পরীক্ষামূলকভাবে ভোল্টিই চালু করছে রবি

টিবিটি টিবিটি

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ৩:৩০ অপরাহ্ণ, জানুয়ারি ১৫, ২০১৯ | আপডেট: ৩:৩০:অপরাহ্ণ, জানুয়ারি ১৫, ২০১৯
সংগৃহীত

দেশে সবার আগে ভয়েস ওভার এলটিই বা ভোল্টির প্রস্তুতির জানান দিচ্ছে রবি। বুধবার বিকালে মোবাইলে কথা বলার সর্বাধুনিক এই প্রযুক্তির ট্রায়াল দেবে অপারেটরটি। এ জন্য আনুষ্ঠানিক আয়োজনও করেছে তারা।

এই ট্রায়ালে যাবতীয় প্রযুক্তিগত সাপোর্ট দিচ্ছে হুয়াওয়ে।

রাজধানীর গুলশানে রবির প্রধান কার্যালয়ে ওই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি থাকবেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার। এতে বিশেষ অতিথি থাকবেন বিটিআরসির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মো. জহুরুল হক।

তবে এই সেবা গ্রাহকের কাছে আসতে আরও সময় লাগবে। ভোল্টির ইকোসিস্টেম তৈরি না হওয়া পর্যন্ত এই অপেক্ষা। সংশ্লিষ্টরা বলছেন এটি পরীক্ষামূলকভাবে নিয়ে আসার জন্য তিন-চার মাস হতে ছয় মাস পর্যন্ত সময় লাগতে পারে।
Add Image
মূলত ফোরজি বা এলটিই নেটওয়ার্কে কথা বলার প্রযুক্তি হলো এই ভোল্টি, ভোল্টে বা ভোল্ট (VoLTE)। বিশ্বে এই প্রযুক্তি বাণিজ্যিকভাবে প্রথম চালু হয় ২০১৪ সালের মে মাসে সিঙ্গাপুরে। সিংটেল গ্যালাক্সি নোট ৩ হ্যান্ডসেটের সঙ্গে মিলে পুরোপুরিভাবে এই ভোল্টি সেবা উদ্বোধন করে।

২০১৭ সালের শেষের দিকে ভারতী এয়ারটেল ভারতে এটি চালু করে। তারও আগে রিলায়েন্সের জিওতে এই সেবা আসে।

ভোল্টিতে কথা বলা যাবে এইচডি ক্রিস্টাল ক্লিয়ার মানে। যা উপভোগ করা যাবে অডিও-ভিডিও দুটিতেই। বর্তমান মোবাইল নেটওয়ার্কে কল করলে তা কানেক্ট হতে ৯ হতে ১১ সেকেন্ড সময় নেয়। ভোল্টিতে এটি দু-তিন সেকেন্ডে হতে পারে।

এখন মোবাইলে ভয়েসে আসা-যাওয়ার মাঝখানে যে ডিলে থাকে সেটি ভোল্টিতে থাকবে না। মানে ইন্সট্যান্ট একদম মুখোমুখির কথা বলার মতো এটি আদান-প্রদান হবে। কথা বলতে গিয়ে কেটে কেটে যাওয়ার বিষয়টি একদম হওয়া হয়ে যাবে। কলড্রপ কমে যাবে অনেক। এছাড়া প্রচলিত সুইচ প্রযুক্তির বদলে এই প্রযুক্তিতে ভয়েস কল প্রতি অপারেটরগুলোর খরচও কম পড়ে।

ভোল্টিতে যিনি কথা বলবেন তার ফোনকে ফোরজি সাপোর্ট তো করতেই হবে সঙ্গে ভোল্টিও সাপোর্ট করতে হবে। তার টেলিকম অপারেটরের ভোল্টি সাপোর্ট সক্ষমতা থাকতে হবে এবং যাকে কল করা হবে মানে রিসিভার প্রান্তেও এই একই রকম বিষয়গুলো থাকতে হবে।