৫:৫১ অপরাহ্ণ, অক্টোবর ১৯, ২০১৮ | আপডেট: ৫:৫১:অপরাহ্ণ, অক্টোবর ১৯, ২০১৮

সৌম্যের সেঞ্চুরি ও ইবাদতের পেসে একমাত্র প্রস্ততি ম্যাচে সফরকারী জিম্বাবুয়েকে ৮ উইকেটে হারিয়েছে বিসিবি একাদশ। হোক না প্রস্তুতি ম্যাচ, জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে আজ আগুন ঝড়ালেন পেসার হান্ট থেকে পাওয়া এবাদত হোসেন। তার বোলিং তোপেই সফরকারীরা গুটিয়ে গেলো ১৭৮ রানে। জবাবে ৩৯ ওভারে দুই উইকেট হারিয়ে ৮ উইকেটে জিতলো বিসিবি একাদশ। সেঞ্চুরি পেয়েছেন সৌম্য সরকার

বিকেএসপির মাঠে আজ টসে জিতে ব্যাট করতে নেমে ইনিংসের ১৬তম ওভারেই ৫ উইকেট হারিয়ে বসেছিল জিম্বাবুয়ে। সেখান থেকে ধৈর্য্যের সাথে প্রাথমিক ধাক্কা সামাল দেন অধিনায়ক মাসাকাদজা, সাথে পেয়ে যান সাবেক অধিনায়ক এল্টন চিগুম্বুরাকে।

দুজন মিলে ষষ্ঠ উইকেটে যোগ করেন ১২৪ রান। চিগুম্বুরা নিজের ফিফটি থেকে ৩ রান দূরে থাকতেই সাজঘরে ফিরে গেলেও উইকেটে টিকে থেকে সেঞ্চুরি তুলে নেন মাসাকাদজা।

বাংলাদেশের কন্ডিশন এবং উইকেটের ব্যবহার খুবই পরিচিত মাসাকাদজার। বিকেএসপির মাঠেও অনেক খেলেছেন তিনি। এমনকি গত ডিপিএলেও খেলে গিয়েছেন কলাবাগান ক্রীড়া চক্রের হয়ে। সে অভিজ্ঞতাই তিনি কাজে লাগালেন কঠিন চাপের মুহূর্তে।

শুরুতে রয়ে সয়ে খেলা মাসাকাদজা নিজের ফিফটি করেন ৯১ বল খেলে। ফিফটি পরেই শুরু করেন মেরে খেলা। দ্বিতীয় পঞ্চাশ করতে নেন আর মাত্র ৪৩টি বল। সব মিলিয়ে ১৩৪ বলে ১৪ চার ও ১ ছক্কার মারে সেঞ্চুরি পূরণ করেন তিনি।

ইনিংসের ৪৫তম ওভারের শেষ বলে সাজঘরে ফিরে যান মাসাকাদজা। দলের সংগ্রহ তখন ৯ উইকেটে ১৭৬ রান। এরপর ১৭৮ রানেই থেমে যায় জিম্বাবুয়ের ইনিংস।

বাংলাদেশের হয়ে সর্বোচ্চ ৫ উইকেট নিয়েছেন এবাদত হোসেন। ৩ উইকেট নিয়েছেন সাইফুদ্দিন ও একটি করে উইকেট শিকার করেছেন ইমরান আলী ও মোহর শেখ।

১৭৯ রানের টার্গেটে ব্যাট করতে নেমে দলীয় ১১ রানেই বিদায় নেন ওপেনার মিজানুর রহমান, যিনি ব্যাট হাতে আলো ছড়িয়েছিলেন জাতীয় লিগে। টাইগার দলে প্রথমবার ডাক পাওয়া ফজলে রাব্বিও ব্যাট করতে থাকেন ধীরগতিতে। কিন্তু ওয়ান ডাউনে নামা সৌম্যকে বেশিক্ষণ সঙ্গ দিতে পারেননি ফজলে রাব্বি। ১৩ রান করে সিকান্দার রাজার বলে ক্যাচ আউট হয়ে ফিরে যান তিনি।

দুই উইকেট পড়লেও ওয়ানডাউনে নেমে নিজের মতোই খেলতে থাকেন সৌম্য। ৬ বাউন্ডারি ১ ওভার বাউন্ডারির সাহায্যে অর্ধশতক পূরণ করেন তিনি।

মোসাদ্দেককে নিয়ে গড়েন ১১২ রানের পার্টনারশিপ। মোসাদ্দেক ব্যক্তিগত ৩৩ রানে স্বেচ্ছায় অবসরে গিয়ে ব্যাট করতে পাঠান আরিফুল হককে। সেই আরিফুলকে সঙ্গী করে ১৩ চার ও ১টি ছক্কায় শতক তুলে নেওয়ার পাশাপাশি ১০২ রানের দারুণ একটি ইনিংস উপহার দেন সৌম্য। তার ব্যাটিং দৃঢ়তায় ৮ উইকেট হাতে রেখেই বিসিবি একাদশ পৌঁছে যায় জয়ের বন্দরে।