টিকায় সৃষ্ট অ্যান্টিবডি কমে গেলে যে সমাধান

টিবিটি টিবিটি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশিত: ৯:২৬ অপরাহ্ণ, জুলাই ২৭, ২০২১ | আপডেট: ৯:২৬:অপরাহ্ণ, জুলাই ২৭, ২০২১

চীনের সিনোভ্যাক-বায়োটেকের করোনা টিকার দুই ডোজ নিলে যে অ্যান্টিবডি সৃষ্টি হয় তা ৬ মাস পর কমে যায়। তবে বুস্টার ডোজ নিলে সেই ঘাটতি পূরণ হতে পারে। ১৮-৫৯ বছর বয়সীদের রক্তের নমুনা পরীক্ষা করে এমনটা জানিয়েছেন বিজ্ঞানীরা।

সম্প্রতি পরিচালিত এই গবেষণার ফলাফল এখনও অন্য বিজ্ঞানীরা পর্যালোচনা করেননি। গবেষণাটি যৌথভাবে পরিচালনা করেছে চীনের জিয়াংশু প্রদেশের কর্তৃপক্ষ এবং সিনোভ্যাক ও দেশটির গবেষণা সংস্থা। এ নিয়ে বিস্তারিত প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স।

রোববার প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে গবেষণাপত্রে দলটি ১৮ থেকে ৫৯ বছর বয়সী ব্যক্তিদের রক্ত পরীক্ষা করে করোনাভাইরাসের অ্যান্টিবডি পাওয়ার কথা জানিয়েছে।

এই গবেষণায় যারা অংশগ্রহণ করেছেন তাদের মধ্যে দুই ডোজ টিকা গ্রহণকারীদের অ্যান্টিবডি পাওয়া গেছে ১৬ শতাংশ থেকে ৩৫ শতাংশের কিছু বেশি। কিন্ত ছয় মাস পর ৫৪০ জন তৃতীয় বুস্টার ডোজ গ্রহণ করার পর তাদের নতুন ধরনের বিরুদ্ধে অ্যান্টিবডি তৈরির মাত্রা আগের চেয়ে অনেক বেশি।

চায়নিজ সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভনশনের সাবেক উপ-পরিচালক ফেং জিয়াং সম্প্রতি চীনের রাষ্ট্রায়ত্ত্ব সেন্ট্রাল টেলিভিশনে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেন, চীনে তৈরি দুটি টিকা ডেল্টা ধরনের বিরুদ্ধে ‘কম কার্যকর’। তিনি টিকা দুটির নাম উল্লেখ করেননি।

তবে তিনি জানিয়েছেন, ওই টিকা দুটি ‘মৃত করোনাভাইরাস’ থেকে তৈরি ‘ইনঅ্যাক্টিভেটেড ভ্যাকসিন’ এর ধরনে পড়েছে।

এ ধরনের টিকায় পরীক্ষাগারে ভাইরাস বা ব্যাকটেরিয়া তৈরি করে সেটাকে মেরে ফেলার পর টিকায় ব্যবহার করা হয়। এর মাধ্যমে ওই ভাইরাস কিংবা ব্যাকটেরিয়ার বিরুদ্ধে শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি হয়।

চীনে গণটিকাদান কর্মসূচিতে ব্যবহার করা দেশটির তৈরি সাতটি টিকার মধ্যে পাঁচটি ‘ইনঅ্যাক্টিভেটেড ভ্যাকসিন’। এর মধ্যে সিনোভ্যাক বায়োটেক এবং সিনোফার্মের টিকাও রয়েছে।

সিনোভ্যাক লাইফ সায়েন্সেস কোম্পানির তৈরি করোনাভাইরাসের টিকা তৃতীয় ধাপের ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালে ৫১ শতাংশ থেকে ৮৪ শতাংশ পর্যন্ত কার্যকর বলে দেখা গিয়েছিল।