ব্যাখ্যা দিলেন ‘শমসের মবিন চৌধুরী’ তিনি বিকল্পধারায় কেন?

টিবিটি টিবিটি

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ১২:৫১ পূর্বাহ্ণ, অক্টোবর ২৭, ২০১৮ | আপডেট: ১২:৫১:পূর্বাহ্ণ, অক্টোবর ২৭, ২০১৮
ছবিঃ সংগৃহিত

টিবিটি রাজনীতিঃসাবেক রাষ্ট্রপতি অধ্যাপক একিউএম বদরুদোজ্জা চৌধুরীর বিকল্পধারায় যোগ দিয়েছেন বিএনপির সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান শমসের মবিন চৌধুরীসহ বেশ কয়েকজন রাজনীতিবিদ।

অন্যদের মধ্যে রয়েছেন সাবেক দুই প্রতিমন্ত্রী গোলাম সারোয়ার মিলন ও নাজিম উদ্দিন আল আজাদ। এদের মধ্যে মিলন ছিলেন ছাত্রদলের প্রথম নির্বাচিত সভাপতি। পরে জাতীয় পার্টিতে যোগ দিয়ে তিনি মানিকগঞ্জের সিঙ্গাইর থেকে সংসদ সদস্য হয়েছিলেন। এরপর এরশাদ সরকারে প্রতিমন্ত্রী হন তিনি।

পরে হঠাৎ করে রাজনীতিতে সক্রিয় এবং বিকল্পধারার ছায়াতলে কেন, তার ব্যাখ্যা দেন শমসের মবিন

তিনি যোগদান অনুষ্ঠানটিকে ‘ঐতিহাসিক’ আখ্যা দিয়ে বলেন, ‘আজ এখানে আসায় স্বাভাবিক প্রশ্ন আসবে, ঠিক তিন বছর আগে রাজনীতি অবসর নেয়ার পর আবারো কেন ফিরলাম? কেন অন্য একটি দলের সঙ্গে নিজেকে সম্পৃক্ত করলাম?’

এরপর এসব প্রশ্নের উত্তর নিজেই দেন শমসের মবিন, ‘অত্যন্ত পরিচিত, সাহসী এবং সত্যিকারের জাতীয়তাবাদী ধারার রাজনীতিকে প্রসারিত করতে যার অবদান সবচেয়ে বেশি, তিনি হলেন বি. চৌধুরী। তার সঙ্গে যুক্ত হতে পেরে আমি ধন্য।’

তিনি বলেন, ‘আমি রাজনীতি থেকে যখন অবসর নিই, একটা কথা উল্লেখ করেছিলাম— শারীরিক সুস্থতা এবং বাংলাদেশের ঐতিহাসিক মহান মুক্তিযুদ্ধের মূল্যবোধকে সামনে রেখে যদি দেশ ও জাতির জন্য কোনো ধরনের অবদান রাখার সুযোগ আসে, ভূমিকা রাখার সুযোগ পাই, তাহলে নিজেকে আমি সেই কাজে সম্পৃক্ত করব। সেই প্রতিশ্রুতির ধারাবাহিকতায় আজকে বিকল্পধারায় যোগ দিলাম।’

শমসের মবিন বলেন, ‘আমি ডা. একিউএম বদরুদ্দোজা চৌধুরীর সাহসী ও দেশপ্রেমের নেতৃত্বে, বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক বীর মুক্তিযোদ্ধা জিয়াউর রহমানের আদর্শের রাজনীতিতে আস্থা রেখে, বাংলাদেশের স্থপতি বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের প্রতি সম্মান দেখিয়ে আপনাদের সামনে দাঁড়িয়েছি, যেন আগামীতে বাংলাদেশকে একটি সুখী, শান্তিপূর্ণ, সমৃদ্ধ ও গণতান্ত্রিক দেশ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে ভূমিকা রাখতে পারি।’

তিনি আরো বলেন, ‘ভবিষ্যৎ প্রজন্ম দম্ভের রাজনীতি দেখতে চায় না। ভবিষ্যৎ প্রজন্ম নাশকতার রাজনীতি দেখতে চায় না। এই নাশকতা মানুষকে পুড়িয়ে হত্যা করা হোক বা লগি বৈঠা দিয়ে মানুষকে পিটিয়ে হত্যা করা হোক। এই নাশকতা বাংলাদেশের বর্তমান প্রজন্ম দেখতে চায় না।’