বিশ্ববিদ্যালয়ের বাসেই বাড়ি ফিরবে রাবি শিক্ষার্থীরা

প্রকাশিত: ৩:০১ অপরাহ্ণ, জুলাই ৯, ২০২১ | আপডেট: ৩:০১:অপরাহ্ণ, জুলাই ৯, ২০২১
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সারিবদ্ধ বাস। ফাইল ছবি।

চলমান লকডাউনের কারণে পরীক্ষা দিতে রাজশাহীতে এসে আটকে পড়া শিক্ষার্থীদের বিশ্ববিদ্যালয়ের বাসে করে আগামী ১৫ ও ১৬ জুলাই নিজ এলাকার কাছাকাছি পৌঁছে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। যানবাহন চলাচল বন্ধ থাকায় ঈদে তাদের বাড়ি ফেরা অনিশ্চয়তায় ছিল আটকে পড়া শিক্ষার্থীরা।

যেসব শিক্ষার্থী গন্তব্যে যেতে চান, তাদের তথ্য সংগ্রহ করার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। শুক্রবার রাত ১২টা পর্যন্ত এ তথ্য দেয়া যাবে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দপ্তরের প্রশাসক অধ্যাপক ড. আজিজুর রহমান স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানানো হয়। এখন পর্যন্ত প্রায় তিন হাজার ছাত্রছাত্রী বিভিন্ন গন্তব্য ও জেলার তথ্য দিয়েছেন।

এতে বলা হয়, বৃহস্পতিবার (৮ জুলাই) পর্যন্ত দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে উপাচার্য (রুটিন দায়িত্ব) প্রফেসর ড. আনন্দ কুমার সাহা কর্তৃক গঠিত একটি কমিটি সার্বিক দিক বিবেচনায় নিয়ে নাটোর, সিরাজগঞ্জ, নওগাঁ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, গাইবান্ধা (রাবি-বগুড়া-পলাশবাড়ী), বগুড়া, কুষ্টিয়া, রংপুর (রাবি-বগুড়া-রংপুর), দিনাজপুর (বদলগাছি-জয়পুরহাট-বিরামপুর-ফুলবাড়ী-দিনাজপুর), ঢাকা (গাবতলী), ময়মনসিংহ ও খুলনা রুটে পরিবহন সেবা দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

এছাড়া যেসব ছাত্রছাত্রীর প্রকৃতভাবেই সেবা নিতে চান তাদেরকে আগামীকাল শনিবার দুপুর ১২টার মধ্যে এই লিঙ্কে প্রবেশ করে পুনরায় লগইন করার পর রুট সিলেকশনের অনুরোধ জানানো হয়েছে।

এছাড়াও এর আগে কেউ ভুল বা কৌতূহলবশত রাজশাহীতে অবস্থান না করেও গন্তব্য জেলার তথ্য দিয়ে থাকলে এ পর্যায়ে এসে রুট সিলেকশন না করতে অনুরোধ করেছে কর্তৃপক্ষ।

এর আগে গত ৩ জুন এক ভার্চুয়াল মিটিংয়ে বিভিন্ন বর্ষের ২০১৯ সালের আটকে থাকা পরীক্ষাগুলো ২০ জুন এবং ২০২০ সালের আটকে থাকা পরীক্ষাগুলো ৪ জুলাই থেকে শুরু করতে প্রতিটি বিভাগকে নির্দেশনা দেয় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। পরে আটকে থাকা পরীক্ষাগুলো গ্রহণের তারিখ ঘোষণা করে বেশ কয়েকটি বিভাগের অ্যাকাডেমিক কমিটি। পরীক্ষার তারিখ ঘোষণার ফলে অনেক শিক্ষার্থী রাজশাহীতে চলে আসে। কিন্তু করোনাভাইরাস পরিস্থিতির অবনতিতে চলমান লকডাউন দিনে দিনে বৃদ্ধির ফলে সংশ্লিষ্ট বিভাগগুলো পরীক্ষা স্থগিত করে। এতে বাসায় ফেরা নিয়ে বিপাকে পড়েছে শিক্ষার্থীরা।