বাধ্য করে ছাত্রীদের অশ্লীল ভিডিও দেখান শিক্ষক ওয়াদুদ!

টিবিটি টিবিটি

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ৭:২৮ অপরাহ্ণ, অক্টোবর ২০, ২০১৮ | আপডেট: ৭:২৮:অপরাহ্ণ, অক্টোবর ২০, ২০১৮
প্রতীকী ছবি

বগুড়ার শাজাহানপুর উপজেলার রানীরহাট উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক আবদুল ওয়াদুদের বিরুদ্ধে ছাত্রীদের হয়রানির অভিযোগ পাওয়ার কয়েক দিন আগেই সহকারী শিক্ষক ওয়াদুদকে সাময়িক বরখাস্ত দেখিয়েছে ম্যানেজিং কমিটি।

রানীরহাট গ্রামের ব্যবসায়ী জিলদার আলী জানান, সহকারী শিক্ষক ওয়াদুদ গত সেপ্টেম্বরের শেষে অষ্টম শ্রেণীর দুই ছাত্রীকে ক্লাস চলাকালীন অফিস সহকারীর কক্ষে ডেকে কৌশলে মোবাইল ফোনে অশ্লীল ভিডিও দেখান। ছাত্রীরা ভিডিও না দেখে ক্লাসে যেতে চাইলে তাদের সেখানে থাকতে বাধ্য করেন তিনি। এক শিক্ষিকা ওই ছাত্রীদের অফিস সহকারীর কক্ষে দেখে কারণ জানতে চান। তখন ছাত্রীরা কান্নাকাটি করে শিক্ষিকাকে ঘটনাটি জানায়। তখন ওই সহকারী শিক্ষিকা বিষয়টি কাউকে না জানাতে ছাত্রীদের নিষেধ করেন।

এসব বিষয়ে ওই প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি আবু জাফরের কাছে লিখিত অভিযোগ দিতে গেলে তাদের স্বাক্ষর করা কাগজ প্রধান শিক্ষক মিজানুর রহমানের নির্দেশে কেড়ে নেয় অফিস সহকারী শাজাহান আলী। এমনকি নবম শ্রেণির আকাশ নামে এক ছাত্রের অভিভাবককে ডেকে বিভিন্ন হুমকিও দেওয়া হয়েছে।

অভিযোগে রানীরহাট উচ্চ বিদ্যালয়ে সব শিক্ষক-শিক্ষিকাদের শিক্ষাগত যোগ্যতার ও বি.এড পাসের সার্টিফিকেট আসল না নকল তা তদন্তেরও দাবি জানানো হয়েছে। অভিযোগকারী মো. জিলদার আলী আরো জানান, যৌন হয়রানির ঘটনা ঘটেছে প্রায় ২০ দিন আগে। ৪ অক্টোবর বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটি অভিভাবকদের সঙ্গে আলোচনা করে সহকারী শিক্ষক আবদুল ওয়াদুদকে সাময়িক বরখাস্ত দেখানো হয়েছে।

এ বিষয়ে সহকারী শিক্ষক আবদুল ওয়াদুদ বলেন, ছাত্রীদের যৌন হয়রানি সম্পর্কে তার কিছু বলার নেই। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও সভাপতি রয়েছেন তাদের কাছ থেকে জেনে নিন। প্রধান শিক্ষক মিজানুর রহমান তার ওপর আনা অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন দাবি করে বলেন, সহকারী শিক্ষক আবদুল ওয়াদুদ ছাত্রীদের যৌন হয়রানি করেননি। তিনি হাত দিয়ে শিক্ষার্থীদের মারধর করতেন। এ কারণে তাকে গত ২৫ সেপ্টেম্বর কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।