তফসিল ঘোষণার বিষয়টি নিয়ে ফের ভাববে ইসি

টিবিটি টিবিটি

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ৭:০৮ অপরাহ্ণ, নভেম্বর ৫, ২০১৮ | আপডেট: ৭:০৯:অপরাহ্ণ, নভেম্বর ৫, ২০১৮
ছবি: সংগৃহীত

আগামী ৮ তারিখে নির্বাচনে তফসিল ঘোষণার বিষয়টি নির্বাচন কমিশন দ্বিতীয়বার ভাববে বলে আশা প্রকাশ করেছেন ঐক্যফ্রন্টের নেতারা।

সোমবার নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে বৈঠকের পর এই আশাবাদ ব্যক্ত করেন ঐক্যফ্রন্টের নেতা আ স ম আব্দুর রব।

গত ৩ নভেম্বর ঐক্যফ্রন্টের একটি প্রতিনিধি দল সিইসির কাছে একটি স্মারকলিপি দেয়। সেখানে সংলাপ শেষ না হওয়া পর্যন্ত একাদশ জাতীয় নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা না করার আহ্বান জানানো হয়। কিন্তু তার পরও গতকাল ৪ নভেম্বর নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয় আগামী ৮ নভেম্বর তফসিল ঘোষণা করা হবে। এরপরই আজ বিকেল ৪টায় জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের সভাপতি (জেএসডি) আ স ম রবের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল আলোচনার জন্য নির্বাচন কমিশনে যায়।

এদিকে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের সভাপতি আ স ম রবের নেতৃত্বে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না, গণফোরামের প্রেসিডিয়াম সদস্য অ্যাডভোকেট সুব্রত চৌধুরী, জেএসডির সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মালেক রতন, বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান বরকত উল্লাহ বুলু, গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের ট্রাস্টি জাফরুল্লাহ চৌধুরী, ঐক্যফ্রন্ট নেতা সুলতান মনসুর, নঈম জাহাঙ্গীর।

বৈঠকে নির্বাচন কমিশনের সক্ষমতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেন ঐক্যফ্রন্টের নেতারা। এই কমিশনের মাধ্যমে সুষ্ঠু নির্বাচন কিভাবে সম্ভব তা নিয়েও প্রশ্ন করেছেন তারা। বৈঠকে সুলতান মনসুর বলেন, নির্বাচনের আগের দিন পুলিশ বিরোধী দলের এজেন্টদের আটক করে নিয়ে যাচ্ছে। ইসি কিছু করতে পারেনি। ফলে আপনাদের দিয়ে কীভাবে সুষ্ঠু নির্বাচন হবে?

বৈঠকে নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না বলেন, এই নির্বাচন কমিশনের প্রতি মানুষের আস্থা নেই। মান্নার এমন মন্তব্যের জবাবে নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) শাহাদাত হোসেন চৌধুরী বলেন, রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতি মানুষের আস্থা নেই।

নির্বাচনে ইলেকট্রিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) ব্যবহার বিষয়ে তিনি বলেন, ইভিএমে কারচুপির কোন সুযোগ নেই, এটা পরীক্ষিত। জবাবে মান্না বলেন, ‘কারচুপির সুয়োগ রয়েছে।’

নির্বাচন কমিশনের উদ্দেশ্যে আ স ম রব বলেন, নির্বাচনকালীন সময়ে আপনারা সরকারের একটি প্রতিষ্ঠানকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারেননি। রাজশাহী সিটি করপোরেশন নির্বাচনে একটি কেন্দ্রে দেড় হাজার ব্যালট পেপার কম পড়ে। সেখানে আপনারা ব্যালট পেপার সরবরাহ করতে পারেননি।