পরীক্ষা শুরুর আগে প্রশ্নফাঁসের অভিযোগ দিতে হবে: চবি উপাচার্য

টিবিটি টিবিটি

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ১১:২৯ পূর্বাহ্ণ, অক্টোবর ২৫, ২০১৮ | আপডেট: ১১:২৯:পূর্বাহ্ণ, অক্টোবর ২৫, ২০১৮
সংগৃহীত

গতকাল বুধবার চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) উপাচার্য প্রফেসর ড. ইফতেখার উদ্দিন চৌধুরী ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি পরীক্ষার বিষয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় এই বিষয়ে স্পষ্ট করে জানান।

কোনও ইউনিটের পরীক্ষা শুরু হওয়ার ১ঘণ্টা আগে ওই ইউনিটের হুবহু প্রশ্নপত্র অর্থাৎ পরীক্ষার হলে যে প্রশ্নটি দেওয়া হবে সেই প্রশ্নের শতভাগ তথ্য প্রমাণাদিসহ যদি লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয় তাহলে সেটাকে প্রশ্নপত্র ফাঁস বলে ধরা হবে এবং এই বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তবে পরীক্ষার্থীরা হলে ঢুকে যাওয়ার পর থেকে এই বিষয়ে আর কোনও অভিযোগ গৃহীত হবে না।

উপাচার্য বলেন, প্রশ্নপত্র ফাঁস ও ডিভাইস জালিয়াতি দুইটা ভিন্ন জিনিস। এই দুটি ভিন্ন ধরনের অপরাধ। এ বিষয়ে কারও কাছে কোনও অভিযোগ দৃষ্টিগোচর হলে তা ১ম ও ২য় শিফটে নির্ধারিত পরীক্ষার্থীদের কেন্দ্রে প্রবেশ সময়ের নূন্যতম ১(এক) ঘণ্টা পূর্বে (যেমনঃ ১ম শিফটে সকাল ৮টা: ৪৫ মিনিট ও ২য় শিফটে দুপুর ১টা: ১৫ মিনিটের পূর্বে) সব প্রমাণাদিসহ সংশ্লিষ্ট ইউনিট কো-অর্ডিনেটরের কাছে লিখিত অভিযোগ করা যাবে। এ সময়ের পরে পরীক্ষা বা প্রশ্নপত্র সংক্রান্ত কোনও অভিযোগ গ্রহণ করা হবে না।

এই বিষয়ে আরও স্পষ্ট করে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর আলী আজগর চৌধুরী বলেন, প্রশ্নপত্র ফাঁস এবং ডিভাইস জালিয়াতি দুটি ভিন্ন বিষয়। প্রশ্নপত্র ফাঁস ধরা হবে তখন, যেই প্রশ্নটি আমরা পরীক্ষার হলে দিব ওই ধরনের হুবহু আরেকটি প্রশ্ন হতে হবে।

কারণ পরীক্ষার্থীদের প্রশ্ন কমন পড়তেই পারে। কোচিং সেন্টারগুলো যেভাবে নিশ্চয়তা দিয়ে পড়ায় তাতে কিছু প্রশ্ন কমন পড়তেই পারে। এটাকে আমরা কখনও প্রশ্ন ফাঁস বলবো না। প্রশ্নপত্র ফাঁসকারী যদি পুরো প্রশ্ন পেয়ে থাকে তাহলে পুরো প্রশ্নই দিবে। আংশিক দিবে কেনও।

ডিভাইস জালিয়াতির বিষয়ে বলেন, প্রশ্নপত্র দেওয়ার পর যদি কেউ ওই প্রশ্ন ছবি করে বা অন্য কোনও মাধ্যমে বাইরে পাঠাতে পারে তাহলে সেই জালিয়াতি করার সুযোগ পাবে।

কিন্তু আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ে পরীক্ষার হলে কোনও প্রার্থীর কাছে এরূপ কোনও ডিভাইস সঙ্গে রাখা সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ। যদি পাওয়া যায় তাহলে তার বিরুদ্ধে অবস্থা নেওয়া হবে।
উল্লেখ্য, প্রশ্নপত্র ফাঁস ও ডিভাইস জালিয়াতি রোধে কঠোর অবস্থানে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।