ভোট বর্জন নিয়ে পার্থের বক্তব্য (ভিডিও)

টিবিটি টিবিটি

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ৩:২২ অপরাহ্ণ, ডিসেম্বর ৩১, ২০১৮ | আপডেট: ৩:২২:অপরাহ্ণ, ডিসেম্বর ৩১, ২০১৮
আন্দালিব রহমান পার্থ। ফাইল ছবি

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১৭ আসনে বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) প্রার্থী আন্দালিব রহমান পার্থ গতকাল রোববার ভোট বর্জন করেন। এরপরই তার নিজস্ব নেতাকর্মীদের সঙ্গে আলাপচারিতার একটি ভিডিও ফেসবুকে ভাইরাল হয়েছে।

ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে প্রার্থ অভিযোগ করে বলছেন, প্রত্যেকটা সেন্টারে একই অবস্থা। মানারাতে একটু ভালো করবে, বা ঢুকবে-এজেন্ট তো ঢুকতেই দিবে তা না। আমার ১৫টা এজেন্টদের মধ্যে কাউকে বলবে, ‘আপনার সাইন মিলে না, আপনার ব্যাচ নাই কোনও? এটা কার সাইন? আপনি ঢুকতে পারবেন না।’

‘এ ধরণের কথা পুলিশ প্রিজাইডিং অফিসারের সাথে বলে, আবার প্রিজাইডিং অফিসারও পুলিশের সাথে বলে। সবকিছু মিলিয়ে এই।’

বিজেপি প্রার্থী আরও অভিযোগ করে বলেন, মাটিকাটা ভাসানটেক থেকে তো কাউকে ঢুকতেই দেয় নাই, কোথাও কিছু নাই। কোনো এজেন্টস নাই। মেরে বের করে দিয়েছে।’

এ সময় তার সঙ্গে উপস্থিত এক কর্মীকে দেখিয়ে তিনি বলেন, ‘উনাকে মেরে, উনার মোবাইল ফোন নিয়ে গেছে, উনাকে আটকে রেখেছে। এরকম অসংখ্য। এটা কী ধরণের নির্বাচন? নির্বাচনের প্রচারণার প্রথম থেকেই নির্বাচন করতে দিবে না। বসতে দিবে না, কথা বলতে দিবে না। ক্যাম্পেইন করতে দিবে না।

মামলা করে কমপক্ষে ৪০০-৫০০ আসামি করছে এই কয়দিনে। তারপরে ভোটের দিন, সেদিনও একই অবস্থা। আপনি মহাখালী যান। সেখানে কোনো ভোট দিতে পারবেন না। সেখানে প্রথমেই মারামারি করে ভোটারদের একটা আতঙ্ক সৃষ্টি করে তারা তাদের মতো ভোট দিচ্ছে। প্রত্যেককে বের করে দিয়েছে।

আইপিএস টিঅ্যান্ডটি, তিতুমীরের মতো একটা জায়গায় আমার কোনো এজেন্টস নাই। সব বের করে দিছে। সবাইকে তারা বের করে দিছে এবং থাকতে দিবে না এবং সাত তলায় আমার একটা এজেন্ট আছে, সেখানে নিচে বলা হচ্ছে সে নিচে নামলেই তাকে মেরে ফেলা হবে।

এই যদি হয় অবস্থা, তাহলে আমি মনে করি জাতীয় পার্টির দল থেকে কোনো দলীয় সরকারের অধীনে এ নির্বাচন সম্ভব না। নির্বাচন হতে পারে না। এটা অসম্ভব নেওয়া।

নির্বাচন ব্যবস্থা, আপনার ক্ষমতা হস্তান্তর প্রক্রিয়াটা শান্তিপূর্ণ হবে-সে চিন্তা চেতনার প্রক্রিয়াটা যদি সরকার চিন্তা ধারণ না করে তাহলে সেটা কোনোভাবেই সম্ভব না। তার ফলাফল হিসেবে আজকে আমরা দেখতে পাচ্ছি।

সুতরাং আমি ভোট বর্জন করলাম। এইটাই আমার কথা, এ সরকারের অধীনে কোনো নির্বাচনে যাওয়া বা নির্বাচন করাটা আমি কোনোভাবেই মনে করি না গ্রহণযোগ্য হবে। অনেকেরই একটা ধারণা, গণতন্ত্র মানেই নির্বাচন করতে হবে, এমন ননসেন্স নির্বাচন হলে নির্বাচন করতে হবে? আমি এটা বুঝি না।