ভুলেও সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করবেন না এই তথ্যগুলো!

টিবিটি টিবিটি

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ১০:৪৪ অপরাহ্ণ, অক্টোবর ২৬, ২০১৮ | আপডেট: ১০:৪৪:অপরাহ্ণ, অক্টোবর ২৬, ২০১৮
ছবিঃ সংগৃহিত

টিবিটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিঃফেসবুক সহ অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়ার বর্তমানে দৈনন্দিন জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে দাঁড়িয়েছে। তেমনই বাড়ছে ফেসবুকে আপনার শেয়ার করা তথ্যকে কেন্দ্র করে জালিয়াতির বহরও। সাম্প্রতিক খবর, ফেসবুকের ‘ভিউ অ্যাজ’ফিচারের নিরাপত্তা জাল কেটে প্রতিনিয়তই হ্যাক হচ্ছে লাখ লাখ অ্যাকাউন্ট। ফাঁস হচ্ছে ব্যক্তিগত তথ্য!

ফেসবুক বা অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়ায় বেশিরভাগ মানুষই তার নিজের আসল নাম, জন্মতারিখ এবং বাসস্থানের কথা জানিয়ে দেন তার প্রোফাইলে। এর ফলে দুষ্কৃতীদের কাজ আরও সহজ হয়ে যায়।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই ধরনের ব্যক্তিগত তথ্য যদিও বা শেয়ার করা যেতে পারে ফেসবুকে, বিশেষ কিছু তথ্য ফেসবুকে শেয়ার করা একেবারেই বুদ্ধিমানের কাজ নয়। পিইডাব্লিউ রিসার্চ সেন্টার থেকে বলা হচ্ছে, নিজের সম্পর্কের তথ্য কোনভাবেই সোশ্যাল মিডিয়ায় ফাঁস করা উচিৎ নয়। এগুলো হল-

ফোন নম্বর শেয়ার
সোশ্যাল মিডিয়ায় অ্যাকাউন্ট খোলার জন্য আপনার সঠিক ফোন নম্বর শেয়ার করাটা জরুরি। এ ছাড়াও এই ফোন নম্বর থেকেই আপনার বন্ধুরা আপনাকে সহজেই খুঁজে নিতে পারবে। তবে একটা ছোট্ট ঝুঁকিও রয়েছে। আপনার ফোন নম্বর হ্যাকারদের হাতে পড়ে গেলেই বিপদ! এ ক্ষেত্রে এই ফোন নম্বর ‘প্রাইভেসি হাইড’ করে রাখা জরুরি।

আপনার সঠিক জন্ম তারিখ
জন্মদিনে সোশ্যাল মিডিয়ায় বন্ধুদের থেকে শুভেচ্ছাবার্তা পেতে কার না ভাল লাগে! কিন্তু ফেসবুকসহ যে কোনো সামাজিক মাধ্যমে আপনার সঠিক জন্ম তারিখ স্ক্যামারদের বা হ্যাকারদের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি তথ্য। তারা এই তথ্যকে কাজে লাগিয়ে আপনার নামে ফেক প্রোফাইল তৈরি করতে পারবে। এর পর যে কোনো সাইবার অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে তারা এটি কাজে লাগাতে পারে।

সোশ্যাল প্ল্যান শেয়ার করা
আপনার কোনো সোশ্যাল প্ল্যান যেমন, বড় কোনও পার্টি, অনুষ্ঠান, কোথাও কোনও নামী রেস্তোরাঁয় নৈশভোজে যাবেন, কারো সঙ্গে দেখা করার পরিকল্পনা বা কোথায় বাইরে যাওয়ার পরিকল্পনার তথ্য সোশ্যাল মিডিয়ার টাইম লাইনে পোস্ট করবেন না। সাইবার অপরাধীরা এই তথ্য কাজে লাগিয়ে চুরি, ডাকাতি, ছিনতাই বা অপহরণের মতো অঘটন ঘটাতেই পারে।

লোকেশন শেয়ার
অনেকেই নিজের পোস্টের সঙ্গে সব সময় লোকেশন ট্যাগ করেন। কিন্তু অনেকেই নিজের লোকেশন শেয়ার করার ভয়াবহতা সম্পর্কে অবগত নন। হ্যাকাররা বা সাইবার অপরাধীরা প্রোফাইল লোকেশন অনুসরণ করে সহজেই আপনার উপর নজর রাখতে পারবে। আর যে কোনো সময় এই তথ্য কাজে লাগিয়ে চুরি, ডাকাতি, ছিনতাই বা অপহরণের মতো অঘটন ঘটাতে পারে। তাই এক্ষেত্রে সাবধানতা অবলম্বন করা অত্যন্ত জরুরী।

সন্তানদের ছবি ট্যাগিং
সন্তানের কোনো ক্ষতি হোক, তা কোনও অভিভাবকই চান না। কিন্তু অনেকেই নিজের সন্তানের ছবি সোশ্যাল মিডিয়াতে আপলোড করেন এবং বাচ্চাদের নাম ব্যবহার করে ফটো ট্যাগ করেন। এটা অত্যন্ত সাধারণ একটা বিষয় বলে মনে হলেও এর ভয়াবহতা সম্পর্কে অবগত নন। শিশুটির ছবি বিভিন্ন অপরাধমূলক কাজে ব্যবহৃত হতে পারে, বিভিন্ন পর্নগ্রাফির ওয়েবসাইটেও ব্যবহৃত হতে পারে। তাই সতর্ক হওয়া জরুরি।