দুর্বল হয়ে পড়ছেন আখতার, সংহতি মিলছে সবার

টিবিটি টিবিটি

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ৩:৫৭ অপরাহ্ণ, অক্টোবর ১৮, ২০১৮ | আপডেট: ৩:৫৭:অপরাহ্ণ, অক্টোবর ১৮, ২০১৮

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষে ‘প্রশ্নফাঁস হওয়া’ ‘ঘ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা বাতিল করে পুনরায় নেয়ার দাবিতে আমরণ অনশনরত আইন বিভাগের শিক্ষার্থী আখতার হোসেন অনেকটা দুর্বল হয়ে পড়েছেন। অন্যদিকে তার সঙ্গে সংহতি প্রকাশ করে মানববন্ধন করছেন নিজ বিভাগর শিক্ষার্থী ও কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীরা।

বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০টায় আইন বিভাগের প্রায় শতাধিক শিক্ষার্থী এ মানববন্ধনে অংশ নেন। সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনরত বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের নেতাকর্মীরা মানববন্ধন ও বিক্ষোভ করেন।

মানববন্ধনে অংশ নেয়া আইন বিভাগের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী সাব্বির হোসাইন সিফাত বলেন, আমরা আমাদের বন্ধু আখতারের পাশে দাঁড়িয়েছি। তার চার দফা দাবির বাস্তবায়ন চাই।
দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী মশিউর রহমান বলেন, এর আগে যারা জালিয়াতি করে ভর্তি হয়েছে তাদের সাথে আমরা ক্লাস করব না। ‘ঘ’ ইউনিটের পরীক্ষা বাতিল করা না হলে আমরা ক্লাস-পরীক্ষা বর্জনের কর্মসূচি ঘোষণা করতে পারি।

মানববন্ধন শেষে শিক্ষার্থীরা একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করেন। মিছিলটি ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে। এরপরই একই দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ করে বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদ। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থীরাও অংশ নেন।

এদিকে গত তিনদিন ধরে আমরণ অনশনে থাকা আখতার শারীরিকভাবে অনেকটা দুর্বল হয়ে পড়েছেন। গতরাত (বুধবার দিনগত রাত) থেকে তিনি কোনো কথা বলছেন না। বন্ধুরা তাকে সেলাইন দিয়ে রেখেছেন।

এদিকে সকালে অনশনরত শিক্ষার্থী আখতার হোসেনকে দেখতে গিয়েছিলেন ঢাবির আইন বিভাগের অধ্যাপক ড. আসিফ নজরুল। এ সময় তিনি বলেন, প্রশ্নফাঁস হওয়ার প্রতিবাদে একটা ছেলে বসে আছে, আমরা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা কতটা অসংবেদনশীল হয়ে গেছি যে, তাকে দেখতে পর্যন্ত কেউ আসেনি। এর চেয়ে দুর্ভাগ্যজনক আর কী হতে পারে?

ঢাবির ‘ঘ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় প্রশ্নফাঁসের অভিযোগ ওঠার পর থেকে আখতার হোসেন চারটি দাবিতে এ আমরণ অনশন শুরু করেন। দাবিগুলো হলো- ‘ঘ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা বাতিল, পুনরায় পরীক্ষা নেয়া, জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ ও বিগত বছরে যারা জালিয়াতি করে ভর্তি হয়েছে তাদের চিহ্নিত করে বহিষ্কার করা।