প্রধানমন্ত্রী ও ঐক্যফ্রন্টের সংলাপঃ সমস্যা বাঁধতে পারে দুটো ইস্যুতে

টিবিটি টিবিটি

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ১০:৫১ পূর্বাহ্ণ, অক্টোবর ৩১, ২০১৮ | আপডেট: ১০:৫৫:পূর্বাহ্ণ, অক্টোবর ৩১, ২০১৮
ছবিঃ সংগৃহিত

টিবিটি রাজনীতিঃএত দিন সংলাপের জন্য হাহাকার করেছিলেন বিএনপির নেতারা। নির্দলীয় ও নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচনের উদ্যোগ নিতে বারবার সংলাপের জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে ছিলেন তাঁরা। কিন্তু প্রতিবার সেই আহ্বান প্রত্যাখ্যান করেছিলেন ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের নেতা ও মন্ত্রীরা।





এবার সেই সংলাপের আহ্বানে সাড়া দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা। তবে সেই সংলাপ হবে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের সঙ্গে।

এই জোটের আহ্বায়ক গণফোরামের সভাপতি ও সংবিধান প্রণয়ন কমিটির চেয়ারম্যান ড. কামাল হোসেন। জোটে আছে দেশের অন্যতম বৃহত্তর দল বিএনপি। আছে গণফোরাম, জেএসডি, নাগরিক ঐক্যসহ বেশ কয়েকজন বিশিষ্ট ব্যক্তি।





আগামী ১ নভেম্বর বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৭টায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকারি বাসভবন গণভবনে সেই সংলাপ অনুষ্ঠিত হবে। এদিন জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের নেতারা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সংলাপে বসবেন।

মঙ্গলবার সকালে বেইলি রোডের বাসায় ড. কামাল হোসেন সাংবাদিকদের এ তথ্য জানিয়েছেন।

সংলাপের বিষয়ে ঐক্যফ্রন্ট নেতা মাহমুদুর রহমান মান্না বলেন, এত দ্রুত সরকার যে সংলাপের প্রস্তাবে সায় দেবে তা তারা ভাবেননি।

মন্ত্রীসভার বৈঠকের পর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদকের পক্ষ থেকে সংলাপে বসার ঘোষণা আসার পরপরই জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের শীর্ষ নেতারা এক বৈঠক করেন। বৈঠকের পর জোটের দুই শীর্ষ নেতা বলেন, সংলাপে বসার সরকারী সিদ্ধান্তকে তারা স্বাগত জানাচ্ছেন।





জোটের প্রধান শরিক বিএনপির নেতা মওদুদ আহমেদ বলেন, সঙ্কটের শান্তিপূর্ণ সমাধানের একটা সুযোগ অন্তত তৈরি হয়েছে।

একই ধরনের কথা বলেছেন জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট নেতা মাহমুদুর রহমান মান্না। “সরকার এত দ্রুত আমাদের প্রস্তাবে সাড়া দেবে বুঝিনি। সরকারের শুভবুদ্ধির উদয় হয়েছে বলে মনে হচ্ছে।”

(রোববার) জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের পক্ষ থেকে সরকারের কাছে একটি চিঠিতে নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার আগেই তাদের সাত-দফা দাবি নিয়ে সরকারকে আলোচনা বসার প্রস্তাব করা হয়।

বাংলাদেশে গত প্রায় তিন দশক ধরে মীমাংসা আলোচনার মাধ্যমে রাজনৈতিক সঙ্কট সমাধানে যে সব চেষ্টা হয়েছে তাতে সাফল্যের নজির নেই বললেই চলে।