বিজেপিকে আটকাতে পারেন একমাত্র মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় : ব্রাত্য বসু

টিবিটি টিবিটি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশিত: ৭:০৭ অপরাহ্ণ, জুলাই ২৮, ২০২১ | আপডেট: ৭:০৭:অপরাহ্ণ, জুলাই ২৮, ২০২১

“বিজেপিকে ঠেকাতে মমতাই একমাত্র বিকল্প। বিজেপিকে উৎখাত করার এই লড়াই শুরু হয়ে গিয়েছে। ২০২৩ সালে ত্রিপুরা থেকে উৎখাত করার লড়াই, ২০২৪-এ দেশজুড়ে উৎখাত করার লড়াই। আর এই লড়াইয়ে একমাত্র বিকল্প সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস এবং দলের নেত্রী মমতা।”

এভাবেই বলছিলেন ভারতের পশ্চিমবঙ্গের শিক্ষামন্ত্রী ও তৃণমূল নেতা ব্রাত্য বসু। আজ (বুধবার) ভারতের ত্রিপুরায় এক সংবাদ সম্মেলনে ওই মন্তব্য করেন তিনি।

আজ পশ্চিমবঙ্গের ক্ষমতাসীন তৃণমূল কংগ্রেসের তিন সদস্য সমন্বিত এক প্রতিনিধি দল বিজেপিশাসিত ত্রিপুরায় গেছেন। ওই প্রতিনিধি দলে রয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু, আইনমন্ত্রী মলয় ঘটক ও তৃণমূলের শ্রমিক সংগঠন আইএনটিটিইউসি’র রাজ্য সভাপতি ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়।

তৃণমূলের অভিযোগ, গত (রোববার) রাত থেকে ত্রিপুরার পূর্ব আগরতলায় একটি হোটেলে নির্বাচন কুশলী প্রশান্ত কিশোরের (পিকে) ‘আইপ্যাক’ টিমের সদস্যদের আটকে রাখা হয়েছে। সেখানে রাজনৈতিক অবস্থা জরিপ করতে গিয়েছিলেন প্রশান্ত কিশোরের সংস্থা আইপ্যাকের সদস্যরা৷

ত্রিপুরা পুলিশের দাবি, ওই সদস্যরা বিভিন্ন জায়গায় ঘুরে বেড়ানোয় করোনা বিধি লঙ্ঘিত হচ্ছে।

অন্যদিকে, তৃণমূল কংগ্রেসের ত্রিপুরার সভাপতি আশিস লাল সিংয়ের অভিযোগ, রোববার রাতে রুটিন তল্লাশির নামে আইপ্যাকের সদস্যদের প্রথমে একদফা হেনস্থা করে ত্রিপুরা পশ্চিম থানার পুলিশ৷ এরপর সোমবারও তাঁদের হোটেল থেকে বেরোনোর সময় পুলিশ বাধা দেয় বলে অভিযোগ৷

এ সম্পর্কে আজ পশ্চিমবঙ্গের শিক্ষামন্ত্রী ও তৃণমূল নেতা ব্রাত্য বসু বলেন, ‘আমাদের আইপ্যাকের ছেলেদের প্রত্যেকের কোভিড রিপোর্ট নেগেটিভ হওয়া সত্ত্বেও যেভাবে একটা হোটেলে তাদের কার্যত অবরুদ্ধ করে রাখা হয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে এফআইআর করা হয়েছে, সমন জারি করা হয়েছে, যেভাবে এই পুরো প্রক্রিয়া ঘটানো হয়েছে তাতে সরকারের স্পষ্টত একধরণের ভয়, এক ধরণের ট্রমা, সরকারের একধরণের যন্ত্রণা বেরিয়ে আসছে। আমাদের কথা হচ্ছে যে সরকারের এই নিরাপত্তাহীনতা, ভয় কেনো? আপনারা জানেন এ ধরণের জরিপ সংস্থা প্রত্যেক রাজ্যেই যায়। গিয়ে জরিপ চালায়। আইপ্যাকের অপরাধ কী? তাদের মাথায় প্রশান্ত কিশোর বসে আছেন এটা কী তাদের অপরাধ? আশার কথা এটাই যে, তাদের ইতোমধ্যেই মুক্ত করা হয়েছে, তারা কোভিড বিধি মেনে চলছেন। তাদের প্রত্যেকের কাছে কোভিড নেগেটিভের প্রমাণপত্র আছে। আমরা ত্রিপুরা সরকারের উদ্দেশ্যে বলতে চাই যে, এ ধরণের আচরণ আপনারা করবেন না। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় স্বয়ং দিল্লি থেকে ওই ঘটনার নিন্দা করেছেন।’

‘ত্রিপুরা সম্প্রীতির জায়গা। সেখানে সাম্প্রদায়িক শক্তি বা দৃষ্টিভঙ্গি এই ত্রিপুরার মাটিতে চলতে পারে না’ বলেও মন্তব্য করেন পশ্চিমবঙ্গের শিক্ষামন্ত্রী ও তৃণমূল নেতা ব্রাত্য বসু।