নবীজীর বিরুদ্ধে কিছু বললেই ব্যবস্থা: প্রধানমন্ত্রী

টিবিটি টিবিটি

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ২:২৬ অপরাহ্ণ, নভেম্বর ৪, ২০১৮ | আপডেট: ২:২৬:অপরাহ্ণ, নভেম্বর ৪, ২০১৮
সংগৃহীত

নবীজীর (স) বিরুদ্ধে কেউ কিছু বললেই ব্যবস্থা নেয়া হবে। কাউকে ছাড় দেয়া হবে না। বললেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। রোববার রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আয়োজিত ‘শুকরানা মাহফিলে’ তিনি এসব কথা বলেন।





যারা দিন ইসলামের খিদমত করে, তাদের মাঝে উপস্থিত হতে পেরে সৌভাগ্যের বিষয় মনে করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বলেছেন, ‘আমাকে যখন সংবর্ধনার কথা বলা হয়, তখন আমি বলি আমাকে না, এটা হবে আল্লাহকে শুকরিয়া আদায়। কারণ ইসলাম ধর্ম হচ্ছে শান্তির ধর্ম। ইসলাম মানুষকে শান্তির পথ দেখায়। দ্বীন ইসলামের শিক্ষাদানকারীরা কেন অবহেলিত থাকবে? তাদেরকে কখনও অবহেলিত থাকতে দেওয়া যায় না।’

রবিবার রাজধানীর ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ‘আল-হাইয়াতুল উলিয়া লিল জামিআাতিল কওমিয়া বাংলাদেশ’ আয়োজিত ‘শুকরানা মাহফিলে’ প্রধান অতিথির বক্তৃতাকালে তিনি এ কথা জানান।





কওমি মাদ্রাসা শিক্ষার সর্বোচ্চ স্তর দাওরায়ে হাদিসকে সাধারণ শিক্ষার স্নাতকোত্তরের স্বীকৃতি দেওয়ায় এ মাহফিলের আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীকে সম্মাননা জানানোর আগে তাকে ‘কওমি জননী’ উপাধি দেন কওমি মাদ্রাসাগুলোর সর্বোচ্চ সংস্থা ‘আল-হাইয়াতুল উলিয়া লিল জামিআাতিল কওমিয়া বাংলাদেশ’র সদস্য মাওলানা মুফতি রুহুল আমিন।





পরে বক্তৃতা শুরু করেই মাদ্রাসা শিক্ষার উন্নয়ন ও আলেম-ওলামাদের জন্য জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের বিভিন্ন কার্যক্রমের কথা তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। সাধারণ শিক্ষার মতোই স্বীকৃতিপ্রাপ্ত কওমি শিক্ষার্থীদের দেশ ও জাতির কল্যাণে কাজ করার আহ্বানও জানান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

বঙ্গবন্ধু কন্যা বলেন, ‘ধর্মীয় শিক্ষা সংযুক্ত হলেই একটি দেশের শিক্ষা ব্যবস্থা পূর্ণাঙ্গ হয়। আর কেউ যেন কওমি স্বীকৃতি বাতিল করতে না পারে সেজন্য এই আইন (স্নাতকোত্তর স্বীকৃতি) করা হয়েছে।’