টকের আধার খ্যাত তেঁতুলের চমকপ্রদ কিছু স্বাস্থ্যগুণ

টিবিটি টিবিটি

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ১১:৪৭ অপরাহ্ণ, নভেম্বর ৪, ২০১৮ | আপডেট: ১:৩৮:পূর্বাহ্ণ, নভেম্বর ৫, ২০১৮
ছবিঃসংগৃহিত

তেঁতুল পছন্দ করে না এমন মানুষ পাওয়া খুব কঠিন। বিশেষ করে তরূণীদের খাবারের তালিকায় উপরের দিকেই পাওয়া যায় এর নাম। তবে অনেকেরই ধারণা তেঁতুল খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর এবং তেঁতুল খেলে রক্ত পানি হয়। এ ধারণা সম্পূর্ণ ভুল। বরং তেঁতুলে রয়েছে প্রচুর পুষ্টি ও ভেষজ গুণ। তেঁতুল দেহে উচ্চরক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করে এবং হৃদরোগীদের জন্য খুব উপকারী।

তেঁতুলের নাম শুনলেই জিভে জল আসে না এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া যাবে না। টক তেঁতুল মুখে দিলে আমাদের যে ভিন্ন এক অনুভূতি হয় তা নিশ্চয়ই বলতে হবে না। তেঁতুল পছন্দ করে না এমন মানুষ পাওয়া খুব কঠিন। বিশেষ করে তরূণীদের খাবারের তালিকায় উপরের দিকেই পাওয়া যায় এর নাম। তবে অনেকেরই ধারণা তেঁতুল খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর এবং তেঁতুল খেলে রক্ত পানি হয়। এ ধারণা সম্পূর্ণ ভুল। বরং তেঁতুলে রয়েছে প্রচুর পুষ্টি ও ভেষজ গুণ। তেঁতুল দেহে উচ্চরক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করে এবং হৃদরোগীদের জন্য খুব উপকারী।

আবার অনেকেই মনে করে তেঁতুল মস্তিষ্কের ক্ষতি করে। কিন্তু আসলে এই ধারনাটি সঠিক নয়। তেঁতুল মস্তিষ্কের জন্য উপকারি। তেঁতুলের এসকর্বিক এসিড খাবার থেকে আয়রন আহরণ, সংরক্ষণ এবং তা বিভিন্ন কোষে পরিবহন করে। যা মস্তিষ্কের জন্য খুব প্রয়োজন। মস্তিষ্কে আয়রনের পর্যাপ্ত সরবরাহ চিন্তা ভাবনার গতি বৃদ্ধি করে। তেঁতুলগাছের পাতা, ছাল, ফলের শাঁস (কাঁচা ও পাকা), পাকা ফলের খোসা, বীজের খোসা সব কিছুই উপকরী। এর কচিপাতায় রয়েছে যথেষ্ট পরিমাণে এমাইনো এসিড। পাতার রসের শরবত সর্দি-কাশি, পাইলস ও প্রস্রাবের জ্বালাপোড়ায় বেশ কাজ দেয়। তেঁতুল চর্বি কমানোয় বেশ বড় ভূমিকা রাখে। তবে তা দেহের কোষে নয়, রক্তে। এতে কোলস্টেরল ও ট্রাইগ্রাইসেরাইডের মাত্রা এবং রক্তচাপ স্বাভাবিক রাখতে সাহায্য করে।

আসুন জেনে নেই টকের আধার হিসেবে খ্যাত তেঁতুলের কিছু অজানা উপকারিতা।

১. হার্ট ঠিক রাখে: দেখা গেছে তেঁতুল খুবই হার্ট ফ্রেন্ডলি। এতে উপস্থিত ফ্ল্যাভরনয়েড ব্যাড কোলেস্টেরল কমায় এবং গুড কোলেস্টেরল বাড়ায়। এছাড়াও রক্তে ট্রাইগ্লিসারাইড (এক ধরনের ফ্যাট) জমতে দেয় না। এতে উপস্থিত উচ্চ পটাশিয়াম রক্ত চাপ কম করতে সাহায্য করে।

২. হজম শক্তি বাড়ায়‚ কোষ্ঠকাঠিন্য তাড়ায়: পেট ব্যথা বা কোষ্ঠকাঠিন্যর মতো সমস্যা থেকে সমাধান পেতে চাইলে তেঁতুলের সাহায্য নিন। তেঁতুলের মধ্যে টার্টারিক অ্যাসিড‚ ম্যালিক অ্যাসিড এবং পটাশিয়াম আছে যা কোষ্ঠন্যকাঠিন্য দূর করে। এখনো আয়ুর্বেদে তেঁতুল পাতা ডায়েরিয়া সারাতে ব্যবহার হয়। এছাড়া তেঁতুল গাছের ছাল এবং শিকড় পেটের ব্যথা সারাতে ব্যবহার করা হয়।

