মেয়র আইভিকে বস্ত্র হরণের হুমকী দিয়েছিলেন শামীম ওসমান: শওকত মাহমুদ

টিবিটি টিবিটি

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ২:৩৯ অপরাহ্ণ, অক্টোবর ২৫, ২০১৮ | আপডেট: ২:৩৯:অপরাহ্ণ, অক্টোবর ২৫, ২০১৮
সংগৃহীত

মঙ্গলবার (২৩ অক্টোবর) বেসরকারি টেলিভিশন ডিবিসি ‘নিউজ সংবাদ সম্প্রসারণ’ অনুষ্ঠানে তিনি একথা বলেন। অনুষ্ঠানটির আলোচনার বিষয় ছিল ‘গ্রেফতার নিয়ে পাল্টাপাল্টি বক্তব্য’। আর সঞ্চালনায় করেন শারমিন চৌধুরী।

ইকোনোমিক টাইমসের সম্পাদক শওকত মাহমুদ বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী তার সর্বশেষ সংবাদ সম্মেলনে যে কথাটা বলেছেন, পরে কিন্তু মন্ত্রীরা যতই বলুক, এটাতে কোন রাজনৈতিক উদ্দেশ্য নেই। সেটা মানা যায় না।

কারণ তিনি (প্রধানমন্ত্রী) বলেছেন, ‘জাতীয় ঐক্যফ্রন্টে কী ধরণের লোক যাচ্ছে এবং কারা নেতৃত্ব দিচ্ছে, তাদের মধ্যে নারীকে সম্মান করতে জানে না।’ এই কথাটি কিন্তু তিনি (প্রধানমন্ত্রী) সরাসরি বলেছেন।

তিনি আরও বলেন, জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট গঠনের সাথে ব্যারিষ্টার মইনুলের সংশ্লিষ্টতা এবং একই সাথে তিনি যে কাজটি করেছেন। এটার পিছনে রাজনীতি নেই বলা যাবে না কিন্তু ব্যারিষ্টার মইনুল হোসেন যে মন্তব্য করেছেন সাংবাদিক মাকসুদা ভাট্টির সর্ম্পকে। কাউকে চরিত্রহীন বলা যায় না। এটা আমরা সবাই নিন্দা জানাই।

তিনি নারী সাংবাদিক ও যারা নারী সংগঠনে আছে তাদেরকে বলেছেন, ‘আপনারা মামলা করুন, এটা সরকারের দেখার দায়িত্ব।’ মামলা করতে তিনি (প্রধানমন্ত্রী) এক ধরনের উৎসাহ দিয়েছেন। দুই-তিন ঘন্টার মধ্যে ব্যারিষ্টার মইনুল হোসেনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

শওকত মাহমুদ প্রশ্ন রেখে বলেন, শামীম ওসমান নারায়ণগঞ্জের মেয়র আইভি রহমানকে যে অশালীন ভাষায় আক্রামন করেছিলেন। তার বস্ত্র হরণের হুমকী পর্যন্ত দিয়েছিলেন। সেখানে তো শামীম ওসমানের বিরুদ্ধে এই রকম প্রতিবাদ দেখিনি। কেন দেখলাম না? শামীম ওসমান আওয়ামী লীগ করে বলে? তিনি সরকারের ঘনিষ্ট বলে?

কথাটা হচ্ছে এই, তার প্রতিক্রিয়া হয়েছে কিন্তু অতিপ্রতিক্রিয়া এবং এর মধ্যে সরকারে প্ররোচনায়ও যুক্ত হয়েছে। কারণ আপনারা দেখবেন, মানহানির মামলা সাধারণত ওয়ারেন্ট ইস্যূ হয় না। মানহানির মামলায় সমন জারি হয়। আমি বলবো তার অপরাধের মাত্রাটা ব্যাপকতা হয়েছে এবং বিবৃতির মাধ্যমে এমন জায়গায় গেছে, সরকারও এটার সুযোগ নিয়েছে।