ঢাবির ‘ঘ’ ইউনিটের ফলাফল বিতর্ক নিয়ে ৬ বিষয়ে ব্যাখ্যা

টিবিটি টিবিটি

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ৯:৫৮ পূর্বাহ্ণ, অক্টোবর ২২, ২০১৮ | আপডেট: ৯:৫৮:পূর্বাহ্ণ, অক্টোবর ২২, ২০১৮
ফাইল ছবি

গত ১৬ অক্টোবর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ‘ঘ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশের বিষয়ে গণমাধ্যমে একটি বক্তব্য পাঠিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।বিশ্ববিদ্যালয়ের গণসংযোগ দফতরের ভারপ্রাপ্ত পরিচালকের পক্ষে রবিবার ওই সংবাদ বিজ্ঞপ্তিটি পাঠায় ঢাবি।

এতে গত ‘ঘ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও জনমনে সৃষ্ট কতিপয় সংশয় ও বিতর্ক নিরসনের লক্ষ্যে ছয়টি বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের ব্যাখ্যা তুলে ধরা হয়েছে।

বিষয় ছয়টি হলো-

১. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য কর্তৃক ভর্তি পরীক্ষার ফলাফল ঘোষণা একটি প্রথাসিদ্ধরীতি। ভর্তি পরীক্ষার প্রধান সমন্বয়কারী সংশ্লিষ্ট ডিন কর্তৃক সকল কার্যাবলী শেষে প্রস্তুত করা ফলাফল উপাচার্যকে হস্তান্তর করে থাকে। পরে ‘কেন্দ্রীয় অনলাইন ভর্তি কমিটি’ সেটি নিরীক্ষা করে। এরপর উপাচার্য সংশ্লিষ্টদের নিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে ফলাফল ঘোষণা করেন মাত্র। ‘ঘ’ ইউনিটের ক্ষেত্রেও তাই হয়েছে।

২. ‘ঘ’ ইউনিটের ক্ষেত্রে যেহেতু প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগ উত্থাপিত হয়েছে তাই উপাচার্য অবিলম্বে প্রো-উপাচার্যকে (প্রশাসন) আহ্বায়ক করে তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেন। কমিটির প্রতিবেদন ১৫ অক্টোবর হস্তান্তর করা হয়। প্রতিবেদন পাওয়ার পর প্রতিবেদনে পরিবেশিত ‘পর্যবেক্ষণ ও বিশ্লেষণ’ এবং ‘সুপারিশ’ মোতাবেক ১৬ অক্টোবর বিকাল সাড়ে তিনটায় ফলাফল ঘোষণা করা হয়।

৩. প্রশ্ন ফাঁসের অভিযোগ পাওয়ার পর সত্য উদঘাটন ও দোষীদের আইনের আওতায় আনার লক্ষ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র, সাংবাদিক ও গোয়েন্দা সংস্থার সহযোগিতা নিয়ে সুনির্দিষ্ট অভিযুক্ত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য শাহবাগ থানায় ১৩ অক্টোবর মামলা করা হয়। ইতোমধ্যে ছয়জনকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে।

৪. ১৬ অক্টোবর ফলাফল ঘোষণার সময় আরও বলা হয়, ‘ঘ’ ইউনিটের প্রধান সমন্বয়কারী ডিন ভর্তি কার্যক্রম গ্রহণের শুরুতে ফলাফল নিরীক্ষা, বিশ্লেষণ ও পর্যালোচনা করবেন। কোন ব্যত্যয় বা অসঙ্গতি দেখা দিলে ব্যবস্থা নিবেন এবং বড় কোনও সিদ্ধান্তের প্রয়োজনে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের কাছে সুপারিশ করলে সে আলোকে পরবর্তী সিদ্ধান্ত গৃহীত হবে।

৫. বস্তুত ক্রমিক ৪ -এ বর্ণিত প্রক্রিয়াটি শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য যখন একটি আন্তর্জাতিক সেমিনারে তুরস্কে অবস্থান করছেন তখন অনাকাঙ্খিত সংশয় ও বিতর্কের উদ্ভব ঘটলো।

৬. অভিযোগের বিষয়ে প্রকৃত সত্য উদঘাটন, দোষীদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনাসহ আইনসঙ্গত ও যথোপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করতে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ পুনরায় তার আন্তরিক সদিচ্ছা ব্যক্ত করছে। এ ব্যাপারে সকলের সদয় সহযোগিতা কাম্য।