দেলদুয়ারে বাড়ছে কেঁচো কম্পোস্ট সারের ব্যবহার

প্রকাশিত: ১:৪৩ অপরাহ্ণ, জানুয়ারি ৮, ২০১৯ | আপডেট: ১:৪৩:অপরাহ্ণ, জানুয়ারি ৮, ২০১৯
দেলদুয়ারে বাড়ছে কেঁচো কম্পোস্ট সারের ব্যবহার।ছবি:টিবিটি

খালিদ হোসেন ছিদ্দিকী ,দেলদুয়ার (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি : টঙ্গাইলের দেলদুয়ারে কৃষি জমিতে দিন দিন বাড়ছে জৈব বা কেঁচো কম্পোস্ট সারের ব্যবহার । বর্তমানে কৃষকরা অনেকটাই সচেতন হয়ে ওঠেছে। রাসায়নিক সার ব্যবহার করে উৎপাদিত ফসল ও খাবার খেয়ে মানুষের দেহে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ধীরে ধীরে কমে যাচ্ছে ।

তবে সুস্থ থাকতে হলে প্রয়োজন নিরাপদ খাদ্যের। সে দিক থেকে বিষমুক্ত খাদ্য উৎপাদনে জৈব সারের বিকল্প নেই । রাসায়নিক সারের তুলনায় জৈব সার ব্যবহারে ফসলের উৎপাদন ভাল হয় । তাছাড়া অর্থেরও সাশ্রয় হয়। সে কারনে কৃষকরা রাসায়নিক সারের পরিবর্তে কৃষি জমিতে জৈব বা কেঁচো কম্পোস্ট সার ব্যবহার করছেন ।

এর আগে উপজেলা কৃষি বিভাগ রাসায়নিক সারের পরিবর্তে জৈব সারের ব্যবহার বাড়ানোর উদ্যাগ গ্রহণ করেন । সে লক্ষ্যে উপজেলার ২০ জন কৃষককে কেঁচো কম্পোস্ট সার তৈরির প্রশিক্ষণ দেওয়া হয় । জমিতে কেঁচো কম্পোস্ট সার ব্যবহার করে তারা সাফল্য পেয়েছেন । তাদের সাফল্য দেখে উপজেলার অন্য কৃষকরাও তাদের জমিতে জৈব সার ব্যবহার করতে শুরু করে দিয়েছেন ।

এতে উৎপাদনও তুলনামূলকভাবে বেশি হচ্ছে। ফলে রাসায়নিক সারের পরিবর্তে বাড়ছে জৈব সার বা কেঁচো কম্পোস্ট সারের ব্যবহার । উপজেলার আটিয়া ইউনিয়নের আর্দশ কৃষাণী রিনা বেগম জানান, প্রশিক্ষণ গ্রহণের পর তিনি কেঁচো কম্পোস্ট সার ব্যবহার করে সবজি চাষ করে। এতে তার জমিতে ফলন ভাল হয়।

বর্তমানে তার সবজির চাহিদা বাজারে দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। সুনাম অর্জনের পাশাপাশি তিনি এখন ভাল মুনাফা অর্জন করেছেন । এখন রিনা বেগমের মতো অনেকেই জমিতে কোঁচো কম্পোস্ট সার ব্যবহার করছেন বলে জানা যায়।

দেলদুয়ার উপজেলা কৃষি অফিসার শোয়েব মাহমুদ জানান, কেঁচো কম্পোস্ট বা জৈব সার ব্যবহার করলে ফলন ভাল হয় এবং বেশি মুনাফা অর্জন করা যায়। তাছাড়া মাটির গুনাগুন ভালো থাকে এবং মাটির উর্বরাশক্তিও বৃদ্ধি পায়। এ উপজেলায় জমিতে জৈব সারের ব্যবহার বাড়ানোর ক্ষেত্রে উপজেলা কৃষি বিভাগ কাজ করে যাচ্ছে ।