ডাল মে কুচ তো কালা হ্যায়, কোটা প্রসঙ্গে কাদের

প্রকাশিত: ৯:১৩ অপরাহ্ণ, অক্টোবর ৪, ২০১৮ | আপডেট: ১০:২৪:অপরাহ্ণ, অক্টোবর ৪, ২০১৮
সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। ফাইল ছবি

৪ঠা অক্টোবর, বৃহস্পতিবার রাজধানীর ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে দুরারোগ্য রোগে আক্রান্ত শিক্ষার্থী লিখনকে দেখতে গেলে অপেক্ষমান সাংবাদিকদের কোটা নিয়ে আন্দোলন সংক্রান্ত এক প্রশ্নের জবাবে ওবায়দুল কাদের এমন মন্তব্য করেন।

মুক্তিযোদ্ধাদের সবচেয়ে বেশি ক্ষতি করেছে বিএনপি, আর এখন তারা মুক্তিযোদ্ধা কোটার পক্ষে কথা বলার অর্থ হলো ‘ডাল মে কুচ তো কালা হ্যায়’ বলে মন্তব্য করেছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী।

কোটার পক্ষে আন্দোলন সম্পর্কে জানতে চাইলে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘আন্দোলনকারীদের দাবি-দাওয়া কী আগে তা দেখা যাক। তারপর এ বিষয়ে কথা বলা যাবে।’

ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য বঙ্গবন্ধুর কন্যা যা করেছেন তা আর কেউ করেননি। মুক্তিযোদ্ধাদের বিষয়ে কারও কোনো দাবি জানাতে হবে না। তবে কোনো বিষয় ন্যায়সংগত ও বাস্তবসম্মত হলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অবশ্যই তা দেখবেন।’

কাদের বলেন, ‘মানুষের দুর্ভোগ হয় এমন কর্মসূচি তারা কখনো করবেন না, তারা উঠে যাবে। তারা কারও উসকানিতে পা দেবে না।’

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নামে পদ্মাসেতুর নামকরণের বিষয়ে জানতে চাইলে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী বিশ্বব্যাংকের সহায়তা ছাড়াই নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মাসেতু নির্মাণের যে চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করেছিলেন সে জন্য সংসদ সদস্য, বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ ও সাংস্কৃতিক সংগঠকরা তার নামে এই সেতুর নামকরণ করার দাবি জানিয়ে আসছিলেন। এই প্রেক্ষিতে মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে এই সেতুর নাম ‘শেখ হাসিনা পদ্মাসেতু’ করার প্রস্তাব করে সারসংক্ষেপ প্রধানমন্ত্রীর কাছে পাঠানো হলে তিনি সেই প্রস্তাব নাকচ করে দেন।’

‘প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধুর পরিবারের কোনো সদস্যের নামে এ সেতুর নামকরণ করা হোক তা চাননি। তাই তিনি নদীর নামেই এ সেতুর নাম পদ্মাসেতু করার সিদ্ধান্ত দিয়েছেন।’ বলেন কাদের।

লিখনকে দেখতে ঢামেকে সেতুমন্ত্রী

ওবায়দুল কাদের ঢাকা মেডিকেলে চিকিৎসাধীন লিখনের বিষয়ে বলেন, ‘ছেলেটি দীর্ঘদিন ধরে বিরল রোগে আক্রান্ত। এ পর্যন্ত ৩১ বার তার হাড় ভেঙ্গে গেছে। গত বছর সংবাদপত্রে এ ছেলেটির বিষয়ে জানার পর তার চিকিৎসার ভার তিনি নিজে গ্রহণ করেছেন। একবার তার অস্ত্রোপচার হয়েছে। আবারও হবে। এ রোগের চিকিৎসা একটু ব্যয় বহুল।’

এ সময় মন্ত্রী বান্দরবানের থানচির একটি শিশু এবং ইডেন বিশ্ববিদ্যালয় কলেজে এক পঙ্গু শিক্ষার্থীর চিকিৎসার ব্যয়ভার বহনের কথাও জানান।