নারীদের পোশাক নিয়ে ‘খবরদারি’র বিরুদ্ধে জার্মান অ্যাথলিটদের প্রতিবাদ

টিবিটি টিবিটি

স্পোর্টস ডেস্ক

প্রকাশিত: ৫:৩৭ অপরাহ্ণ, জুলাই ২৭, ২০২১ | আপডেট: ৫:৩৭:অপরাহ্ণ, জুলাই ২৭, ২০২১

“পোশাক সংক্রান্ত আইনে পরিবর্তন আনতে আমরা একসাথে লড়বো – যাতে খেলোয়াড়রা যে যেমন পোশাকে স্বচ্ছন্দ বোধ করে – তা পরে খেলতে পারে।”

এই বিবৃতিটি দেয়া হয়েছিল নরওয়েজিয়ান হ্যাণ্ডবল ফেডারেশনের (এনএইচএফ) পক্ষ থেকে।

এর কারণ, দেশটির নারী বিচ ভলিবল দলকে ১,৫০০ ইউরো জরিমানা করেছিল ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপ কর্তৃপক্ষ।

কী ছিল তাদের অপরাধ? কারণ তাদের নারী খেলোয়াড়রা বিকিনি বটম বা বিকিনির নিচের অংশের মত দেখতে শর্টস পরতে অস্বীকার করেছিলেন।

কিন্তু আগের দিনই ওই একই প্রতিযোগিতায় একজন নারী প্যারা-এ্যাথলিটকে বলা হয়েছিল তার নিম্নাঙ্গের পোশাক “খুব বেশি ছোট এবং শরীর-দেখানো।”

দুর্ভাগ্যজনকভাবে, নারী এ্যাথলেটরা ( বা সাধারণভাবে নারীরা) কি পরবে-না-পরবে তা নিয়ে এ ধরনের খবরদারি নতুন কিছুই নয়।

তবে এবারের অলিম্পিক গেমসে নারীর আবেদনময়ী পোশাকের বিরুদ্ধে অভিনব কায়দায় প্রতিবাদ করেছেন জার্মানের নারী খেলোয়াড়রা।

অলিম্পিকে জিমন্যাস্টিকসহ কয়েকটি ইভেন্টে নারী অ্যাথলেটদের আঁটোসাঁটো পোশাক পরেই পারফর্ম করতে হয়। প্রচলিত এই রীতির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাল জার্মানের নারী জিমন্যাস্টিক দল।

জাপানের রাজধানী টোকিওতে চলমান অলিম্পিক গেমসে জার্মানের নারী অ্যাথলেটরা যে পোশাক পরে পারফর্ম করেছেন সেই পোশাকটি ছিল পায়ের গোড়ালি পর্যন্ত। অলিম্পিকে নারীদের যৌন আবেদনময়ী পোশাকের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতেই এমন পোশাক পরেন তারা।

এর আগে চলতি বছরের এপ্রিলে ইউরোপীয় আর্টিস্টিক জিমন্যাস্টিকেও এমন পোশাক পরে পারফর্ম করে প্রতিবাদ করেছিলেন জার্মানির নারী অ্যাথলেটরা।

জার্মান দলের ২১ বছর বয়সী খেলোয়াড় সারা ভোস জানিয়েছেন, এই পোশাক অলিম্পিকে পরার ব্যাপারে আমাদের আগে থেকে কোনো পরিকল্পনা ছিল না। গেমসে নামার আগে আমরা সবাই এক সঙ্গে বসে এই বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেই।