নিজ দলের নেতাকর্মীদের হাতে কোপ খেলেন ছাত্রলীগের যুগ্ম সম্পাদক!

টিবিটি টিবিটি

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ৪:৩৭ অপরাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ৪, ২০১৮ | আপডেট: ৪:৩৭:অপরাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ৪, ২০১৮

টিবিটি দেশজুড়েঃ বগুড়ার ধুনট উপজেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম সম্পাদক সজীব ইসলামকে (২০) একই দলের নেতাকর্মীরা কুপিয়ে জখম করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। আজ মঙ্গলবার দুপুর ১২টার দিকে ধুনট এনইউ পাইলট মডেল উচ্চবিদ্যালয় খেলার মাঠে এ ঘটনা ঘটে।

আহত সজীব ইসলামকে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। সজীব ধুনট সদরপাড়া গ্রামের শাহ আলীর ছেলে এবং ধুনট সরকারি ডিগ্রি কলেজের দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে মঙ্গলবার সকালের দিকে ধুনট সরকারি ডিগ্রি কলেজ প্রাঙ্গণে সজীবের সঙ্গে ছাত্রলীগ কর্মী হীরা ও হুজাইফার হাতাহাতির ঘটনা ঘটে।

আজ দুপুর ১২টার দিকে সজীব ধুনট এনইউ পাইলট উচ্চবিদ্যালয় মাঠে খেলা দেখতে যান। এ সময় ছাত্রলীগ কর্মী হুজাইফা ও হীরার নেতৃত্বে ১০ থেকে ১২ জন লাঠিশোটা দিয়ে সজীবকে মারধর করতে থাকে। এক পর্যায়ে তারা চাপাতি দিয়ে সজীবের মাথায় কুপিয়ে জখম করে।

পরে স্থানীয় লোকজন আহত সজীবকে উদ্ধার করে ধুনট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। পরে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।

এ বিষয়ে ছাত্রলীগ নেতা সজীব ইসলাম বলেন, ‘আজ সকালে ধুনট ডিগ্রি কলেজে বহিরাগত ছাত্র হুজাইফা ও হীরাসহ তাদের লোকজন বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে থাকে। এ সময় তাদেরকে বাধা দিতে গেলে আমার সাথে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে।

এই ঘটনার জের ধরে দুপুরে পৌর ছাত্রলীগের আহবায়ক বিপুল হাসান, উপজেলা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক চপল মাহমুদ, ছাত্রলীগ কর্মী হুজাইফা ও হীরাসহ ১০ থেকে ১২ জন আমাকে লাঠি দিয়ে মারপিটের এক পর্যায়ে আমার মাথায় চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে জখম করে।’

ধুনট উপজেলা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক চপল মাহমুদ ও পৌর ছাত্রলীগের আহ্বায়ক বিপুল হাসান জানান, তারা এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত ছিল না। তাদেরকে রাজনৈতিকভাবে হেয় করতে প্রতিপক্ষরা ষড়যন্ত্র করেছে।

ধুনট উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি জাকারিয়া খন্দকার বলেন, ‘ব্যক্তিগত বিষয় নিয়ে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের মাঝে সহিংস ঘটনা ঘটেছে। সংবাদ পেয়ে আহত ছাত্রলীগ নেতা সজীব ইসলামের চিকিৎসার খোঁজখবর নেওয়া হয়েছে। এ বিষয়টি সমঝোতার চেষ্টা করা হচ্ছে।’

ধুনট থানার বারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খান মোহাম্মদ এরফান বলেন, ‘এ বিষয়ে কেউ অভিযোগ করেনি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’