৩. ত্বক উজ্জ্বল করে: প্রমাণ হয়ে গেছে তেঁতুল ক্ষতিকারক আলট্রা ভায়োলেট রে-র হাত থেকে ত্বককে বাঁচাতে সাহায্য করে। এছাড়াও যাদের অ্যাকনে আছে তাদের জন্যেও উপকারী তেঁতুল। এছাড়াও তেঁতুলে উপস্থিত হাইড্রক্সি অ্যাসিড ত্বকের এক্সফলিয়েশন করতেও সাহায্য করে যার ফলে মরা কোষ উঠে যায় এবং ত্বক উজ্জ্বল দেখায়।

৪. ডায়বেটিস কন্ট্রোল করে: তেঁতুলের বীজ ডায়বেটিস কন্টোল করতে সক্ষম। এছাড়াও রক্তে চিনির মাত্রাও ঠিক রাখে। এতে উপস্থিত এক ধরনের এনজাইম যার নাম alpha-amylase রক্তে চিনির মাত্রা কমাতে সাহায্য করে।

৫. ক্যান্সার রোধ করে: তেঁতুলে উচ্চ পরিমাণে অ্যান্টি অক্সিডেন্ট আছে যা কিডনি ফেলিওর এবং কিডনি ক্যান্সার রোধ করতে সাহায্য করে।

৬. ওজন কমায়: তেঁতুলে উচ্চ মাত্রায় ফাইবার আছে আর একই সঙ্গে এটা সম্পূর্ণ ফ্যাট ফ্রি। রিসার্চ করে দেখা গেছে রোজ তেঁতুল খেলে ওজন কমে।

৭. ক্ষত সারিয়ে তোলে: তেঁতুল গাছের পাতা এবং ছাল অ্যান্টি সেপটিক এবং অ্যান্টি ব্যাকটেরিয়াল‚ ফলে ক্ষত সারিয়ে তুলতে সাহায্য করে।

৮. লিভার সুরক্ষিত রাখে: দেখা গেছে তেঁতুল আমাদের লিভার বা যকৃতকেও ভালো রাখে। পরীক্ষা করে দেখা গেছে নিয়মিত তেঁতুল পাতা ব্যবহার করে উচ্চ মাত্রায় মদ্যপানের ফলে ড্যামেজড লিভার অনেকটা সেরে উঠেছে।

৯. পেপটিক আলসার রোধ করে: পেপটিক আলসার বেশির ভাগ ক্ষেত্রে পেটে এবং ক্ষুদ্রান্ত্রে হয়। এই আলসার খুবই বেদনাদায়ক। রিসার্চ করে দেখা গেছে তেঁতুলের বীজের গুঁড়ো নিয়মিত খেলে পেপটিক আলসারের সেরে যাচ্ছে। আসলে তেঁতুলে উপস্থিত পলিফেনলিক কম্পাউন্ড আলসার সারিয়ে তোলে বা হতে দেয় না।

১০. সর্দি কাশি সারাতে সাহায্য করে: তেঁতুল অ্যালার্জি প্রতিরোধক হিসেবে কাজ করে। এছাড়া এতে উপস্থিত ভিটামিন সি শরীরের ইমিউনিটি বাড়ায়।

দেখা যায়, পুরোনো তেঁতুলের কার্যকারিতা বেশি। যদি পেট ফাঁপার সমস্যা থাকে এবং বদহজম হয়, তাহলে পুরোনো তেঁতুল এক কাপ পানিতে ভিজিয়ে সামান্য লবণ, চিনি বা গুড় দিয়ে খেলে অসুবিধা দূর হয়। আবার হাত-পা জ্বালা করলেও এই শরবতে উপকার পাওয়া যায়।প্রয়োজনে টমেটোর সসের পরিবর্তে তেঁতুলের সস বা আচার খাওয়া যেতে পারে। যদি তেঁতুলের সঙ্গে রসুনবাটা মেশানো যায়, তাহলে রক্তের চর্বি কমানোর কাজে ভালো ফল দেয়।

তেঁতুল খেলে কি রক্ত পানি হয়?

ছবিঃসংগৃহিত

তেঁতুল, যার নাম শুনলেই জিভে পানি আসে। ফল হিসেবে তেঁতুল হয়তো ততটা উৎকৃষ্ট নয়, কিন্তু মেয়েদের কাছে তেঁতুলের একটা আলাদা সমাদর আছে। মুখের রুচি ফিরিয়ে আনতে, সস হিসেবে এবং গর্ভবতী নারীরা মুখের বিস্বাদ কাটাতে তেঁতুলকে আঙুলের ডগায় তুলে নেন সর্বাগ্রে। ছোট-বড় সবার কাছেই তেঁতুল পরিচিত এবং কিছুটা হলেও প্রিয়।

আগেই বলেছি,আগেই বলেছি, তেঁতুল আহামরি কিছু নয়। যেটুকু উল্লেখযোগ্য তা হচ্ছে, বিচি ছাড়া পাকা তেঁতুলের প্রতি ১০০ গ্রামে ১৭০ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম থাকে, ক্যারোটিন থাকে ৬০ মাইক্রোগ্রাম এবং খাদ্যশক্তি থাকে ২৮৩ কিলোক্যালরি। এই তেঁতুল সম্পর্কে কিছু বাজে কথা প্রচলিত আছে। অনেকেই বলে থাকেন, তেঁতুল খেলে রক্ত পানি হয়ে যায়। এ কথাটির উদ্ভব কীভাবে হলো, সেটি জানি না। তবে কথাটা যে ঠিক নয়, এটা সত্য। রক্তকে পানি করে দেওয়ার মতো কোনো উপাদানই তেঁতুলের মধ্যে নেই।

এবার রক্ত ও পানির আয়োনিক অবস্থাটা একটু দেখা যাক। রক্তের পিএইচ ৭ দশমিক ৩ থেকে ৭ দশমিক ৪ আর পানির পিএইচ ৭। রক্ত ও পানির পিএইচ খুব কাছাকাছি মনে হলেও এ দুটির পিএইচ এক হওয়ার আশঙ্কা, অর্থাৎ রক্তের পিএইচ সহজেই কমে আসার আশঙ্কা খুবই কম। কারণ, রক্তের রয়েছে বাফার সিস্টেম। এই বাফার সিস্টেমের কাজ হচ্ছে রক্তে এসিড বা অম্ল এবং অ্যালকালি বা ক্ষারের পরিমাণের তারতম্য হলে তাকে স্বাভাবিক রাখা। এই বাফার সিস্টেম ব্যর্থ না হলে পিএইচের তারতম্য ঘটবে না। আর শরীর মারাত্মকভাবে রোগাক্রান্ত না হলে রক্তের পিএইচের তারতম্য ঘটার আশঙ্কা কম। আর সামান্য তেঁতুলে রক্তের পিএইচ এসে পানির সমান হবে, তা কোনো ক্রমে আশা করা যায় না।

এ ছাড়া পানির মধ্যে আছে শুধু অক্সিজেন ও হাইড্রোজেন। আর রক্তের মধ্যে হাইড্রোজেন-অক্সিজেন ছাড়াও প্রচুর প্রোটিন ইলেকট্রোলাইটসহ আরো অনেক উপাদান রয়েছে। কাজেই শুধু পিএইচ সমান হলেই যে রক্ত শুধু পানি হয়ে যাচ্ছে, সেটি বলা যাচ্ছে না। কারণ, পিএইচ কমলেও রক্তের অন্যান্য উপাদানও বিভিন্ন মাত্রায় উপস্থিত থাকে। যা-ই হোক, আসল কথা হচ্ছে, তেঁতুল খেলে রক্ত পানি হয় না। এটাই ঠিক কথা। তেঁতুল খেয়ে রক্তকে পানি করা সম্ভব নয়।

গর্ভাবস্থায় তেঁতুল খাওয়া কতটা নিরাপদ?

গর্ভাবস্থায় খাবার দাবার নিয়ে চলে অনেক বাছ বিচার। কোন খাবার নিরাপদ, কোনটা ক্ষতিকর- এসব নিয়ে দ্বিধা কাজ করে। এরকম একটা খাবার তেঁতুল। গর্ভাবস্থায় তেঁতুল খাওয়া কতটা নিরাপদ- এ নিয়েই আমাদের এবারের আয়োজন।

তেঁতুল আমাদের উপমহাদেশে একটি সুপরিচিত ফল। এই ফল অনেকেরই প্রিয় ফলের তালিকায় আছে। বিশেষ করে মেয়েদের। গর্ভাবস্থায় নারীরা সাধারণত তেঁতুল খেতে পছন্দ করেন। চিকিৎসাগত দিক থেকেও রয়েছে এর উপকারিতা। তেঁতুলের টক উপাদান গর্ভবতী নারীদের মর্নিং সিকনেস থেকে অনেকটাই মুক্তি দেয়। গর্ভাবস্থায় তেঁতুল খাওয়া নিরাপদ বলেই প্রমাণ পাওয়া গিয়েছে। তবে একটা নির্দিষ্ট পরিমাণে তেঁতুল খাওয়া উচিত। পরিমাণ বেড়ে গেলে সাইড ইফেক্টে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা থেকে যায়।

গর্ভাবস্থায় তেঁতুল খাওয়ার উপকারিতা-

১. তেঁতুল ভিটামিন ‘সি’ এর খুব ভালো উৎস। এই ভিটামিন ইমিউন সিস্টেমকে শক্তিশালী করে।

