পেনশন নিয়ে সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য দুঃসংবাদ

প্রকাশিত: ৭:৪৮ অপরাহ্ণ, জুলাই ২৬, ২০২১ | আপডেট: ৭:৪৮:অপরাহ্ণ, জুলাই ২৬, ২০২১

সরকারি চাকরিজীবীদের অবসর সুবিধার (পেনশন) আগের বিধানই বহাল রেখেছে মন্ত্রিসভা। অর্থাৎ অবসরে গিয়ে কোনো কর্মচারী দুর্নীতির কারণে দণ্ডপ্রাপ্ত হলে সরকার তার পেনশন সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে বাতিল, স্থগিত বা প্রত্যাহার করতে পারবে।

সোমবার পেনশন থেকে টাকা কেটে নেওয়ার বিধান বাদ দিতে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে প্রস্তাব ওঠালে তা অনুমোদন না দিয়ে বহাল রাখে মন্ত্রিসভা।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব জানান, ‘সরকারি চাকরি আইন, ২০১৮’ সংশোধন করে এ বিধান বাতিলের প্রস্তাব আনা হয়েছিল। কিন্তু মন্ত্রিসভা তা অনুমোদন দেয়নি।

খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম প্রেস ব্রিফিংয়ে বলেন, সরকারি চাকরি আইন, ২০১৮-এর কয়েকটি ধারা সংশোধনের প্রস্তাব আনা হয়েছিল। আইনের ৫১ (৪) ধারায় বলা হয়েছে- ‘অবসর সুবিধাভোগী কোনও ব্যক্তি গুরুতর অপরাধে দণ্ডপ্রাপ্ত বা কোনও গুরুতর অসদাচরণে দোষে দোষী সাব্যস্ত হইলে, কারণ দর্শাইবার যুক্তিসঙ্গত সুযোগ প্রদান করিয়া, সরকার বা নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষ, তাহার অবসর সুবিধা সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে বাতিল, স্থগিত বা প্রত্যাহার করিতে পারিবে।’ এই ধারাটি বাতিলের প্রস্তাব করা হয়েছিল। ক্যাবিনেট সেটা অ্যাগ্রি করেনি। ক্যাবিনেট আগেরটিই বহাল রেখেছে।

তিনি বলেন, ‘প্রস্তাব ছিল যে রিটায়ার্ড করবে তার যাতে পেনশন থেকে কোনও টাকা কাটা না হয়। মন্ত্রিসভা এটা অনুমোদন দেয়নি। আগে যেটা ছিল সেটাই রেখে দিয়েছে।’

‘আরেকটি সংশোধন আনা হয়েছিল, আইনে আছে- পিআরএলে যাওয়া ব্যক্তিদের অন্য কোথাও চাকরি করা কিংবা বিদেশে যাওয়ার জন্য সরকারের অনুমোদনের প্রয়োজন নেই। প্রস্তাব আনা হয়েছিল এক্ষেত্রে সরকারের অনুমোদন লাগবে। এটাও ক্যাবিনেট অ্যাগ্রি করেনি। আগে যেটা ছিল সেটাই থাকবে’ —বলেন তিনি।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব জানান, আগের আইনে কিছু করণিক ভুল ছিল সংশোধিত আইনে সেগুলো ঠিক করে দেওয়া হয়েছে।