বহিষ্কৃত সেই পাঁচ ছাত্রলীগ নেতাকে ক্যাম্পাসে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা

প্রকাশিত: ৫:২০ অপরাহ্ণ, নভেম্বর ১, ২০১৮ | আপডেট: ৫:২০:অপরাহ্ণ, নভেম্বর ১, ২০১৮

শৃঙ্খলা ভঙ্গের দায়ে মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (মাভাবিপ্রবি) শাখা ছাত্রলীগের পাঁচজন নেতাকে ক্যাম্পাসে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে প্রশাসন। একইসঙ্গে তাদের সব ধরনের একাডেমিক কার্যক্রমে অংশগ্রহণেও নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে।

বুধবার (৩১ অক্টোবর) দুপুর ১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার স্বাক্ষরিত সংশোধিত চিঠিতে এ নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়।

নিষেধাজ্ঞা পাওয়া নেতারা হলেন – বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি সজীব তালুকদার, সহসভাপতি ইমরান মিয়া ও আদ্রিতা পান্না, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাবির ইকবাল ও ইয়াসিন আরাফাত।

এর আগে গত ৯ অক্টোবর এই পাঁচ শিক্ষার্থীকে ক্যাম্পাস থেকে বহিষ্কার করা হয়। কিন্তু ওই বহিষ্কারের চিঠিতে সুনির্দিষ্ট নিষেধাজ্ঞার বিষয় না থাকায় অভিযুক্তরা পরীক্ষা দেওয়া, হলে থাকা, কাগজপত্র উত্তোলন ও মিছিল-মিটিংসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের সব সুযোগ-সুবিধা ভোগ করে আসছিল। ফেসবুকে ‘বহিষ্কার শিক্ষার্থীরা সুযোগ সুবিধা ভোগ করছে’ এমন খবর দেখে বিষয়টি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের নজরে আসে। এরপরই বিশ্ববিদ্যালয় প্রসাশন বহিষ্কারের চিঠি সংশোধন করে নিষেধাজ্ঞার চিঠি দেয় তাদের।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর প্রফেসর ড. মো. সিরাজুল ইসলাম বলেন, ‘পূর্ববর্তী বহিষ্কারের চিঠিতে কোনও নিষেধাজ্ঞা না থাকায় বহিষ্কর নেতাদের কাছে সংশোধিত চিঠি পাঠানো হয়েছে।’

উল্লেখ্য, গত ৭ অক্টোবর বিশ্বদ্যিালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের তৃতীয় বর্ষের দ্বিতীয় সেমিস্টারের শিক্ষার্থী ও বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের ছাত্রী বিষয়ক সম্পাদক ঈশিতা বিশ্বাস তিশা পূর্ববর্তী সেমিস্টারে পাস না করলেও বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাদেশের বিরুদ্ধে জোর করে পরীক্ষার সিটে বসিয়ে দেয় সজীব তালুকদার ও তার সহযোগীরা। এসময় ওই বিভাগের চেয়ারম্যান মো. মনিরুজ্জামান, শিক্ষক ড. আনোয়ার হোসেন ও মো. মহিউদ্দিন তাসনীম বাধা দিতে গেলে লাঞ্ছনার শিকার হন।

এ ঘটনায় ছাত্রলীগের সভাপতিসহ পাঁচ জনের বহিষ্কার না করায় পরদিন ৫৬ শিক্ষক প্রসাশনিক ও একাডেমিক পদ থেকে পদত্যাগ করেন। পরে বিশ্ববিদ্যালয় প্রসাশন সজীব তালুকদার, ইমরান মিয়া, আদ্রিতা পান্না, জাবির ইকবাল ও ইয়াসিন আরাফাতকে সাময়িক বহিষ্কার করে।