মির্জাপুরে জামানত হারিয়েছেন চার এমপি প্রার্থী

টিবিটি টিবিটি

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ১১:১৫ পূর্বাহ্ণ, জানুয়ারি ৩, ২০১৯ | আপডেট: ১১:১৫:পূর্বাহ্ণ, জানুয়ারি ৩, ২০১৯
ছবি: টিবিটি

মোঃ রায়হান সরকার রবিন, মির্জাপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি: একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে টাঙ্গাইল-৭ মির্জাপুর নির্বাচনী এলাকা থেকে জামানত হারিয়েছেন চার এমপি প্রার্থী। আজ বৃহস্পতিবার উপজেলা নির্বাচন অফিস ও সহকারী রিটার্নিং অফিস এ তথ্য জানিয়েছেন।

টাঙ্গাইল-৭ মির্জাপুর আসনে ৬ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্ধিতা করেন। নির্বাচনের এক সপ্তাহ পূর্বে জাতীয় পার্টির মো. জহিরুল ইসলাম জহির নির্বাচন থেকে সরে দাড়ান। জামানত হারানো প্রার্থীরা হলেন, জাতীয় পার্টির প্রার্থী মো. জহিরুল ইসলাম জহির (লাঙ্গল), খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মজিবুর রহমান (দেয়াল ঘড়ি), ইসলামী শাসন আন্দোলনের প্রার্থী মো. শাহিনুর ইসলাম (হাতপাখা) এবং প্রগতিশীল গণতান্ত্রিক দলের প্রার্থী শ্রী মতি রুপা রায় চৌধুরী (বাঘ)।

জাতীয় পার্টির মো. জহিরুল ইসলাম জহির পেয়েছেন ৩১৭ ভোট, ইসলামী শাসন আন্দোলনের মো. শাহিনুর ইসলাম পেয়েছেন এক হাজার ৯৭ ভোট, খেলাফত মসলিসের মো. মজিবর রহমান পেয়েছেন ১১৩ ভোট এবং প্রগতিশীল গণতান্ত্রিক দলের শ্রী মতি রুপা রায় পেয়েছেন ১৫৮ ভোট।

উপজেলা নির্বাচন অফিস সুত্র জানায়, আওয়ামীলীগের প্রার্থী বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ¦ মো. একাব্বর হোসেন (নৌকা) পেয়েছেন এক লাখ ৬৪ হাজার ৫৯১ ভোট। তার প্রতিদ্বন্ধি বিএনপি তথা ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থী মো. আবুল কালাম আজাদ সিদ্দিকী (ধানের শীষ) পেয়েছেন ৮৭ হাজার ৯৪৯ ভোট।

৭৬ হাজার ৬৪২ ভোট বেশী পেয়ে আওয়ামীলীগের প্রার্থী বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ¦ মো. একাব্বর হোসেন এমপি নির্বাচিত হয়েছেন। বৈধ ভোটের মধ্যে ৮ শতাংশ ভোট না পাওয়ায় চারজন প্রার্থী জামানত হারিয়েছেন।

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে একটি পৌরসভা ও ১৪ ইউনিয়নে ১১৩ টি ভোট কেন্দ্রে মোট ভোটার ছিল ৩ লাখ ২২ হাজার ৬৭৩ জন। পুরুষ ভোটার এক লাখ ৫৯ হাজার ৮৫৩ এবং মহিলা ভোটার এক লাখ ৬২ হাজার ৭৯৮ জন।

১১৩টি কেন্দ্রে মোট কক্ষ ছিল ৬৬৬টি। এর মধ্যে স্থায়ী কক্ষ ছিল ৬২৪ টি এবং অস্থায়ী কক্ষ ছিল ৪২ টি । ১১৩টি কেন্দ্রে মোট ভোট পরেছে ২ লাখ ৫৬ হাজার ৪৪৯ টি। এর মধ্যে বৈধ ভোট হয়েছে ২ লাখ ৫৪ হাজার ২২৫টি এবং ভোট নষ্ট হয়েছে ২ হাজার ২২৪টি ।

১১৯ জন প্রিজাইডিং অফিসার, ৭০০শ জন সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার ও ২ হাজার ১০০শ জন পোলিং অফিসার ভোট গ্রহনের জন্য কাজ করেছেন। এছাড়া প্রশাসনের কর্মকর্তা-কর্মচারী ছাড়াও শান্তিপুর্ন ভাবে ভোট গ্রহনের লক্ষে সেনাবাহিনী, বিজিবি, পুলিশ, আনসার, গ্রাম পুলিশ ও স্টাইর্কিং ফোর্স নিরলস ভাবে কাজ করেছেন।

সহকারী রিটার্নিং অফিসার ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. আবদুল মালেক এবং অফিসার ইনচার্জ এ কে এম মিজানুল হক মিজান বলেন, কোন অপৃতিকর ঘটনা ছাড়াই সুষ্ঠু, শান্তিপুর্ন ও নিরপেক্ষ ভাবে ভোট গ্রহন শেষে ফলাফল ঘোষনা করা হয়েছে।