‘নৌকার যোগ্য মাঝিদের’ চূড়ান্ত তালিকা শেখ হাসিনার টেবিলে

টিবিটি টিবিটি

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ১১:০২ অপরাহ্ণ, নভেম্বর ৪, ২০১৮ | আপডেট: ১১:০২:অপরাহ্ণ, নভেম্বর ৪, ২০১৮
ছবিঃ সংগৃহিত

টিবিটি রাজনীতিঃদলীয় সভানেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার টেবিলে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের এমপি প্রার্থীদের চূড়ান্ত তালিকা । তিনি এ তালিকা প্রস্তুত করেছেন দীর্ঘ যাচাই-বাছাই করেই। তালিকায় স্থান পাননি বিতর্কিত কিছু মন্ত্রিসভার সদস্য ও এমপি। তবে যুক্ত হয়েছেন দীর্ঘদিনের ত্যাগী ও পরীক্ষিত এবং ক্লিন ইমেজের কিছু নতুন মুখ।

‘নৌকার যোগ্য মাঝি’দের তালিকা প্রকাশ করা হবে নির্বাচনী তফসিল ঘোষণার পর পরই । অতীতের মতো এবারও কপাল পুড়বে অনেকের। মহাজোটের প্রধান শরিক জাতীয় পার্টি এবার আওয়ামী লীগের কাছে ১০০ আসন চায়। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, গণভবন ও আওয়ামী লীগের নীতিনির্ধারণী ফোরামের একাধিক সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।





সূত্রমতে, দেশের দুই প্রধান রাজনৈতিক দল ‘বাঁচা-মরা’র লড়াই হিসেবে দেখছেন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ‘জয়-পরাজয়’কে । টানা তৃতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় আসতে নির্বাচনী কৌশল নির্ধারণ ও প্রস্তুতি সম্পন্ন করার পথে ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগ। সে কারণে নির্বাচনী সফর অব্যাহত রেখেছেন দলটির নীতিনির্ধারকরা।

এর পাশাপাশি এবার দলীয় প্রার্থী বাছাইকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে আওয়ামী লীগ। এজন্য ‘জনপ্রিয় ও ক্লিন ইমেজের প্রার্থী’ চূড়ান্ত করা হয়েছে। দলীয় সভানেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নিজস্ব টিম, দলীয় জরিপ, কয়েকটি সরকারি সংস্থার একাধিক জরিপের ভিত্তিতে ৩০০ আসনে প্রার্থিতা চূড়ান্ত করা হয়েছে। এ নামের তালিকা আওয়ামী লীগ সভানেত্রীর ল্যাপটপে।





ইতিমধ্যে প্রধানমন্ত্রীর কাছে ১০০ প্রার্থীর তালিকা দিয়েছে জাতীয় পার্টি। ১৫টি আসন চায় ওয়ার্কার্স পার্টি। জাসদের চাহিদাও গতবারের চেয়ে বেশি। এ ছাড়া জোটের শরিক দল জাতীয় পার্টি-জেপি, তরিকত ফেডারেশন, গণতন্ত্রী পার্টি, ন্যাপসহ জোটের বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ইতিমধ্যে তাদের চাহিদার কথা জানিয়েছে আওয়ামী লীগকে।

তাদের চাহিদা ও মাঠের বাস্তবতা বিবেচনায় রেখেই এবার প্রার্থী দেওয়া হবে। তবে কত আসন দেওয়া হবে তা এখনো চূড়ান্ত হয়নি। বিএনপির নির্বাচনে অংশগ্রহণের ওপর নির্ভর করছে আসন ভাগাভাগির বিষয়টি।





তবে জোট প্রার্থীদের ‘ধরে’ নিয়েই আওয়ামী লীগ প্রার্থী তালিকা চূড়ান্ত করেছে। নির্বাচনী তফসিল ঘোষণার আগেই জোট শরিকদের সঙ্গে বসছেন আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা। ওই বৈঠকে আসন ভাগাভাগি চূড়ান্ত করা না হলেও একটি ধারণা দেওয়া হবে জোট শরিকদের।

আগামীতে কারা নৌকা প্রতীক পাবেন সে তালিকা তার টেবিলে। তফসিল ঘোষণা এবং দলের মনোনয়নপত্র বিতরণ ও জমার পরে প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করা হবে। আওয়ামী লীগ প্রেসিডিয়াম সদস্য লে. কর্নেল (অব.) ফারুক খান বলেন, ‘এক বছর থেকে মনোনয়ন বাছাইয়ের কাজ চলছে। নির্বাচন কমিশনের তফসিল ঘোষণার পর দলীয় প্রার্থীদের তালিকা ঘোষণা করবেন দলের সভানেত্রী শেখ হাসিনা।’