ড. কামালের সামর্থ্য আমাদের থেকে কেউ ভালো জানে না:বাণিজ্যমন্ত্রী

টিবিটি টিবিটি

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ৩:৩৬ অপরাহ্ণ, অক্টোবর ১৯, ২০১৮ | আপডেট: ৩:৩৬:অপরাহ্ণ, অক্টোবর ১৯, ২০১৮
ছবিঃ সংগৃহিত

টিবিটি রাজনীতিঃঐক্যফ্রন্টের আহ্বায়ক ড. কামাল হোসেনের সামর্থ্য নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ। বলেছেন, ড. কামালের সামর্থ্য আমাদের থেকে কেউ ভালো জানে না। যত দফায় দেয়া হোক না কেন, যত কূটনৈতিকদের সঙ্গে বৈঠক হোক না কেন আমরা আমাদের লক্ষ্যে পৌঁছাব।

শুক্রবার রাজধানীর ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটি বসুন্ধরায় (আইসিসিবি) কোরিয়া-বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (কেবিসিসিআই) আয়োজিত ‘শো-কেস কোরিয়া’ শীর্ষক মেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন মন্ত্রী।

‘বিএনপির একটা খারপ সময় যাচ্ছে, ড. কামাল হোসেন দায়িত্ব নিয়েছেন এটা থেকে তাদের উদ্ধার করার’ উল্লেখ করে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ‘ড. কামাল হোসেনের কী সামর্থ্য আছে এটা আমাদের থেকে কেউ ভালো জানে না।

আমাদের সৌভাগ্য হয়েছিল বঙ্গবন্ধুর ছেড়ে দেয়া আসনে তাকে বিজয়ী করে সংসদ সদস্য করা, বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায়। আমাদের সৌভাগ্য হয়েছিল তাকে মনোনয়ন দেয়ার, ১৯৮৬ ও ১৯৯১ সালে তিনি পরাজিত হয়েছিলেন।’

তিনি বলেন, ‘২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার কুশিলবের ফাঁসির হুকুম হয়েছে। তারেক জিয়ার যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হয়েছে। তাদের সঙ্গে আমাদের দেশের কিছু নীতিবান লোক, যারা নীতির কথা বলেন তারা যুক্ত হয়েছে। গণতন্ত্র মানে কি ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা? গ

ণতন্ত্র মানে কি ২০১৪ সালের নির্বাচন বানছাল করার জন্য মায়ের কোল খালি করা, পেট্রল বোমা মারা? এ কাজে যুক্ত হয়েছে কিছু লোক। দুর্ভাগ্যজনক হলেও তাদের নেতৃত্ব দিচ্ছেন ড. কামাল হোসেন।’

‘এ সরকারের অধীনে নির্বাচন কমিশন ঘোষিত তারিখ অনুযায়ী আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন হবে’উল্লেখ করে তোফায়েল বলেন, ‘নির্বাচন কমিশন নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করেন, এটা তাদের এখতিয়ার। নির্বাচনকালীন সরকারে থাকবে বর্তমান সরকার প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে। সুতরাং প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে এ সরকারের আমলে নির্বাচন কমিশন ঘোষিত তারিখ অনুসারে নির্বাচন হবে।’

‘তারা (ঐক্যফ্রন্ট) যে সাত দফা দাবি দিয়েছে। এগুলো সংবিধান পরিপন্থী দফা। একটা দফাও গ্রহণযোগ্য না। নির্বাচন হবে যথা সময়ে’ বলে জানান সরকারের এই মন্ত্রী।

পদ্মা সেতুর প্রসঙ্গ তুলে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ‘কেউ ভাবে নাই আমাদের নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মা সেতু করতে পারব। আমাদের দেশেরই কোনো ব্যক্তি ষড়যন্ত্র করে বিশ্বব্যাংকের অর্থায়ন বন্ধ করে দেয়। দুর্নীতির অভিযোগ উত্থাপন করা হয়।

কিন্তু কানাডার আদালতে প্রমাণ হয় কোনো দুর্নীতি হয়নি। সেদিন প্রধানমন্ত্রী সংসদে দাঁড়িয়ে বলেছিলেন, আমি আমার অর্থায়নে পদ্মা সেতু করব। ১৪ অক্টোবর প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আমরা পদ্মা সেতু দেখতে গিয়েছিলাম। ৬০ শতাংশ কাজ ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে। এখন পদ্মা সেতু দৃশ্যমান।’

কেবিসিসিআইর প্রেসিডেন্ট মোস্তফা কামালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন দক্ষিণ কোরিয়ার রাষ্ট্রদূত হু ক্যাং-ইল। সম্মানিত অতিথি ছিলেন ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআইর সভাপতি শফিউল ইসলাম মহিউদ্দীন।