ডিজিটাল সামগ্রী পাবে যেসব প্রাথমিক বিদ্যালয়

টিবিটি টিবিটি

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ৬:৪৮ অপরাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ১৪, ২০১৯ | আপডেট: ৬:৪৮:অপরাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ১৪, ২০১৯
গণশিক্ষা সচিব আকরাম-আল-হোসেন। ফাইল ছবি

চতুর্থ প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন প্রকল্পের (পিইডিপি-৪) আওতায় মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুমের জন্য ২৬ হাজার ল্যাপটপ কেনা হচ্ছে। সঙ্গে থাকছে ২৬ হাজার সাউন্ড সিস্টেম ও ২৬ হাজার প্রজেক্টর। এজন্য ৩৩৮ কোটি টাকার সংস্থান আছে।

এ কার্যক্রম বাস্তবায়নের জন্য ‘কম্পিউটার অ্যান্ড এক্সেসরিজ স্কুল’ কর্মসূচির অধীনে প্রাথমিক সব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বিতরণের জন্য কম্পিউটার, মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টর ও সাউন্ড সিস্টেম ক্রয় করা হচ্ছে। ল্যাপটপ বিতরণের ক্ষেত্রে পঞ্চম শ্রেণীর সমাপনী পরীক্ষার ফলাফল, যে সব বিদ্যালয়ে বিদ্যুৎ সংযোগ আছে এবং আইসিটি প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত শিক্ষক রয়েছে সে সব বিদ্যালয়কে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে।

দেশে বর্তমানে ৬৫ হাজার ৫৯৩টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে। এর মধ্যে ৫৮ হাজার ৫০০টি বিদ্যালয়ে মাল্টিমিডিয়া ক্লাস রুম চালু আছে।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে (ডিপিএম) এসব সামগ্রী কিনতে আগ্রহী। এ লক্ষ্যে গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে যোগাযোগও করছে। এদিকে উন্মুক্ত দরপত্র পদ্ধতিতে (ওটিএম) কেনাকাটায় আগ্রহী বেসরকারি সরবরাহকারীরা। এ নিয়ে বেসরকারি সরবরাহকারীরা কয়েক দফা মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীকে লিখিতও দিয়েছেন।

জানতে চাইলে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা সচিব মো. আকরাম-আল-হোসেন বলেন, এবার সরকারি প্রতিষ্ঠানকে অগ্রাধিকার দেয়ার চিন্তা আছে। কেননা, কোনো সামগ্রীই আমাদের দেশে তৈরি হয় না। সরকারি-বেসরকারি উভয় প্রতিষ্ঠানই আমদানি করেই পণ্য সরবরাহ করে। তাছাড়া কেনাকাটায় সরকারি প্রতিষ্ঠানকে অগ্রাধিকার দেয়ার ব্যাপারে প্রধানমন্ত্রীর অনুশাসন আছে। ফলে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সচিবের সঙ্গে আলোচনা করে কেনাকাটার প্রাথমিক সিদ্ধান্ত হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদন পেলেই প্রক্রিয়া শুরু হবে।

প্রকল্প বাস্তবায়নকারী ও ডিপিই মহাপরিচালক ড. এএফএম মনজুর কাদির বলেন, এখন পর্যন্ত ওটিএম পদ্ধতিতে কেনাকাটার সিদ্ধান্ত হয়েছে। তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দেবে মন্ত্রণালয়।