২. তেঁতুলে অনেক ধরনের এন্টি অক্সিডেন্ট থাকে। শরীরে দ্রুত ফ্রি রেডিক্যাল ফর্মেশনে বাঁধা দেয় এইসব অক্সিডেন্ট।

৩. ডায়াবেটিসজনিত সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে সাহায্য করে তেঁতুল।

৪. তেঁতুলে নির্দিষ্ট কিছু প্রোটিন থাকে। এইসব প্রোটিন গর্ভাবস্থায় কোষ্ঠকাঠিন্য থেকে মুক্তি পেতে সাহায্য করে।

৫. গর্ভাবস্থায় অন্যতম প্রধান সমস্যা হচ্ছে ব্লাড প্রেসার। তেঁতুলের পটাশিয়াম এবং আয়রন ব্লাড প্রেসার নিয়ন্ত্রণে রাখতে সহায়তা করে।

তেঁতুল, শরীরে অ্যাসপিরিন জাতীয় ওষুধের কাজে বাঁধা তৈরি করে থাকে। তাই তেঁতুল খাওয়ার আগে ডাক্তারের সাথে আলোচনা করে খাওয়া উচিত।

ছোটখাটো সতর্কতা অবলম্বন করে তেঁতুল খেলে সেটা গর্ভাবস্থায় নিরাপদ খাবার হিসেবেই গণ্য হয়। তবে মনে রাখবেন, আপনার খাদ্য তালিকায় তেঁতুল রাখার আগে ডাক্তারের সাথে পরামর্শ করে নিতে ভুলবেন না যেন।

টক মিষ্টি তেঁতুলের শরবত

ছবিঃসংগৃহিত

যে ফলটির নাম শুনলেই জিভে জল চলে আসে তা হলো তেঁতুল। প্রচন্ড টক স্বাদের এই ফলটি অনেকেরই প্রিয়। তেঁতুলে আছে টারটারিক এ্যাসিড যা খাবার হজমে সহায়তা করে। হৃদরোগীদের জন্য বিশেষ উপকারী একটি ফল হলো তেঁতুল। তেঁতুল দেহে উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রনে রাখতে সাহায্য করে। এছাড়াও তেঁতুলে আছে প্রচুর ভিটামিন সি যা ত্বক, মাড়ি ও চুলের জন্য উপকারী। তেঁতুল খাবারের রুচি বাড়ায়। লবণ দিয়ে খাওয়ার পাশাপাশি বিভিন্ন রান্নায়ও খাওয়া হয় তেঁতুল। এছাড়াও তেঁতুল দিয়ে বানানো যায় মজাদার শরবত। এই শরবতটি বেশ সহজেই বানানো যায় এবং খেতে খুবই সুস্বাদু। তাই আজই বাসায় বানিয়ে ফেলতে পারেন মজাদার তেঁতুলের শরবত। আসুন জেনে নেয়া যাক প্রস্তুত প্রণালীটি।

পুষ্টিগুণ

প্রতি ১০০ গ্রাম পাকা তেঁতুলে আছে খনিজ পদার্থ ২.৯ গ্রাম, খাদ্য-শক্তি ২৮৩ কিলোক্যালরি, আমিষ ৩.১ গ্রাম, চর্বি ০.১ গ্রাম, শর্করা ৬৬.৪ গ্রাম, ক্যালসিয়াম ১৭০ মিলিগ্রাম, আয়রন ১০.৯ মিলিগ্রাম, ক্যারোটিন ৬০ মাইক্রোগ্রাম ও ভিটামিন সি ৩ মিলিগ্রাম।

উপকরণ

পাকা তেতুল এক কাপের চারভাগের এক ভাগ – ঠান্ডা পানি ৩ কাপ – আখের গুড় ১ কাপ – লবণ পরিমাণ মত – বিট লবণ স্বাদ মত – বরফ কুচি – লেবুর স্লাইস (সাজানোর জন্য)

প্রস্তুত প্রণালী
১. আধা কাপ পানিতে তেঁতুল ভিজিয়ে রাখুন।

২. এবার হাত দিয়ে তেতুল ভালো করে গুলে নিন।

৩. তেতুলের পানিটুকু মিহি ছাকনি দিয়ে ছেকে নিন।

৪. দেড় কাপ পানিতে গুড় গুলে নিন।

৫. গুড় ও তেঁতুল এক সঙ্গে মেশান।

৬. এবার পরিমাণমত লবণ ও বিট লবণ দিয়ে ভালো করে মিশিয়ে নিন।

৭. বাকি এক কাপ ঠান্ডা পানি দিয়ে মিশিয়ে দিন।

৮. গ্লাসে ঢেলে লেবুর স্লাইস দিয়ে সাজিয়ে পরিবেশন করুন মজাদার টক মিষ্টি লেবুর সরবত।